Lipstick Guidance: লিপস্টিক কেনার আগে এগুলো খেয়াল রাখুন, নইলে ক্যানসারেও ভুগতে হতে পারে!

ফাইল ছবি

রঙ আর ব্র্যান্ড ছাড়া লিপস্টিক (Lipstick) কেনার সময় আরও কয়েকটি জরুরি তথ্য মাথায় রাখতে হবে।

  • Share this:

যাঁরা সাজতে ভালোবাসেন আর যাঁরা বাসেন না, এই দু’পক্ষেরই সব চেয়ে প্রিয় হল লিপস্টিক (Lipstick)। যতই কেনা হোক না কেন, এত রঙের বাহার যেন শেষই হতে চায় না। কিছু মহিলারা খুব গোপনে এবং সযত্নে তুলে রাখেন বিশেষ কোনও অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ কোনও শেড, আবার কোনও কোনও লিপস্টিক রোজ ব্যবহার করেন। এত কিছুর মধ্যে তাঁরা ঠোঁটের স্বাস্থ্যের কথা একবারও ভাবেন কি? শুনে ভুরু কুঁচকে গেলেও এটাই খাঁটি সত্যি কথা। যে জিনিস আপনি যত্ন করে ঠোঁটে লাগাচ্ছেন সেটা যদি আপনার ক্ষতি করে, তাহলে কি আর সেটা কেনা যায়?

তাহলে কি লিপস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে? একেবারেই নয়। শুধু রঙ আর ব্র্যান্ড ছাড়া লিপস্টিক কেনার সময় আরও কয়েকটি জরুরি তথ্য মাথায় রাখতে হবে।

১) থ্যালেট (Phthalate) মুক্ত লিপস্টিক কিনতে হবে

বেশিরভাগ দামি ব্র্যান্ডের লিপস্টিকে তার উপাদানগুলি লেখা থাকে। যদি দেখেন যে সেই লিপস্টিকে থ্যালেট আছে তাহলে সেটা কিনবেন না। কারণ থ্যালেট শরীরে হরমোনের গতিপ্রকৃতি পাল্টে দেয়। অতিরিক্ত থ্যালেটের প্রভাবে স্নায়ুর সমস্যা দেখা দিতে পারে বা প্রজনন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

২) লিপস্টিকে লেড বা সিসা থাকলে চলবে না

অনেক ব্র্যান্ডই লিপস্টিকে লেড বা সিসা ব্যবহার করে। এটি একটি বিষাক্ত পদার্থ যা ক্যানসারেরও কারণ হতে পারে।

৩) প্রাকৃতিক বস্তু দিয়ে তৈরি লিপস্টিক বেছে নিন

যেসব লিপস্টিকে শিয়া বাটার, জোজোবা অয়েল, আরগান অয়েল বা ক্যাস্টর অয়েল আছে সেগুলো বেছে নিন। এইগুলো হল প্রাকৃতিক উপাদান যা কোনও রকম ক্ষতি না করেই ঠোঁট আর্দ্র রাখবে।

৪) এড়িয়ে চলুন ডার্ক শেড

মনে রাখবেন লিপস্টিকের রঙ যত ঘন হয় তার অর্থ এতে তত বেশি করে হেভি মেটালস আছে। তাই লিপস্টিকের হাল্কা শেডই ভাল। যদি একান্তই ডার্ক শেড ব্যবহার করতে ইচ্ছে হয় তাহলে হার্বাল বা ভেষজ লিপস্টিক বেছে নিন।

৫) প্যারাবেন থাকলে সেই লিপস্টিক কিনবেন না

শুধু লিপস্টিক নয়, অনেক প্রসাধনীতেই প্রেজারভেটিভ হিসাবে প্যারাবেন থাকে। প্যারাবেন সরাসরি ত্বকে ঢুকে যায় এবং স্তন ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: