অধ্যাপিকার বিকিনি পরা ছবি দেখছে ছাত্র, তাতেই নাকি চাকরি গেল অধ্যাপিকার, কাঠগড়ায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলকাতা
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
বিকিনি পরে ইনস্টাগ্রামে ছবি দিয়েছিলেন তিনি, আর সেই 'অপরাধ'-এ নাকি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল তাঁকে! সম্প্রতি এমনই অভিযোগ আনলেন, কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন অধ্যাপিকা
#কলকাতা: বিকিনি পরে ইনস্টাগ্রামে ছবি দিয়েছিলেন তিনি, আর সেই 'অপরাধ'-এ নাকি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল তাঁকে! সম্প্রতি এমনই অভিযোগ আনলেন, কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রাক্তন অধ্যাপিকা। তাঁর চাঞ্চল্যকর দাবি, এক ছাত্রের অভিভাবক কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নালিশ জানান, তাঁদের ছেলে শিক্ষিকার বিকিনি পরা ছবি দেখছে, আর সেই নালিশের পরিপ্রেক্ষিতেই নাকি চাকরি খোয়া যায় শিক্ষিকার!
সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অ্যাস্টিস্ট্যান্ট প্রফেসরের বিস্ফোরক অভিযোগ, প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের বাবা তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান, এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। সেন্ট জেভিয়ার্স যদিও এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে,স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছিলেন উক্ত অধ্যাপিকা।
advertisement
advertisement
আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি চিঠি ভাইরাল হয়েছে, চিঠিটি লিখেছেন বি কে মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। চিঠির বয়ান বলছে, ' আমার ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকার বিকিনি পরা ছবি দেখছিল। ছবিগুলি অত্যন্ত কুরুচিকর, অশ্লীল,প্রায় নগ্ন বললেই চলে। ছবিগুলিতে শিক্ষিকা যৌন উত্তেজনামূলক পোশাক পরে রয়েছেন। শিক্ষিকার অন্তর্বাস পরা ছবি ছেলে দেখছে, বাবা হিসেবে আমার কাছে ভীষণ লজ্জার এই দৃশ্য। একজন ১৮ বছরের ছেলে তার অধ্যাপিকার স্বল্পাবাসের ছবি দেখছে, তাও আবার প্রকাশ্যে পাবলিক প্ল্যাটফর্মে, এটি অত্যন্ত নিকৃষ্টমাণ ও লজ্জাজনক ঘটনা।''
advertisement
এর পরই নাকি অধ্যাপিকাকে ডেকে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁর অভিযোগ, বৈঠক চলাকালীন তাঁকে অভিভাবকের চিঠিটিও দেখানো হয়। এর পরেই তাঁকে চাকরিতে ইস্তফা দেওয়ার কথা বলা হয়। গত ২৪ অক্টোবর ২০২১-এ ওই অধ্যাপিকা পুলিশে অভিযোগ জানান, তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে থাকতে পারে। কারণ তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল প্রাইভেট মোডে রয়েছে, কোনও ছবি-ই বাইরের কারও পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। যদিও সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছেন বলেই দাবি তাঁদের।
Location :
First Published :
Aug 09, 2022 5:37 PM IST










