#WorldAutismAwarenessDay: অটিজমের কারণ শুরু হয় গর্ভেই, খেয়াল রাখুন নিজের

photo: Representational Image

photo: Representational Image

  • Last Updated :
  • Share this:

#কলকাতা: অটিজম৷ সমস্যাটা সম্পর্কে যতটা ধারণা রয়েছে আমাদের, ঠিক ততটাই রয়েছে অজানা আতঙ্ক৷ সারা বিশ্বেই শিশুদের মধ্যে বাড়ছে অটিজমে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই যার কারণ থেকে যাচ্ছে আমাদেরই সচেতনতার অভাব৷ আজ World Autism Awareness Day-তে অটিজমের একেবারে গোড়ার কথা জানাচ্ছেন সাইকিয়াট্রিস্ট ড. জয়ন্তী ভট্টাচার্যঠিক কী কী কারণে অটিজম হতে পারে?ড. জয়ন্তী জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মায়ের গর্ভে থাকার সময়ই ভ্রুণের অটিজমে আক্রান্ত হওয়ার কারণ তৈরি হয়৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডাউন সিন্ড্রোম বা অন্যান্য জিনগত ত্রুটির কারণে গর্ভস্থ শিশু অটিজমে আক্রান্ত হলেও বেশিরভাগে ক্ষেত্রেই দেখা যায় গর্ভাবস্থায় মায়ের অতিরিক্ত স্ট্রেসের কারণেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় গর্ভস্থ ভ্রুণ৷ প্রেগন্যান্সিতে যেকোনও রকম শারীরিক বা মানসিক স্ট্রেসের কারণে বিভিন্ন রকম অটো ইমিউন ডিজিজে আক্রান্ত হতে পারে মায়ের শরীর৷ যার প্রভাব পড়ে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্কের গঠনে৷ অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মানো শিশু অটিজমে আক্রান্ত হতে পারে৷ তাই শিশুর অটিজম রোখার জন্য সবচেয়ে আগে প্রয়োজন সচেতনতা৷ প্রেগন্যান্সিতে নিজের যেকোনও রকম স্ট্রেস থেকে দূরে থাকা, মায়ের যেকোনও অসুখের চিকিৎসা সন্তানকে অটিজম থেকে দূরে রাখতে পারে৷

brainতবে শুধু মায়ের গর্ভেই নয়, জন্মের সময় বা জন্মের পরও শিশুর অটিজমে আক্রান্ত হওয়ার কারণ থাকতে পারে৷ জন্মের সময় যদি কোনও রকম ব্রেন ইনজুরির কারণে ব্রেন ড্যামেজ বা মস্তিষ্কের কোনও ক্ষতি হয় তাহলে পরবর্তীকালে এপিলেপ্সি, অটিজম, লার্নিং ডিসএবিলিটি এমনকী স্কিজোফ্রেনিয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে৷ একই ভাবে জন্মের পর যদি জন্ডিস বা অন্য কোনও রকম ইনফেকশন হয়ে থাকে শিশুর তার প্রভাবও পড়তে পারে মস্তিষ্কে৷ সেক্ষত্রে জন্মের পর শিশুর ব্রেন ডেভেলপমেন্ট টেস্টিং-এ কোনও রকম অ্যাবনরমালিটি দেখা দিলে বাবা, মাকে সতর্ক থাকতে হবে৷

অটিজম মানেই কি শিশুর জীবন শেষ?সমাধানের ক্ষেত্রেও ড. জয়ন্তী জোর দিচ্ছেন সচেতনতা ও সতর্কতার ওপরেই৷ অটিজমের নানা রকম গ্রেড রয়েছে৷ এর অন্যতম কারণ সিভিয়ার অ্যাটেনশনাল ডেফিসিট৷ শিশুর আচরণের ওপর খেয়াল রাখুন৷ অটিজমের লক্ষণগুলো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকুন৷ যত কম বয়সে শিশুর চিকিৎসা শুরু করবেন, শিশুকে নিজের সময় দেবেন, তাকে বুঝবেন সমস্যা কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা তত বাড়বে৷

Published by:Proma Mitra
First published:

Tags: Autism, Mental Health, Mental health disorder