Home /News /life-style /
Popular Baby Care Myths Busted: জন্মের পরেই বাচ্চাকে মধু খাওয়ান? কাজল পরান? ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছেন নিজের বাচ্চার

Popular Baby Care Myths Busted: জন্মের পরেই বাচ্চাকে মধু খাওয়ান? কাজল পরান? ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছেন নিজের বাচ্চার

Popular Baby Care Myths Busted: সব মা-বাবাই চান সন্তানের জন্য সেরা যত্ন, সেই মতো ভারতীয় সংস্কৃতিতে বহু যুগ ধরে কিছু সংস্কারও প্রচলিত রয়েছে। দেখে নেওয়া যাক এক এক করে!

  • Share this:

    Popular Baby Care Myths: মা হওয়া যেমন মুখের কথা নয়, তেমনই শিশুসন্তানকে মানুষ করাটাও কিছু কম ঝক্কির নয়। এব্যাপারে সব মা-বাবাই চান সন্তানের জন্য সেরা যত্ন, সেই মতো ভারতীয় সংস্কৃতিতে বহু যুগ ধরে কিছু সংস্কারও প্রচলিত রয়েছে। সন্তানের বড় হওয়া নিয়েও রয়েছে নানা ধারণা। কেন তা যুক্তিযুক্ত নয়, দেখে নেওয়া যাক এক এক করে!

    ১. মুখে মধু  (Honey at time of birth) - সদ্যোজাতর মুখে মধু দেওয়ার প্রথা নিয়ে আলাদা করে কিছু বলার নেই। এতে সন্তানের কথা মধুর হবে কি না তা বলা মুশকিল, তবে বটালিজম (Botulism) নামের এক রকমের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। সাধারণত কোনও খাবার থেকে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে ক্লট্রিডিয়াম বটালিনাম (Clostridium Botulinum) ব্যাকটেরিয়া।

    ২. শক্ত করে কাপড়ে জড়িয়ে রাখা (wrapped tightly to straighten their legs) - সদ্যোজাত বললে চোখের সামনে যে ছবিটা ভেসে ওঠে, সেখানে সবার আগে চোখে পড়ে একটা তোয়ালে বা কাপড়, যেটা দিয়ে বেশ শক্ত করে আষ্টে-পৃষ্ঠে বেঁধে রাখা হয় শিশুদের। বলা হয়, এতে না কি তাদের পা সোজা থাকবে। এমন শক্ত বাঁধনে আদতে কিন্তু শিশু অস্বস্তিই বোধ করবে, নিঃশ্বাসের কষ্ট হওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

    আরও পড়ুন - আইসক্রিম খেয়ে কমবে ওজন? জানুন ও জানান

    ৩. চোখে-কপালে কাজলের টিপ (Kajal on eyes and forehead) - এই প্রথার কথাও সবার জানা, আমাদের সবারই প্রায় চোখে টানা কাজল আর কপালে বেশ বড় এক টিপ নিয়ে ছোটবেলার ছবিও রয়েছে। ব্যাপারটা আমাদের কুনজর থেকে বাঁচিয়েছে কি না তা প্রমাণসাপেক্ষ নয়। তবে, স্কিন ইনফেকশনের হাত থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি বরাতজোরে। বাজারের রাসায়নিকযুক্ত কাজল শিশুদের ত্বকের জন্য একেবারেই নিরাপদ নয়।

    ৪. কানের ব্যথায় স্তন্যদুগ্ধ (Breast milk can treat an ear infection) - সন্দেহ নেই, স্তন্যদুগ্ধ শিশুর পক্ষে সবচেয়ে পুষ্টিকর। তবে, কানে ব্যথা হলে নয়। প্রচলিত বিশ্বাস, নবজাতকের কানে ব্যথা হলে এক ফোঁটা স্তন্যদুগ্ধ ইয়ার ড্রপ হিসাবে ব্যবহার করা যায়। করলে কিন্তু ওই দুধে ব্যাকটেরিয়া বাসা বেঁধে তীব্র ইনফেকশনের সম্ভাবনা থেকে যায়।

    ৫. বেবিফুড মানে ভাল ঘুম (Cerelac would make him sleep longer) - এটা অপেক্ষাকৃত আধুনিক সময়ের বিশ্বাস! অনেকেই বিশ্বাস করেন যে বেবিফুড দিলে পেট ভরা থাকবে, ফলে শিশুও নিশ্চিন্তে ঘুমোবে। কিন্তু ৬ মাস বয়সের নিচে কোনও শিশুকেই স্তন্যদুগ্ধ ছাড়া কিছু দেওয়া উচিতই নয়, বেবিফুড এক্ষেত্রে স্টমাক ইনফেকশনের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    আরও পড়ুন - এই গ্রীষ্মে বদলে ফেলুন ঘরের সাজ, শরীর ও মনে আরাম পাবেন!

    ৬. সন্ধ্যের পর বাইরে নয় (Newborns should not be taken outside in the dark) - নবজাতকদের নিয়ে সন্ধ্যের পরে বাইরে গেলে কুনজর লাগবে- এই প্রচলিত বিশ্বাসও ভিত্তিহীন। শিশুদের তাজা বাতাসে সব সময়েই নিয়ে যাওয়া যায়, তা তাদের স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভাল; শুধু ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকলেই সমস্যা নেই।

    ৭. ছাগলের দুধ বেশি পুষ্টিকর (Donkey’s milk can boost your child’s immunity) - বলা হয় বটে, গরুর চেয়ে ছাগলের দুধ বেশি পুষ্টিকর! একই সঙ্গে কিন্তু গুরুপাকও! ফলে, ৬ মাস বয়সের পর বাড়-বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ছাগলের দুধ না দেওয়াই উচিত হবে, হজম করতে না পারলে আখেরে শিশুর শরীর খারাপ হবে।

    ৮. দাঁত বেরোনোর সময়ে জ্বর-পেটখারাপ (Teething can cause fevers and diarrhoea) - দাঁত বের হওয়ার সময়ে শিশুর জ্বর আসতে পারে, পেটখারাপও হতে পারে- তবে দাঁত ওঠা তার জন্য দায়ী নয়। এই সময়ে মাড়ি সুড়সুড় করে বলে শিশুরা যা পায় হাতের কাছে, তা-ই মুখে পোরে। আর সেখান থেকেই জ্বর-পেটখারাপের মতো সমস্যা তৈরি হয়।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: Baby Care, Parenting, Parenting Tips

    পরবর্তী খবর