Relationship: মনের মানুষ খাঁটি কি না চেনা যাবে এই লক্ষণ ধরে! মিললে তাঁকে হাতছাড়া করা চলবে না

কী দেখে বুঝবেন যে সঠিক মানুষের খোঁজ পেয়েছেন? রইল তার কিছু টিপস…

কী দেখে বুঝবেন যে সঠিক মানুষের খোঁজ পেয়েছেন? রইল তার কিছু টিপস…

  • Share this:

মনের মতো মানুষকে খুঁজে পেতে অনেকেই এখন ডেটিং-এ যাচ্ছেন। এমনকী অতিমারীর সময়েও চলছে অনলাইন ডেটিং। সে যেখানেই ডেট হোক না কেন, উদ্দেশ্য কিন্তু একটাই- ভালো মনের মানুষ খুঁজে পাওয়া। যাঁর হাতটা ধরে সারা জীবন অনায়াসে কাটিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু কী দেখে বুঝবেন যে সঠিক মানুষের খোঁজ পেয়েছেন? রইল তার কিছু টিপস…

সম্মান জ্ঞাপন যে সম্পর্কই হোক না কেন, তার মধ্যে সম্মান থাকা ভীষণ প্রয়োজন। উভয়ের উচিত উভয়কে সম্মান দেওয়া। তাই যদি দেখেন কোনও সম্পর্কের মধ্যে উভয়ের সম্মান রয়েছে তাহলে সেই সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে হাতছাড়া করা যাবে না।

টেকেন ফর গ্রান্টেড ভেবে নেওয়া সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে টেকেন ফর গ্রান্টেড ভেবে নেওয়া ভুল হবে। হয় তো একজন অন্যজনের সব কথাই শোনেন। কিন্তু তার মানে এটা ভেবে নেওয়া ভুল যে তিনি সব কথা মেনে নেবেন। প্রয়োজন মতো তাই নিজেকেও বেশ কিছু কাজ করা প্রয়োজন। যিনি এই নিয়ম মেনে চলছেন, তাঁকে ধরে রাখাই উচিত হবে।

নিখাদ ভালোবাসা প্রয়োজন ডেট করার পর একজন অপরজনের প্রেমে পড়তেই পারেন। অনেকে লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইটে বিশ্বাস করেন, আবার অনেকে তাতে বিশ্বাস করেন না। সে যাই হোক না কেন, একজন অপরজনের প্রেমে পড়লে উচিত নিখাদ ভালোবাসা দেওয়া। এতে অপরজনের কাছ থেকেও ভালোবাসা পাওয়া সম্ভব। তেমন ভালোবাসা পেলে সম্পর্ক নিয়ে সিরিয়াস হওয়া দরকার।

নিজস্ব সময় পাওয়া সম্পর্কে থাকলেও প্রতিটি মানুষের নিজস্ব সময়ের প্রয়োজন পড়ে। তাই সম্পর্কে থাকা দু'জনের উচিত নিজস্ব সময় কাটানোর জন্য একে অপরকে উৎসাহ দেওয়া। এতে প্রতিটি সম্পর্কের মধ্যে বাঁধন আরও শক্তিশালী হয়। পার্টনার এই ব্যাপারটাকে সম্মান করলে তাঁর সঙ্গে থাকার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা যায়।

পারস্পরিক বিশ্বাস ডেটিং করা দু'টি মানুষের মধ্যে যদি বিশ্বাস জন্মে যায় তাহলে সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়। কারণ প্রতিটি সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস থাকা খুবই দরকার। বিশ্বাসভঙ্গ হলে সেই সম্পর্ক নিয়ে বেশি দূর এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। তাই সঙ্গী বা সঙ্গিনী যদি আপনাকে বিশ্বাস করেন তাহলে সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে।

ঝগড়া মিটিয়ে ফিরে আসা সম্পর্কের মধ্যে মাঝেমধ্যে মনোমালিন্য হয়। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মনোমালিন্যের পরেও যদি সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী।

ডেটিংয়ের পর এই গুণগুলি যদি সঙ্গী বা সঙ্গিনীর মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে সেই সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ছাড়া উচিত হবে না। এবং বুঝতে হবে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হবে।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: