করোনা আতঙ্ক! হিন্দু হোস্টেল নিয়ে আন্দোলন ছাড়তে নারাজ প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা

করোনা আতঙ্ক! হিন্দু হোস্টেল নিয়ে আন্দোলন ছাড়তে নারাজ প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা

প্রেসিডেন্সির পড়ুয়াদের যুক্তি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করলেও হস্টেল খালি করার কোন নির্দেশ দেয়নি।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আতঙ্কেও হিন্দু হোস্টেল ইস্যু নিয়ে আন্দোলন ছাড়তে নারাজ আবাসিক ও প্রেসিডেন্সি পড়ুয়াদের একাংশ। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্য সরকার সব স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ঘোষণা করেছে। রাজ্যের নির্দেশিকা মোতাবেক শনিবারই প্রেসিডেন্সি তরফে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি হস্টেল খালি করতে বলা হয়েছে প্রেসিডেন্সির পড়ুয়াদের। যাকে নিয়েই মূলত বিপত্তি বা সমস্যা তৈরি হয়েছে।

প্রেসিডেন্সির পড়ুয়াদের যুক্তি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করলেও হস্টেল খালি করার কোন নির্দেশ দেয়নি। তাঁরা জানিয়েছেন, পড়ুয়ারা চাইলে হোস্টেল ছাড়তে পারে। কিন্তু প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ যেভাবে নির্দেশ দিয়ে হস্টেল খালি করতে বলেছে, তাতে হিন্দু হস্টেল নিয়ে চলা আন্দোলনকে স্তব্ধ করতে চাইছে বলেই আশঙ্কা পড়ুয়াদের একাংশের। যদিও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ। এদিকে সোমবার সকাল থেকেই প্রেসিডেন্সির গেট তালা বন্ধ অবস্থায় থাকল। যা নিয়ে ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে গবেষকদের একাংশ।

৫০ দিনের বেশি হয়ে গেল হিন্দুু হস্টেল ফিরে পাওয়ার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্সি পড়ুয়ারা। গত সপ্তাহেই হস্টেল নিয়ে জট কাটানোর জন্য পড়ুয়াদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন উপাচার্য অনুরাধা লোহিয়া। বৈঠক হলেও সমাধান সূত্র না পাওয়ায় হস্টেল নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অনড় মনোভাব দেখিয়েছেন প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা। তারই মাঝে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। সেই নির্দেশ মেনে প্রেসিডেন্সির তরফে বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। ছুটি দেওয়ার পাশাপাশি আবাসিকদের হোস্টেল ও খালি করতে বলা হয়েছে।

যা নিয়েই মূলত আপত্তি প্রেসিডেন্সির আবাসিক পড়ুয়াদের। রবিবারই ডিন অফ স্টুডেন্টকে ই-মেইল মারফত তাঁদের আপত্তির কথা জানিয়েছেন। তাঁরাই মেল করে বলেছেন, রাজ্য যেখানে যাদবপুরের মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও হস্টেল খালি করার নির্দেশ দেয়নি। সেখানে প্রেসিডেন্সির তরফে কেন এই নির্দেশ দেওয়া হল। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত  তারা হস্টেল ছাড়বেন না বলে ই-মেইল করে জানিয়েছেন। তবে এই আন্দোলন চলাকালীন এই সময় যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তার দায় কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলে ডিন অফ স্টুডেন্ট'স কে জানিয়েছে প্রেসিডেন্সির পড়ুয়ারা। যদিও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রেসিডেন্সি কর্তৃপক্ষ।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

First published: March 16, 2020, 1:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर