• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • TMC LOST SUPPORT OF 1 LAKH FAMILY AFTER FORCED MAHALI COUPLE TO JOIN TMC SAID LOCKET

একটা পরিবারকে যোগ দান করিয়ে ১ লক্ষ পরিবারের সমর্থন হারাল তৃণমূল, কটাক্ষ লকেটের

একটা পরিবারকে যোগদান করালে বিজেপির কোনও ক্ষতি হবে না, কিন্তু এতে এক লক্ষ পরিবারের সমর্থন হারাল তৃণমূল ৷

একটা পরিবারকে যোগদান করালে বিজেপির কোনও ক্ষতি হবে না, কিন্তু এতে এক লক্ষ পরিবারের সমর্থন হারাল তৃণমূল ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: বিজেপির মিশন বাংলার শুরুতেই ধাক্কা। মাহালি দম্পতির তৃণমূলে যোগদান বড় ধাক্কা দিয়েছে গেরুয়া শিবিরে ৷ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সতর্কবার্তা পেয়ে সাবধানী রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও। নকশালবাড়ির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিজেপি এবার পাহারাদারের ভূমিকায়।

    কাজে এল না দলিত তাস। অমিত শাহকে ভোজ খাইয়ে তৃণমূলে নকশালবাড়ির মাহালি দম্পতি। ফেস-লস কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। তাই নকশালবাড়ি থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কলকাতায় নজরদারিতে বিজেপি। শুধু নজরদারিতে কাজ হবে না বুঝে চেতলার সেই বাড়িতে ঘুরে এলেন রাজ্য বিজেপির সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়।

    সেখানেই ক্রুদ্ধ লকেটের মন্তব্য, ভয় দেখিয়ে তৃণমূল যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছে গীতা ও রাজু মাহালিকে ৷ ভয় দেখিয়ে মন আর হৃদয় জয় করা যাবে না ৷ একটা পরিবারকে যোগদান করালে বিজেপির কোনও ক্ষতি হবে না, কিন্তু এতে এক লক্ষ পরিবারের সমর্থন হারাল তৃণমূল ৷

    মাহালি দম্পতির আচমকাই তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর এখন যথেষ্ট সতর্ক বিজেপি ৷  ২৬ এপ্রিল, জনসংযোগ বাড়াতে চেতলার কল্পনা মণ্ডল ও স্বপ্না বৈদ্যর বাড়িতে বসে লস্যি, চা, মিস্টি খেয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ৷ । আজ, বৃহস্পতিবার সেই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় ৷ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন বিজেপি নেত্রী লকেট ৷

    ‘কথা রাখতেই এসেছিলাম ৷ মাহালি দম্পতিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয় ৷ ভয় দেখিয়ে তৃণমূলে যোগে বাধ্য করা হয় ৷ এই আচরণে আরও ব্যাকফুটে তৃণমূল ৷’,মন্তব্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ৷

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজে নির্দেশ দিয়েছিলেন। বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে সংগঠন মজবুত করতে নামেন স্বয়ং সর্বভারতীয় সভাপতি। নকশালবাড়িতে দলিতমাহালি পরিবারের বাড়িতে দুপুরের খাওয়া সেরে সেই কাজটাই শুরু করতে চেয়েছিলেন অমিত শাহ-দিলীপ ঘোষরা।বিজেপির নাকের ডগায় তৃণমূল হাইজ্যাক করে নিয়েছে মাহালি দম্পতিকে। বাধ্য হয়ে অভিযোগ জানাতে সেই অমিত শাহেরই দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব ৷ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ‘‘বিজেপি-র সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে তৃণমূল শক্র ভাবছে ৷ রাজ্যে ৩০টি পরিবারের সঙ্গে এটা হয়েছে ৷ অমিত শাহ যাঁদের বাড়িতে গিয়েছেন ৷ তাঁদেরই ভয় দেখিয়েছে তৃণমূল ৷ ভয় দেখিয়ে দম্পতিকে দলে টানা হয়েছে ৷ নকশালবাড়ির দম্পতিকে দলে টেনেছে তৃণমূল ৷’

    রাজ্য নেতাদের অস্বস্তি বুঝে সক্রিয় হয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বও। জাতীয় স্তরে এনিয়ে সরব হওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা জানান, কেন্দ্রের এসটি-এসসি সেলের কাছে আদিবাসী মহিলাকে অপহরণের অভিযোগ জানানো হবে ৷ মহিলা কমিশনেও দরবার করতে চলেছে বিজেপি ৷ তিনি আরও বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে ৷ আগে জনপ্রতিনিধিদের অপহরণ করত তৃণমূল ৷ এখন সাধারণ গরীব আদিবাসীদেরও অপহরণ করছে ওরা ৷ সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই এই অপহরণ ৷ এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেই এবার পথে নামছে বিজেপি ৷

    যাঁদের ঘিরে এই রাজনৈতিক উত্তাপ, সেই মাহালি দম্পতির বাড়ি ঘিরে এদিনও কড়া পুলিশি নিরাপত্তা।  বৃহস্পতিবার সকালেই বাড়ি ফিরেছেন তাঁরা।  মন টেনেছে, তাই সক্রিয় রাজনীতিতে। দাবি রাজু মাহালির ।

    First published: