সঙ্গী বৈশাখী, নিজভূমে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফিরছেন শোভন, বেহালার মহড়া বেলেঘাটায়

সঙ্গী বৈশাখী, নিজভূমে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফিরছেন শোভন, বেহালার মহড়া বেলেঘাটায়
পদযাত্রা শুরুতে আগে ভারত মাতার পূজা করেন শোভন ও বৈশাখী। বেহালার রোড শো-র মহড়াই যেন মঙ্গল সন্ধ্যায় বেলেঘাটায় সেরে গেলেন শোভন-বৈশাখী।

পদযাত্রা শুরুতে আগে ভারত মাতার পূজা করেন শোভন ও বৈশাখী। বেহালার রোড শো-র মহড়াই যেন মঙ্গল সন্ধ্যায় বেলেঘাটায় সেরে গেলেন শোভন-বৈশাখী।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রায় তিন বছরেরও বেশি ব্যবধান। আবারও বেহালায় নিজের মাটিতে রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞে ফিরছেন কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক ও অধুনা বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি বেহালায় রোড শো করবেন বিজেপির কলকাতা জোনের পর্যবেক্ষক শোভন চট্টোপাধ্যায় ও কো-কনভেনর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বেহালার রোড শো-র মহড়াই যেন মঙ্গল সন্ধ্যায় বেলেঘাটায় সেরে গেলেন শোভন-বৈশাখী।

    লক্ষ্য কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার একান্নটি বিধানসভা আসন। আর সেই লক্ষ্য পূরণেই কোমর বেঁধে নেমে পড়া। ২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কলকাতায় বুথ ভিত্তিক সংগঠন ঢেলে সাজানোর কাজে নেমে পড়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেই উদ্দেশ্যেই মঙ্গলবার বেলেঘাটার বিল্ডিং মোড় থেকে বরফ কল পর্যন্ত লম্বা পথে রোড শো আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে।

    শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই রোড শো-তে হাজির ছিলেন জেলা সভাপতি জেলা সভাপতি শিবাজী সিংহ রায়, জেলার আহ্বায়ক দেবজিৎ সরকার। প্রজাতন্ত্র দিবসের সন্ধ্যায় কোনরকম দলীয় পতাকা ছাড়াই একশো কুড়ি ফুটের ত্রিবর্ণ রঞ্জিত পতাকায় সজ্জিত এই পদযাত্রায় সামিল হন বিশাল সংখ্যক বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।


    শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে ভিড় জমে যায় বেলেঘাটার রাস্তার দুই ধারে। লম্বা রোড শো তে কখনও পায়ে হেঁটে কখনও বা হুড খোলা গাড়ির চেপে পথ চলতি মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শোভন -বৈশাখী।

    রোড শো চলাকালীন নিউজ 18 বাংলাকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে তৃণমূল কংগ্রেসের কড়া সমালোচনা করেন কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক। চোখা চোখা শব্দ বাণে রাজ্যের শাসক দলকে বিদ্ধ করেন একতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন শোভন। উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালের 'বেসুরো' হওয়া প্রসঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানের পেছনে তাঁর মত কর্মীদের পাশাপাশি প্রবীর ঘোষালের অবদান ভোলার নয়। সেই প্রবীর ঘোষালও যখন বিক্ষুব্ধ, তখন বুঝতে হবে তৃণমূল নেত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের গ্রহণযোগ্যতা তলানিতে ঠেকেছে।

    এখানেই থেমে থাকা নয়। শোভনের আরও সংযোজন,"একটা দল যখন শেষ সময়ে এসে দাঁড়ায়, তখন তাদের এই অবস্থাই হয়। ২০১১-র আগে রাজ্যের শাসক দল বামফ্রন্টেরও একই রকম অবস্থা হয়েছিল।"

    পদযাত্রা শুরুতে আগে ভারত মাতার পূজা করেন শোভন ও বৈশাখী। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,"বাংলায় তৃণমূলের অপশাসনের শেষ হতে চলেছে। বাংলার মানুষ বিজেপিকে ক্ষমতায় আনার বিষয়ে মনস্থির করে ফেলেছেন।"

    Published by:Pooja Basu
    First published: