• Home
  • »
  • News
  • »
  • life-style
  • »
  • Pet Dog Munchkin: পথকুকুর থেকে ‘মিলিয়ন ডলারের মাঞ্চকিন’, পোষ্যর সঙ্গে বড়দিন কাটাতে আস্ত প্রাইভেট বিমান ভাড়া জুটির

Pet Dog Munchkin: পথকুকুর থেকে ‘মিলিয়ন ডলারের মাঞ্চকিন’, পোষ্যর সঙ্গে বড়দিন কাটাতে আস্ত প্রাইভেট বিমান ভাড়া জুটির

পোষ্যর নাম ‘মাঞ্চকিন’ (Munchkin)

পোষ্যর নাম ‘মাঞ্চকিন’ (Munchkin)

Pet Dog Munchkin: অতীতে সে ছিল ইন্দোনেশিয়ার বালির এক পথকুকুর৷ এখন সে ডেভিড ডেনেস এবং ট্যাশ করবিনের পোষ্য৷ ডেভিডের সঙ্গেই সে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডে৷

  • Share this:

    আটকে থাকা পোষ্যকে নিউজিল্যান্ড (NewZealand) থেকে বড়দিনের সময় অস্ট্রেলিয়ায় (Australia) নিয়ে যেতে আস্ত একটা জেট ভাড়া করছেন এক জুটি৷ পোষ্যর নাম ‘মাঞ্চকিন’ (Munchkin)৷ অতীতে সে ছিল ইন্দোনেশিয়ার বালির এক পথকুকুর৷ এখন সে ডেভিড ডেনেস এবং ট্যাশ করবিনের পোষ্য৷ ডেভিডের সঙ্গেই সে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডে৷ ডেভিডের প্রেয়সী তথা লিভ ইন পার্টনার ট্যাশ রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সানশাইন কোস্টে (Couple plan to hire a private jet to spend the Christmas with their pet dog )৷

    দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে ডেভিড ও মাঞ্চকিনের সঙ্গে দেখা হয় না ট্যাশের৷ কোভিড পরিস্থিতিতে সব ওলটপালট হয়ে গিয়েছে৷ তাই ট্যাশ ঠিক করেছেন ৪৫ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার (৩২ হাজার মার্কিন ডলার) খরচ করে ভাড়া করবেন প্রাইভেট জেট৷ যাতে ডেভিড তাঁর কাছে আসতে পারেন পোষ্য মাঞ্চকিনকে নিয়ে৷ অর্থের পরিমাণ তাঁদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ কিন্তু বড়দিন তাঁরা একসঙ্গেই পালন করতে চান৷ তবে বিপুল খরচ সামলাতে প্রাইভেট জেটের বাকি চার আসন অন্যান্য পর্যটকদের কাছে বিক্রি করার কথা ভাবছে এই জুটি৷

    আরও পড়ুন : নখ দিয়ে যায় মানুষ চেনা, নখের আকৃতিই বলে দেয় মানুষের ব্যক্তিত্ব

    ইন্দোনেশিয়ার পথকুকুর মাঞ্চকিনকে দত্তক নিয়েছেন ডেভিড ও ট্যাশ৷ তবে প্রথমে প্রাণীটিকে সিঙ্গাপুরে তিন বছর কাটাতে হয়েছে সিঙ্গাপুরে, বিভিন্ন পালক পরিবারের সঙ্গে৷ কারণ মেডিক্যাল পরীক্ষায় সেই চতুষ্পদ উত্তীর্ণ হতে পারেনি৷ বাইরের দেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পশুপ্রাণী নিয়ে আসার আইন বেশ কড়া৷

    আরও পড়ুন : পোশাক থেকে কসমেটিক্সের দাগ উঠতেই চাইছে না? রইল সহজ ঘরোয়া সমাধান

    শেষ অবধি ট্যাশ ও ডেভিড নিউজিল্যান্ডে পাড়ি দেয় ২০১৯ সালে৷ অস্ট্রেলিয়ার পড়শি দেশ অবশ্য মাঞ্চকিনকে আশ্রয় দিতে আপত্তি করেনি৷ সেখানেই পোষ্যকে নিয়ে থাকতে শুরু করেন দুই তরুণ তরুণী৷ কিন্তু পাঁচ মাস আগে চিকিৎসাজনিত কারণে ট্যাশকে ফিরতেই হয় অস্ট্রেলিয়ায়৷ ডেভিডের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডে থেকে যায় মাঞ্চকিন৷ অপেক্ষা করে কবে অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রবেশাধিকারের সবুজ সঙ্কেত আসার৷

    আরও পড়ুন : হলদেটে দাঁত ধবধবে সাদা করে তুলুন বাড়িতেই, নিয়মিত খান এই ফলগুলি

    গত ৫ বছর ধরে মাঞ্চকিনকে নিজেদের কাছে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া যে এত মহার্ঘ্য হবে, সে সম্বন্ধে ভাবতেই পারেননি এই জুটি৷ তাঁরা ভেবেছিলেন সব প্রক্রিয়া দেড় মাসে হয়ে যাবে ৷ আর খরচ হবে ১০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার মতো৷ কিন্তু সব হিসেব ওলট পালট হয়ে যায় ক’দিন পরই৷ এখন অবশ্য তাঁরা হিসেবে করা ছেড়ে দিয়েছেন৷ কিন্তু মাঞ্চকিনকে ছেড়ে যে থাকা অসম্ভব, সে কথা অনুভব করেছেন ডেনেস ও ট্যাশ দুজনেই৷ মাঞ্চকিন অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়৷ ডেনেস অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের পোষ্যের পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন ‘মিলিয়ন ডলার মাঞ্চকিন’ নামে৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: