Home /News /life-style /

Snacks: সাবধান! স্ন্যাকস খাওয়ার সময়ে এই ভুলগুলো করলেই শরীরের ক্ষতি অনিবার্য

Snacks: সাবধান! স্ন্যাকস খাওয়ার সময়ে এই ভুলগুলো করলেই শরীরের ক্ষতি অনিবার্য

ভুল করবেন না

ভুল করবেন না

Snacks: জেনে নেওয়া যাক স্ন্যাকস খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন কোন ভুলের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: পরীক্ষার আগে রাত জেগে পড়া হোক বা প্রিয় ওয়েব সিরিজ দেখা- স্ন্যাকস কে না ভালোবাসে! কিন্তু ফিটনেস-প্রেমীদের এই সব বিঞ্জের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর খাবার বাছাই করা বেশ মুশকিল হয়ে ওঠে। তাই ঘন ঘন হয়ে যায় 'চিট মিল'। জেনে নেওয়া যাক স্ন্যাকস খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন কোন ভুলের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

১. অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস

বেশিরভাগ মানুষের স্ন্যাকস হিসাবে চিপস,ক্যান্ডি, চকোলেট এবং প্রসেসড জাঙ্ক ফুডের মতো অস্বাস্থ্যকর খাবার পছন্দের তালিকায় প্রথমে আসে। যার ফলে অস্বস্তি, ব্লটিং, হজমে গোলযোগ এবং স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা শুরু হয়। তাই স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে দু'টি মিলের মাঝে খিদে পেলে স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন বাদাম এবং সিড, রোস্টেড চানা, রোস্টেড মাখানা, স্প্রাউড, ফল ইত্যাদি স্ন্যাকস হিসাবে খাওয়া যেতে পারে।

২. অনেকটা স্ন্যাকিং

অধিক পরিমাণে স্ন্যাকিং আজকাল খুবই চোখে পড়ে, বিশেষ করে অতিমারীতে ওয়ার্ক ফর্ম হোমের পরিস্থিতিতে মানুষের মধ্যে বেশি পরিমানে স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং একই সঙ্গে সুস্থ থাকতে স্ন্যাকিং-এর সময়ে খাবার পরিমাপ, কতটা খিদে রয়েছে যাচাই করা জরুরি।

৩. খাবারের লেবেল না দেখা

স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হলে খাবারের উপাদান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। তাই যে কোনও স্ন্যাকস কেনার সময়ে প্যাকেটের পিছনের লেবেল দেখে নিতে হবে৷ প্যাকেটের লেবেল দেখলে খাবারটির ফ্যাট, ট্রান্স ফ্যাট, সোডিয়াম এবং ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে যে সব প্রোডাক্টে এগুলো যত কম থাকবে ততই সেটি স্বাস্থ্যকর হবে।

৪. খাওয়ার সময় নজর না দেওয়া

আজকাল এটি একটি খুবই সাধারণ সমস্যা। বিশেষ করে বাচ্চা, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে টিভি দেখতে দেখতে কিংবা ফোনে ব্যস্ত হয়ে খাওয়ার অভ্যাস দেখা যায়। ফলে খাওয়ার দিকে মনোযোগ থাকে না বলে তারা ভালো করে খাবার চিবিয়ে খায় না এবং বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলে যা থেকে হজমের সমস্যা হতে থাকে।

৫. লবাণাক্ত খাবার

স্ন্যাকস বাছাইয়ের সময়ে আরও একটি সাধারণ ভুল হল খুব লবণাক্ত খাবার বাছাই করা যাতে সোডিয়াম বেশি থাকে। যার ফলে শরীরে ওয়াটার রিটেনশন হয় এবং ব্লটিং অনুভূত হয়। বেশি সোডিয়াম যুক্ত খাবার খেলে হাইপারটেনশনও হতে পারে যা থেকে একাধিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা তৈরি হয়।

৬. রাতে স্ন্যাকিং

রাতে খিদে পেলে বেশিরভাগ মানুষেরই অস্বাস্থ্যকর প্রসেসড খাবারের প্রতি ঝোঁক দেখা যায়। ফলে নিয়মিত এই অভ্যাসে যেমন ওজন বেড়ে যায় তেমনি হজমের সমস্যা তৈরি হয়। তাই রাতে খিদে পেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি না করে এমন বিঞ্জ ইটিং-এর জন্য মাখানা, ছোলা ভাজা, বাদাম, সিড কিংবা হামাস ডিপের সঙ্গে সবজির স্টিক ভালো বিকল্প।

৭. ফাইবারের অভাব

সারাদিনের কাজের এনার্জি সরবরাহের জন্য স্ন্যাকিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সঠিক স্ন্যাকিং বাছাইতেই অনেক ভুল করে ফেলেন। সেক্ষেত্রে ফাইবার সমৃদ্ধ স্ন্যাকস হল সঠিক পছন্দ যা আমাদের অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে এবং হজমে সাহায্য করে।

৮. অপেক্ষা করা

খুব খিদে না পাওয়া পর্যন্ত কিছু মানুষ অপেক্ষা করে থাকেন। যা থেকে অপুষ্টি এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যের সমস্যা শুরু হতে থাকে। তাই আমাদের নিয়মিত বিরতিতে খাওয়া উচিত যাতে শরীরে কাজ করার জন্য এনার্জি পায়।

৯. চিনি যুক্ত খাবার

স্ন্যাকিং-এর জন্য বেশিরভাগ মানুষের পছন্দ করেন ক্যান্ডি, চকোলেট, কেক, পেস্ট্রি, মিষ্টি এবং অন্যান্য বেকারি খাবার। কিন্তু এই সবে বেশি মাত্রায় প্রসেসড সুগার এবং কৃত্রিম সুইটনার থাকে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং ওজন বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন: এই নিয়মগুলিতে দুর্বল সম্পর্ক মজবুত হয়, ভাঙা সম্পর্কও জোড়া লাগে

১০. অস্বাস্থ্যকর ডিপ

আজকাল মেয়োনিজ, চিপোটলে সস, চিজ ডিপ ইত্যাদি দিয়ে স্ন্যাকস ডিপের ট্রেন্ড দেখা যায়। এগুলি ফ্যাট সমৃদ্ধ হওয়ায় আমাদের শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। একই সঙ্গে এইসব ডিপের মধ্যে উপাদান হিসাবে ট্র‍্যান্সফ্যাট থাকতে পারে যা কোলেস্টেরলের মাত্রায়, অন্ত্রে এবং সামগ্রিকভাবে আমাদের শরীরে প্রভাব ফেলে। তাই এই ধরনের অস্বাস্থ্যকর ডিপের পরিবর্তে বাড়িতে তৈরি হামাস ডিপ, গ্রিন চাটনি, বাড়িতে তৈরি টমেটো সস ইত্যাদি খাওয়া যায়৷

আরও পড়ুন: রোগা হওয়ার রেজোলিউশন ব্যর্থ হল এ বছরও? এই ভুলগুলি করেই যাচ্ছেন না তো?

১১. বেঠিক খাবার প্ল্যানিং

যে কোনও লক্ষ্যে যাওয়ার জন্য সঠিক পরিকল্পনা খুবই জরুরি৷ আর খাওয়ার ক্ষেত্রে ঠিক মতো পরিকল্পনা না করলেই ভুল খাবার বাছাই হয়ে যায়৷ তাই নিজেকে ফিট রাখতে স্ন্যাকস হোক বা মিল বা যে কোনও খাবার- নিজের স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং শরীরের পুষ্টির চাহিদা অনুযায়ী সঠিকভাবে প্ল্যানমাফিক খেতে হবে।

First published:

Tags: Lifestyle, Snacks

পরবর্তী খবর