• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • WHY BABUL SUPRIYO DECIDED NOT TO CONTINUE AS POLITICIAN BUT TO HOLD MP POST AKD

Babul Supriyo| রাজনীতি ছাড়বেন কিন্তু সাংসদ থাকবেন, কেন বাবুলের এমন ধরি মাছ না ছুঁই পানি মন

সাংসদ থাকছেন বাবুল। কেন এই সিদ্ধান্ত!

Babul Supriyo| স্বাভাবিক ভাবেই নেটমাধ্যমে প্রশ্নের ঝড়, বাবুলের মনে এত দোলাচল কেন!

  • Share this:

#কলকাতা: ভোট মিটেছে কিন্তু বঙ্গরাজনীতির ক্যালেন্ডার যেন প্রতিদিনই আরও আরও রঙিন। আর এই মুহূর্তে যদি এই আঙিনায় সবচয়ে আলোচিত, বর্ণময় কেউ হয়ে থাকেন, তিনি বাবুল সুপ্রিও। রাজনীতি থেকে ছুটি নিচ্ছেন জানিয়েছেন। সামান্য সময় নিয়ে জানিয়েছেন, ছুটি নিলেও সাংসদ থাকবেন। স্বাভাবিক ভাবেই নেটমাধ্যমে প্রশ্নের ঝড়, বাবুলের মনে এত দোলাচল কেন!

সোমবার রাতে বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তারপরই নিউজ এইট্টিন বাংলাকে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানান বাবুল। ৬-বি, মতিলাল নেহেরু মার্গে নাড্ডার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দৃশ্যত বিধ্বস্ত বাবুল জানালেন, "রাজনীতিতে আমাকে আর দেখা যাবে না। তবে সাংসদ পদ ছাড়ব না। কারণ আসানসোলের মানুষ আমাকে জিতিয়েছেন। এখনও বহু উন্নয়নমূলক কাজ বাকি। মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করব না। তবে, দিল্লির বাংলো ছেড়ে দেব‌। নিরাপত্তারক্ষীও আর নেব না। আমার রোজগার অত্যন্ত কম তাই সাংসদ হিসেবে যেটুকু মাইনে নেওয়ার তা অবশ্যই নেব।"

অর্থাৎ সিদ্ধান্তে কিছুটা বদল করলেন বাবুল সুপ্রিয়। রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিচ্ছেন, ছাড়ছেন না সাংসদ পদ। নিজের লোকসভা কেন্দ্র আসানসোলের মানুষদের পাশে দাঁড়াতেই নাকি এই সিদ্ধান্ত।  যদিও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন বাবুলের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের চাপ।

কেন চাপ দিচ্ছে দল! কারণ বাবুল চলে যাওয়া মানে আসানসোলে আবার উপনির্বাচন। এমনিতেই রাজ্যে উপনির্বাচনের হাওয়া তুলছে তৃণমূল। সেই তালিকায় আসানসোলের নাম যোগ হলে, তা বিজেপির জন্য কাঁটার মুকুট হবে বইকি। আসানসোলে তৃণমূল যদি সায়নী ঘোষের মতো জনপ্রিয় নেত্রীকে প্রার্থী করে, তবে সেই তিরের ফলার শরশয্যা হয়ে উঠতে পারে অচিরেই। আর সেই কারণেই হয়তো বাবুলকে পদে বহাল থাকতে বলছে বিজেপি।

মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে বাবুলের এই মত বদল নিয়ে নানা মহলে যখন নানা জল্পনা চলছে স্পষ্টতই জানিয়েছেন তিনি কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করছেন না। গত শনিবার ফেসবুক পোস্টে আচমকা রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন বাবুল। যা রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে আলোড়ন ফেলে ছিল।‌ তারপর সেই ফেসবুক পোস্ট একাধিকবার এডিট করেছেন তিনি। নিজের সাংসদ পদ ছাড়ার কথাও ঘোষণা করেছিলেন। শনিবার রাতেই তাকে ডেকে পাঠান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। টেলিফোনে কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাতেও  ‘মানভঞ্জন’ না হওয়ায় বাবুলকে সোমবার রাতে নিজের বাড়িতে ডেকে পাঠান নাড্ডা।‌

নাড্ডার সঙ্গে বৈঠকের পরই বাবুল জানিয়েছেন, রাজনীতি থেকে মুখ ফেরালেও নিজের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর সোমবার রাত ৯টা নাগাদ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বাবুল লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছাড়ার আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হবে না।’ সেই সঙ্গে ওই পোস্টে আসানসোলের মানুষদের উদ্দেশে তাঁর প্রতিশ্রুতি, ‘সব কিছুর জন্য আমাকে পাওয়া যাবে। এক জন সাংসদ হিসাবে আমার কাছে এটাই প্রত্যাশিত।’ তাঁর কাছ থেকে সাংসদ হিসাবে প্রত্যাশার অধিকার রয়েছে আসানসোলের মানুষদের— সে কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

Published by:Arka Deb
First published: