Home /News /life-style /
আপনি হাতের কাছে জিনিস পাচ্ছেন না, খুঁজে দিলেন মা! কী বলছে ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা?

আপনি হাতের কাছে জিনিস পাচ্ছেন না, খুঁজে দিলেন মা! কী বলছে ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা?

শৈশব হল সেই সময় যখন একটি শিশুর ব্যক্তিত্বের ভিত তৈরি হয়। গোটা বিশ্ব সম্পর্কে শিশুদের কৌতূহলও থাকে। শিশুর কাছে বহির্বিশ্বের সব রহস্য ধীরে ধীরে উন্মোচন করা উচিৎ। সে যাতে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা শেখে তাই তাকে কোনও নির্দেশ দেওয়ার আগে কেন সেই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে সেটা বুঝিয়ে বলা উচিৎ। তা হলে শিশুও বুঝবে যে কাজটা সে করছে তার গুরুত্ব কতটা।

শৈশব হল সেই সময় যখন একটি শিশুর ব্যক্তিত্বের ভিত তৈরি হয়। গোটা বিশ্ব সম্পর্কে শিশুদের কৌতূহলও থাকে। শিশুর কাছে বহির্বিশ্বের সব রহস্য ধীরে ধীরে উন্মোচন করা উচিৎ। সে যাতে শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা শেখে তাই তাকে কোনও নির্দেশ দেওয়ার আগে কেন সেই নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে সেটা বুঝিয়ে বলা উচিৎ। তা হলে শিশুও বুঝবে যে কাজটা সে করছে তার গুরুত্ব কতটা।

কিছু না বললেও মায়েরা যেমন সব বুঝে যান, তা ছাড়াও মায়েদের আছে আশ্চর্য এক জাদুক্ষমতা।

  • Share this:

#কলকাতা: লেখক অদ্রীশ বর্ধনের একটা বই আছে- ‘আমার মা সব জানে’। একদম যথার্থ উক্তি। কিছু না বললেও মায়েরা যেমন সব বুঝে যান, তা ছাড়াও মায়েদের আছে আশ্চর্য এক জাদুক্ষমতা। এই ধরুন, আপনি কলেজ যাবেন, নীল খাতাটা খুব দরকার। সারা ঘর তোলপাড় করে খুঁজলেন, কিন্তু পেলেন না। ঘরের গণ্ডি ছাড়িয়ে বাইরে গিয়েও খুঁজলেন, কিন্তু পেলেন না। আপনার ঘরের অবস্থা দেখে মনে হল যে এই বুঝি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়ে গিয়েছে। শেষে নিজের মায়ের শরণাপন্ন হলেন। আপনার মা ডালে ফোড়ন দিয়ে খুব হেলেদুলে এসে সেই জায়গা থেকেই খাতাটা বের করে দিলেন যেখানে আপনি দু'শো সাতাত্তর বার খুঁজে গিয়েছেন!

স্কুল, কলেজের সীমানা ছাড়িয়ে অফিসে গেলেও সেই একই ব্যাপার। গাড়ির চাবি, স্কুটির হেলমেট, আইডি কার্ড, ওগুলো যেন দুনিয়ায় এসেছেই হারানোর জন্য। অথচ মায়েরা কত অবলীলায় সেগুলো খুঁজে দেন। Instagram-এ সেই নিয়েই একটা দারুণ পোস্ট দেওয়া হয়েছে সম্প্রতি।

@motherswithsigns এই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট দিয়েছেন পুনম সাপ্রা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাতে একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন পুনম। ছবির ক্যাপশনে লেখা আছে, বাড়ির ছোটরা যে কোনও জিনিস যেমন মোজা, চাবি বা টি শার্ট কোথাও রাখার আগেই মা বুঝে নেন যে সেটা কোথায় থাকতে পারে!” ক্যাপশন যদি এত মজার হয়, তা হলে পুনম যে প্ল্যাকার্ড ধরে আছেন তাতে নিশ্চয়ই আরও মজাদার কিছু লেখা থাকবে। না মজা নয়, সেখানে লেখা আছে এমন কিছু যা এক বিশ্বজনীন সত্য। মায়েরা সব কিছু সহজেই খুঁজে বের করে দিতে পারেন কারণ তাঁরা নিজের ছেলেমেয়েদের তাদের থেকেও বেশি চেনেন!

পোস্টটি অসম্ভব জনপ্রিয় হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ২৫ হাজার লাইকসহ কমেন্ট করেছেন প্রায় একশো জন। পুনমের প্ল্যাকার্ডে লেখা মন্তব্য সমর্থন করেছেন অন্যান্য মায়েরাও। একজন তো মজার ছলে মায়েদের জাদুকর হ্যারি পটারের সঙ্গে তুলনাই করে বসেছেন। কারণ হ্যারির চেয়েও অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে মায়েরা সব কিছু খুঁজে দিতে পারেন। এক মা তো এও লিখেছেন যে, তাঁর ছেলেরা বলে- কিছুই হারাতে পারে না কারণ মা সেটা ঠিক খুঁজে দেবে। যাঁরা এক সময়ে ছোট ছিলেন, তাঁরাও তো বড় হয়ে একদিন মা হন। সেই সব মায়েরাই তুলে ধরেছেন এক নজির। সত্যি, মা হওয়া কী মুখের কথা!

Published by:Simli Raha
First published:

Tags: Child, Mother

পরবর্তী খবর