• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • NO TO BODY SEARCH AND METAL DETECTOR IN MADHYAMIK AND HIGHER SECONDARY EDUCATION ED

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত, দেহ তল্লাশি ও মেন্টার ডিরেক্টরে 'না'

কলেজে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ৷ শীঘ্রই কলেজে অতিথি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে ৷

শিক্ষকদের পাশাপাশি এবার প্যারা টিচারদের মাধ্যমিকের নজরদারির দায়িত্বে দেওয়া হচ্ছে। বুধবারই শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে নির্দেশিক?

  • Share this:

# কলকাতা : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করা যাবে না। শুধু তাই নয় পরীক্ষার্থীদের তল্লাশিও করা যাবে না। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে দেওয়া প্রস্তাবে না করে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

মূলত প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মত সোশাল সাইট গুলোতে লিক আটকাতেই মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহারের পরিকল্পনা নেয় পর্ষদ। প্রয়োজনে স্পর্শকাতর পরীক্ষা কেন্দ্র গুলিতে পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করার কথা প্রস্তাব আকারে পাঠায় পর্ষদ। প্রস্তাবে সায় না দেওয়ায়  বিকল্প হিসাবে কি ধরনের উপায়  তা আটকানো সম্ভব তার আলোচনা করতেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চলতি সপ্তাহেই আলোচনায় বসছেন মুখ্যসচিব ও শিক্ষা সচিব। এদিকে এবার প্যারাটিচাররাও মাধ্যমিকের নজরদারির দায়িত্বে কাজ করবেন বলে বুধবার সব জেলার ডিআইদের নির্দেশিকা পাঠিয়েছে পর্ষদ।

গতবছরেই প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশাল সাইট গুলোতে বেরোনো আটকাতে মেটাল ডিটেক্টরের  ব্যবহার কয়েকটি পরীক্ষা কেন্দ্রে করেছিল  উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা জন্য মেটাল ডিটেক্টর ব্যবহার করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। শুধু তাই নয় স্পর্শকাতর পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে যাতে পরীক্ষার্থীদের  প্রয়োজনে তল্লাশি ও করা যায় তারও পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। মূলত মোবাইল নিয়ে ঢুকতে নিষেধ করা হলেও বিভিন্ন সময় মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে কখনও পরীক্ষার্থীরা বা শিক্ষকরা ঢুকে যাচ্ছেন।  তার জেরেই পর্ষদের পাশাপাশি একই প্রস্তাব উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফেও দেওয়া হয়েছিল। তবে পর্ষদ ও সংসদের তরফের দেওয়া প্রস্তাবে না ই করে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।কারণ হিসেবে অবশ্য বলা হয়েছে মেটাল ডিটেক্টর বা পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি করলে ছাত্রদের মনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

প্রসঙ্গত গতবছর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর দিন থেকেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশাল সাইট গুলিতে বেরিয়ে যেতে থাকে। পরীক্ষার তিন দিন পর্যন্ত একই অবস্থা চলায় শেষ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। মঙ্গলবার ই মাধ্যমিকওউচ্চমাধ্যমিক নিয়ে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন মুখ্য সচিব। বৈঠকে গত বারের মত ইন্টারনেট সংযোগ স্পর্শকাতর' এলাকাগুলিতে বন্ধ রাখা হবে নাকি তা নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি স্কুল শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর স্পর্শ কাতর এলাকা চিহ্নিত করে স্বরাষ্ট্র দপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে মঙ্গলবারের বৈঠকে। এক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা নিয়ে চলতি সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্য সচিব ও শিক্ষা সচিব বলেই স্কুল শিক্ষা  দফতর সূত্রে খবর।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

Published by:Elina Datta
First published: