Exclusive || তপসিয়ায় ৬ দিন পুরুষশূন্য ভিটে, মন্ত্রী পুত্রের বিরুদ্ধে জরুরি মামলার অনুমতি হাইকোর্টের
- Published by:Rachana Majumder
Last Updated:
Exclusive || পুরো বিষয়টি আইনজীবীর কাছ থেকে জেনে জরুরি মামলার অনুমতি দেন বিচারপতি শম্পা সরকার।
#অর্ণব হাজরা, কলকাতা: তপসিয়ায় জবরদখলের অভিযোগ। অভিযোগ, তুলে নিয়ে গিয়ে মারধরের। টানা ৬ দিন পুরুষশূন্য ভিটে। আর সবকিছুতে নাম জড়াল খোদ মন্ত্রিপুত্রের। সোমবার জরুরি মামলার অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। মামলায় অন্যতম পক্ষ মন্ত্রি পুত্র ফৈয়াজ খান। খোদ কোলকাতায় টানা ৬ দিন পুরুষশূন্য ভিটে। বাড়িতে রয়েছেন শুধু মহিলা ও শিশুরা।
advertisement
৮২ ডি তপসিয়া রোড৷ কলকাতার এই ঠিকানায় কয়েক প্রজন্ম বাস সেখ সাবির'দের। তিলজলা থানার এই পৈতৃক বাড়িতে ৫ জুলাই থেকে ভিটেছাড়া সেখ সাবির ও তাঁর ভাইয়েরা। স্থানীয় ৬৬ নম্বর কাউন্সিলর ফৈয়াজ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল সেখ সাবিরদের। ফৈয়াজ, মন্ত্রী জাভেদ খানের পুত্র। ৫ জুলাই রাত থেকে বাড়ি ছাড়া পুরুষ সদস্যরা। সোমবার বিকাল ৪টের সময় বিচারপতি শম্পা সরকারে'র বেঞ্চে সেদিনের ঘটনা শোনান সাবির দের আইনজীবী। বাড়িতে ঢোকার আবেদনও করেন আইনজীবী ফিরদৌস সামিম।
advertisement
আরও পড়ুন: ক্যানসার রোগীদের জন্য সাধের চুল কেটে ফেললেন শিক্ষিকা, বললেন, 'আমি গর্বিত'!
আপাতত শহরে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছেন ৪ ভাই। পুলিশের সাহায্য চেয়েও মেলেনি কিছুই। তিলজলা থানার বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও আনা হয় আদালতে। পুরো বিষয়টি আইনজীবীর কাছ থেকে জেনে জরুরি মামলার অনুমতি দেন বিচারপতি শম্পা সরকার। মামলার সব পক্ষকে নোটিশ দিয়ে বুধবার শুনানির জন্য আসার মৌখিক নির্দেশ দেন বিচারপতি শম্পা সরকার। সাবিরের আইনজীবী ফিরদৌস সামিম জানান, "৪/১ তোপসিয়া ফার্স্ট লেনের একটি৭ কাঠা জমি রয়েছে সাবিরদের। জীর্ণ বাড়ি ছিল সেখানে। সেই বাড়ি ভেঙে পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা ছিলো। জীর্ণ বাড়ি ভাঙতেই সমস্যার সূত্রপাত। মন্ত্রী-পুত্র তথা স্থানীয় পুরপিতার দলবল আমার মক্কেলের কাজে বাধা দেয়। প্রথমে বাঁশ দিয়ে জায়গা ঘিরে তা দখল নেওয়া হয়। সঙ্গে হুমকি। আলিপুর আদালত দু'দফায় নির্দেশ জারি করে। তিলজলা থানার পুলিশকে সহায়তার জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়।" আর এই নির্দেশ কপি থানা পাওয়ার পরই শুরু হয় নির্যাতন। অন্তত অভিযোগ এমনটাই।
advertisement
আরও পড়ুন: চাকরি খুঁজছেন 'বেকার' বরিস জনসন? ঠিকই পড়ছেন, দেখুন ভাইরাল ছবি
সোমবার হাইকোর্টের বারান্দায় সেখ সাবির জানালেন, "ফৈয়াজ খানের কিছু অনুগামী আমাকে ডেকে নিয়ে যায় । ৫ জুলাই রাত ৮টা নাগাদ জি জে খান রোডের কাউন্সিলরের অফিসে গেলেই এলোপাথাড়ি মারধর করা হয়। ১২জন আমায় ঘিরে ধরে মারে। স্থানীয় কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারপর থেকে প্রাণে মারার হুমকি পাচ্ছি। কোনও ভাই বাড়ি ঢুকতে পারেনি।'' তিনি আরও জানান, ''আলিপুর আদালতের নির্দেশের কপি দিতে যাওয়া যুবককেও মারধর করা হয়েছে।'' নিউজ ১৮ বাংলা তরফে সোমবার সন্ধ্যায় কাউন্সিলর ফৈয়াজ খানের বক্তব্য জানতে তাঁর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা হয়। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি।
Location :
First Published :
Jul 11, 2022 9:35 PM IST











