বিয়ের পর দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার টিপস! রইল তার এক ঝলক

বিয়ে মানেই টিমওয়ার্ক। কোনও প্রতিযোগিতা নয়।

বিয়ে মানেই টিমওয়ার্ক। কোনও প্রতিযোগিতা নয়।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: অনেকেই মনে করেন বিয়ে খুব সোজা। বিয়ে করা হয়তো খুব সোজা, কিন্তু সারা জীবন একসঙ্গে কাটানো বেশ কঠিন। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যে ভালো কাটবেই এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। খারাপ সময়ও আসবে এটাই নিশ্চিত। ভালো সময়ের মতো খারাপ সময়েও যাতে একে অপরকে পাশে পায় সেটাই নিশ্চিত করা দরকার। বিয়ের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষ অনেক কিছু শিখতে পারে। কী কী শেখা সম্ভব ? জেনে নিন…

যার প্রতি খুব ভালোবাসা আছে তাঁকে বিয়ে করা উচিত। এতে বিবাহিত জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। ভালোবাসার মানুষকে পাশে পেলে ভালো সময়েও যেমন ভালো লাগে খারাপ সময়েও শক্তি জোগায়। ভালোবাসার কাউকে বিয়ে করলে শেষ সময় পর্যন্ত জীবন সুরক্ষিত থাকে, শান্তিতে থাকে।

দাম্পত্য সম্পর্কে থাকা দুজন দুজনের থেকে কোনও আশা রাখা উচিত নয়। কারণ কোনও কারণে অপরজন সেই আশা পূরণে ব্যর্থ হলে তা উভয়ের জন্য বেদনার কারণ হতে পারে। আর আশা না রাখলে কোনও সামান্য কোনও কাজে আনন্দিত হতে পারে উভয়েই।

বিয়ে মানেই টিমওয়ার্ক। কোনও প্রতিযোগিতা নয়। বিবাহিত সম্পর্কে থাকা দুজনে কখনই হেরে যায় না। কারও কোনও সমস্যা হলে অপরজনের পাশে দাঁড়ানোই হয় বিয়ে। দুজনের উচিত সমস্ত কাজ একসঙ্গে করা। এতে উভয়েই বুঝতে পারেন যে তাঁরা দুজনে একই দিকে রয়েছেন। এবং দুজনেই উভয়ের ভালো চান। একে অপরকে সাহায্য করলে জীবনের সমস্যাগুলি খুব সহজেই পার করা সম্ভব।

বিয়ে মানেই একে অপরকে সবটুকু দিয়ে ভালোবাসা। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভালোবাসা কখনও কমে যায় না। বরং ভালোবাসা বাড়ে। সম্পর্কে থাকা একজন কখনই ভালো থাকতে পারেন না যদি না অপরজন তাঁকে ভালোবাসে। তাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ প্রতিটি মানুষের উচিত একে অপরকে ভালোবাসা। এতে সঙ্গী বা সঙ্গীনী যেমন ভালো থাকবে তেমন নিজেরাও ভালো থাকবে।

কোনও বিষয়ে নালিশ না করাই শ্রেয়। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ একে অপরকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নালিশ জানান। নিজেদের মধ্যে কোনও বিষয়ে মনোমালিন্য হলে যেমন নালিশ করেন তেমন অন্য বিষয় নিয়েও নালিশ করেন। নালিশ করা পরিত্যাগ করলে দাম্পত্য জীবন আরও মধুর হয়।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: