advertisement

তীব্র খিঁচুনির পরে অজ্ঞান হয়ে যান? 'এপিলেপ্সি' নাকি অন্য কোনও বড় বিপদ? এই পরীক্ষাটা করালে আগেই জানতে পারবেন!

Last Updated:

মানব শরীরের সমস্ত কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দু হল মস্তিষ্ক। চিন্তা, স্মৃতি, অনুভূতি থেকে শুরু করে শ্বাসপ্রশ্বাস ও নড়াচড়া—সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হয় এর মাধ্যমে। তাই মস্তিষ্কে সামান্য সমস্যা হলেও তার প্রভাব পড়তে পারে গোটা শরীরে। ব্রেন অ্যাওয়ারনেস উইক উপলক্ষে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, স্নায়ুরোগ এবং বিশেষত এপিলেপ্সির মতো সমস্যার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

এপিলেপ্সি নির্ণয়ে কী এই EEG পরীক্ষা? (Representative Image: AI)
এপিলেপ্সি নির্ণয়ে কী এই EEG পরীক্ষা? (Representative Image: AI)
মানব শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র হল মস্তিষ্ক। চিন্তা, অনুভূতি, স্মৃতি থেকে শুরু করে শ্বাসপ্রশ্বাস—সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করে এই অঙ্গ। মস্তিষ্কে কোনও সমস্যা হলে তা সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের চলাফেরা, কথা বলা এবং বেঁচে থাকার মৌলিক প্রক্রিয়ায়। ব্রেন অ্যাওয়ারনেস উইক উপলক্ষে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও এপিলেপ্সির মতো রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই মূল লক্ষ্য। প্রতি বছর মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহ (১৬–২২ মার্চ) পালিত হয় ‘ব্রেন অ্যাওয়ারনেস উইক’। এই সময় মস্তিষ্ক সম্পর্কিত গবেষণার অগ্রগতি, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য এবং এপিলেপ্সি, আলঝাইমারস, পারকিনসনস-এর মতো স্নায়ুরোগ প্রতিরোধ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো হয়।
advertisement
এপিলেপ্সি বা মৃগি কী?
আমাদের শরীরে নিউরন বা স্নায়ুকোষগুলি বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেত তৈরি করে, যা চিন্তা, অনুভূতি ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এপিলেপ্সি হল একটি দীর্ঘস্থায়ী স্নায়ুরোগ, যেখানে মস্তিষ্কের কিছু নিউরন ভুল সংকেত পাঠাতে শুরু করে, যার ফলে খিঁচুনি বা সিজার হয়।
advertisement
বিশেষজ্ঞদের মতে, সিজারের সময় বহু নিউরন একসঙ্গে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সংকেত পাঠাতে থাকে। এই অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের ফলে শরীরে অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া, অদ্ভুত অনুভূতি, আচরণগত পরিবর্তন বা অচেতনতা দেখা দিতে পারে।
EEG পরীক্ষা কী?
অনেকেই মনে করেন সিজার মানেই তীব্র খিঁচুনি। কিন্তু বাস্তবে সিজার অনেক সময় খুব সূক্ষ্মভাবে প্রকাশ পায়—যেমন হঠাৎ স্থির হয়ে যাওয়া, বিভ্রান্তি, অজ্ঞান হয়ে পড়া, পেশির হঠাৎ টান, বা কয়েক মুহূর্তের জন্য সচেতনতা হারিয়ে ফেলা।
advertisement
এই ধরনের উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে থাকলেও অনেকেই বুঝতে পারেন না যে এর পিছনে স্নায়বিক সমস্যা থাকতে পারে। এই জায়গাতেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় EEG (ইলেক্ট্রোএনসেফালোগ্রাম) পরীক্ষা।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শ্রীপাল শাহ জানিয়েছেন, EEG একটি সহজ, নন-ইনভেসিভ পরীক্ষা, যা মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে। যেহেতু সিজার মূলত মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক স্রোতের কারণে হয়, তাই EEG পরীক্ষায় সেই অস্বাভাবিক প্যাটার্ন শনাক্ত করা সম্ভব—এমনকি অনেক সময় MRI বা CT স্ক্যান স্বাভাবিক থাকলেও।
advertisement
কাদের জন্য এই পরীক্ষা প্রয়োজন?
EEG বিশেষভাবে উপকারী তাঁদের জন্য—
যাঁদের বারবার অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে
অকারণে পড়ে যাওয়া বা ভারসাম্য হারানো
স্মৃতিভ্রংশ বা ‘মেমরি গ্যাপ’
হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়ার মতো অবস্থা
প্যানিক অ্যাটাকের মতো উপসর্গ, যা মানসিক চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে না
সব মিলিয়ে, মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখতে সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে পরীক্ষা ও চিকিৎসা অনেক বড় বিপদ এড়াতে সাহায্য করতে পারে।
Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
স্বাস্থ্য এবং লাইফস্টাইলের (Lifestyle News in Bengali)সব খবরের আপডেট পান নিউজ 18 বাংলাতে ৷ যেখানে থাকছে হেলথ টিপস, বিউটি টিপস এবং ফ্যাশন টিপসও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইনগুলি অনলাইনে নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিতে ৷ এর পাশাপাশি ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ সব খবরের আপডেট পেতে ! News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
view comments
বাংলা খবর/ খবর/লাইফস্টাইল/
তীব্র খিঁচুনির পরে অজ্ঞান হয়ে যান? 'এপিলেপ্সি' নাকি অন্য কোনও বড় বিপদ? এই পরীক্ষাটা করালে আগেই জানতে পারবেন!
Next Article
advertisement
পানিহাটিতে বড় মোড়...! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের প্রার্থী হওয়ায় আইনি বাধা, কে হবেন কলতানের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী?
আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের প্রার্থী হওয়ায় আইনি বাধা, কে হবেন কলতানের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী?
  • পানিহাটিতে বড় মোড়...!

  • আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের প্রার্থী হওয়ায় আইনি বাধা

  • কে হবেন কলতানের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী?

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement