কলকাতায় আতঙ্ক চরমে, নয়া করোনা আক্রান্ত তরুণ গেলেন বাবার দোকানে, ঘুরলেন একাধিক শপিং মলে

কলকাতায় আতঙ্ক চরমে, নয়া করোনা আক্রান্ত তরুণ গেলেন বাবার দোকানে, ঘুরলেন একাধিক শপিং মলে

করোনা আতঙ্ক তার সঙ্গে করোনা আক্রান্তদের অবিবেচক আচরণ, ভয়ে কাঁপছে গোটা কলকাতা

  • Share this:

#কলকাতা : কলকাতায় প্রথম আক্রান্তের অবিবেচক কর্মকাণ্ড নিয়ে যখন সবদিক উত্তাল ঠিক সেখানেই দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তের ঘটনা সামনে এসেছে ৷ আর সকলকে চমকে দিয়েছে এই যুবকের অবিবেচক পদক্ষেপও ৷ ১৩ মার্চ লন্ডন থেকে ফেরার পর তাঁর শরীরে করোনার কোনও সংক্রমণ ছিল না ৷ কিন্তু করোনা সংক্রমণ হওয়া কোনও জায়গা থেকে ফিরলেই যে হোম আইসোলেশনের প্রস্তাব সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে তার ধার দিয়েও যাননি এই দ্বিতীয় যুবক ৷

গত দু'দিন ধরে তাঁর জ্বর সর্দি -কাশি হওয়ায় তাঁর CVOID-19 টেস্ট করা হয় ৷ তাঁর টেস্ট পজিটিভ আসায় তিনি এই মুহূর্তে বেলেঘাটা আইডি তে ভর্তি ৷ এদিকে তাঁর পরিবারের একাধিক মানুষকে পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টাইনে ৷

১৭ তারিখ বেলেঘাটা আইডি তে ভর্তি হলেও তার আগে দেদার শহরে ঘোরেন এই যুবক ৷ দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত হাউসিং থাকা যুবক বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশার পাশাপাশি নিজের বাবার একাধিক বাথরুম ফিটিংসের দোকানে যান ওই যুবক ৷ ঘোরেন দক্ষিণ কলকাতার একাধিক বড় শপিং মলে ৷ সব মিলিয়ে যেখানে ভারত এখনও করোনা সংক্রমণের তৃতীয় স্তরে ঢোকেনি অর্থাৎ কমিউনিটি ইনফেকশনের লেভেলে যায়নি সেখানে লন্ডন ফেরত করোনা আক্রান্ত দুই যুবকের গতিবিধি সকলকে স্তম্ভিত করে দিচ্ছে ৷

আরও দেখুন -ফের কলকাতায় করোনার থাবা, আক্রান্ত লন্ডন ফেরত যুবক, দেখুন ভিডিও

পাশাপাশি আক্রা্ন্ত দ্বিতীয় যুবকের পরিবারের ১১ জনকে কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের অভিজাত আবাসনে আত্ঙ্ক চরমে ৷ সেই অ্যাপার্টমেন্টও স্যানিটাইজেশনের কাজে কলকাতা পুরসভা ৷

এর আগে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায় কলকাতায় কদিন আগে। সেই যুবকও লন্ডনে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরেই তাঁর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। তারপর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আলাদা করে হোম কোয়ারন্টিনে রাখা হয় ওই যুবকের মা বাবাকেও। যদিও তাঁদের পরে পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাঁরা কেউ সংক্রমিত হননি।

এদিকে, ভারতের আক্রান্তের সংখ্যা ১৯৫ হয়ে যাওয়ায় বেড়েছে উদ্বেগ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে করোনা মোকাবিলা ও সচেতনতা তৈরির তাগিদে একটি বিশেষ হোয়্যাটস অ্যাপ নম্বর খোলা হয়েছে। সেই নম্বরে করোনা নিয়ে প্রশ্ন করলেই সহজে উত্তর পাওয়া যাচ্ছে। 9013151515 নম্বরটি যে কেউ সেভ করে নিয়ে হোয়াটস করলেই দেওয়া হচ্ছে তথ্য।

 
First published: March 20, 2020, 1:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर