পরকীয়ায় ডুবে দেশের নারীরা, বিস্ফোরক নয়া সমীক্ষা

পরকীয়ায় ডুবে দেশের নারীরা, বিস্ফোরক নয়া সমীক্ষা

পরকীয়ায় ডুবে দেশের নারীরা, বিস্ফোরক নয়া সমীক্ষা!

বিভিন্ন সিনেমার কাহিনিতে বারবার উঠে আসে পরকীয়ার গন্ধ। সেগুলি যে সমাজেরই দর্পণ, তা খোলসা হল অবশেষে

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বাংলা তথা দেশের উপন্যাস, গল্পে এর জিকির করেছেন তাবড় সাহিত্যিকরা। এ প্রজন্মের বিভিন্ন সিনেমার কাহিনিতে বারবার উঠে আসে পরকীয়ার গন্ধ। সেগুলি যে সমাজেরই দর্পণ, তা খোলসা হল অবশেষে। জানা গেল যে এটাই বাস্তব। বর্তমান পরিস্থিতি কোন দিকে নিয়ে যাবে ভারতকে, সেটাই দেখার।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত এক সমীক্ষা করেছে ফ্রান্সের এক্সট্রা-ম্যারিটাল ডেটিং অ্যাপ Gleeden। জানানো হয়েছে যে ভারতে বিবাহিত মহিলারা পরকীয়ায় লিপ্ত হচ্ছেন। ভালোবাসা, যৌনতা, বন্ধুত্ব এবং সমর্থনের আশায় দেশে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের সংখ্যা বাড়ছে বলে ওই সমীক্ষায় জানানো হয়েছে।

প্রায় ১৩ লক্ষ ভারতীয় ইউজার পরিপূর্ণ Gleeden ভারতের শহুরে, শিক্ষিত এবং আর্থিক ভাবে স্বাধীন মহিলাদের উপরে এই সমীক্ষা চালিয়েছে। ৩০ থেকে ৬০ বছরের মহিলাদের উপরে এই সমীক্ষা চালিয়েছে ফ্রেঞ্চ এক্সট্রা ম্যারিটাল ডেটিং অ্যাপ। তাতে জানা গিয়েছে, ৪৮ শতাংশ ক্ষেত্রে বিবাহিত এবং মা হওয়া সত্ত্বেও পরকীয়া সম্পর্কে জড়াচ্ছেন ভারতীয় মহিলারা।

এই সমীক্ষা থেকে যে তথ্য উঠে এসেছে, সে অনুযায়ী যৌন জীবনে সুখী না হওয়ার কারণে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ৬৪ শতাংশ বিবাহিত ভারতীয় মহিলা। ৭৬ শতাংশ বিবাহিত মহিলা শিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও কেবল বন্ধুত্ব এবং সমর্থনের আশায় বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন বলে সমীক্ষায় জানানো হয়েছে। শিক্ষিত এবং আর্থিক ভাবে স্বাধীন এমন ৭২ শতাংশ বিবাহিত ভারতীয় মহিলা নতুন কিছু করার আশায় অন্য পুরুষে আসক্ত হয়ে পড়ছেন বলে জানানো হয়েছে।

কেবল মহিলা নন, ভারতে বিবাহিত পুরুষরাও পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছেন বলে Gleeden-এর সমীক্ষায় প্রকাশ পেয়েছে। তবে সেই সংখ্যা মহিলাদের থেকে কম বলে জানানো হয়েছে। ২০২০ সালের এই সমীক্ষা অনুযায়ী ভারতে ৫৫ শতাংশ মহিলা এবং পুরুষ নিজেদের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। তার মধ্যে ৫৬ শতাংশই মহিলা বলে জানানো হয়েছে। সমীক্ষার জন্য খুঁজে বের করা ২৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে থাকা ১৫২৫ জন পুরুষ এবং মহিলার ৪৮ শতাংশ একাধিক সম্পর্কে ভালো ভাবে বাঁচবার স্বপ্ন দেখেন বলে জানা গিয়েছে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: