• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Viral: Cat with 4 ears: হৃদয়চিহ্ন পেটে, মাথায় ৪ কান, নেটমাধ্যমে জনপ্রিয় বিড়ালছানা অবশেষে পেল তার নিজের বাড়ি

Viral: Cat with 4 ears: হৃদয়চিহ্ন পেটে, মাথায় ৪ কান, নেটমাধ্যমে জনপ্রিয় বিড়ালছানা অবশেষে পেল তার নিজের বাড়ি

চার মাস বয়সি এই বিড়ালছানার নাম ‘মিডাস’ (Midas)

চার মাস বয়সি এই বিড়ালছানার নাম ‘মিডাস’ (Midas)

Viral: Cat with 4 ears: চার মাস বয়সি এই বিড়ালছানার নাম ‘মিডাস’ (Midas)৷ রুশ প্রজাতির বিড়ালকে দত্তক নিয়েছেন তুরস্কের এক মহিলা৷

  • Share this:

    নয়াদিল্লি : আজন্ম চারটি কানের মালিক বিড়ালছানা অবশেষে তার ঘরবাড়ি খুঁজে পেল (cat with four ears) ৷ সামাজিক মাধ্যমে তাকে দত্তক নেওয়ার খবর এখন ভাইরাল৷ চার মাস বয়সি এই বিড়ালছানার নাম ‘মিডাস’ (Midas)৷ রুশ প্রজাতির বিড়ালকে দত্তক নিয়েছেন তুরস্কের এক মহিলা৷

    দু’টি স্বাভাবিক কানের নীচে আরও দু’টি ছোট কান আছে মিডাসের৷ ইনস্টাগ্রামে তার ছবি অনেক দিনই ভাইরাল৷ পশু চিকিৎসকদের ধারণা, জিনগত মিউটেশনের জন্যই বাড়তি এক জোড়া কান প্রাপ্তি হয়েছে মিডাসের৷

    আরও পড়ুন : লাল জুতো পায়ে এক হাঁস ম্যারাথনে পাল্লা দিল ‘মানুষ প্রতিযোগীদের’ সঙ্গে

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কের বাসিন্দা ক্যানিস ডোসমেসি এবং তাঁর পার্টনার দত্তক নিয়েছেন মিডাসকে৷ এর আগেও পশুপ্রাণীকে দত্তক নিয়েছেন এই জুটি৷

    মিডাসের ইনস্টাগ্রাম পেজে দেখা যায়, সুজি নামের একটি কুকুরের সঙ্গে খেলছে মিডাস৷ তাদের খেলার ছবি নেটিজেনদের মন জয় করেছে৷ পশুপ্রেমীদের ধারণা, তারা একে অন্যের সঙ্গ ও সখ্য উপভোগ করছে৷

    আরও পড়ুন : কৃষিকাজ বন্ধ করিয়ে বনবিড়ালের ‘ওভারটাইম’! এক এক করে ছানাদের নিয়ে গেল বনের গভীরে

    শুধু দু’জোড়া কানই নয়৷ মিডাসের দেহে আরও বৈশিষ্ট্য আছে৷ ধূসর কালো মেশানো রঙের দেহে এই মেনিবিড়ালের পেটের ঠিক মাঝে আছে সাদা ‘হৃদয় চিহ্ন’৷ মিডাসের পালিকার কথায়, ‘‘মিডাস খুব খেলা করতে ভালবাসে৷ সেইসঙ্গে খুব মিশুকেও৷ তবে ও সারা দিন ঘুমিয়ে থাকে৷ রাতে জেগে থাকে৷’’

    আরও পড়ুন : গ্রামের পরিত্যক্ত কুয়ো থেকে উদ্ধার ১২ ফুট লম্বা কিং কোবরা

    বিড়ালদের দত্তক নিয়ে পোষ্য করার এই ট্রেন্ড সম্পূর্ণ বিদেশি নয়৷ আমাদের দেশেও ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে এই রীতি৷ ২০১৭ সালে কচ্ছের এক ব্যবসায়ী তৈরি করেছেন বিড়াল বাগিচা বা ক্যাট গার্ডেন৷ চার বছরের মধ্যে সেখানে এখন ২০০-র বেশি বিড়াল বাসিন্দা৷ নিজের মৃত বোনের নামে এই বাগিচা উৎসর্গ করেছেন ওই ব্যবাসায়ী৷ প্রতি মাসে তাদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যয় হয় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা৷ এই খরচের ৯০ শতাংশ ভাগই বহন করেন ব্যবসায়ী ও তাঁর স্ত্রী৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: