টালা সামলাতে নয়া বাইক, নিয়ম ভাঙবেন যারা, তাদের ধরতেও সাহায্য করবে এটি

টালা সামলাতে নয়া বাইক, নিয়ম ভাঙবেন যারা, তাদের ধরতেও সাহায্য করবে এটি

মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টরদের যাতায়াতের ও নজরদারির সুবিধার জন্য ১০টি নতুন বাইক দিল রাজ্য পরিবহন দফতর।

  • Share this:

#কলকাতা: পুরনো টালা সেতু ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। ধাপে ধাপে ভেঙে ফেলার কাজ চলছে। ফলে এতদিন শ্যামবাজার থেকে ডানলপ টালা ব্রিজ দিয়ে চলতে থাকা বাস, মিনিবাস ও ছোট গাড়ি চলাচল করছে ঘুরে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাস্তায় বেড়েছে যানজট।

যানজট সামলানোর ঝক্কি সামলাতে একদিকে যেমন থাকছে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিকরা। তেমনই সেখানে মোতায়েন করে রাখা হয়েছে মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টরদের। এবার এই সমস্ত মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টরদের যাতায়াতের ও নজরদারির সুবিধার  জন্য ১০টি নতুন বাইক দিল রাজ্য পরিবহন দফতর। শনিবার থেকেই ব্যবহার করা হবে এই নতুন বাইক।

কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই বুলেট বাইক তুলে দেওয়া হল ইন্সপেক্টরদের হাতে। পরিবহন আইন ভাঙলে তা দেখার দায়িত্ব রয়েছে মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টরদের হাতে। ফিটনেস সার্টিফিকেট ফেল করা গাড়ি হোক বা পলিউশন ফেল গাড়ি রাস্তায় চলা সেই সব গাড়ি ধরার মুল দায়িত্ব রয়েছে এই সমস্ত মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টরদের হাতে। যদিও দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ, তাদের কাজ করার জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। ফলে বহু ক্ষেত্রে গাড়ি ধরতে গেলেও তা পালায়।

আগামী দিনে এই সমস্ত ইন্সপেক্টরদের কাছে এই বাইক থাকলে, তারা একসাথে সহজেই অভিযান চালিয়ে বেআইনি গাড়ি ধরতে পারবে। সেই কারণেই এই বাইকগুলো কেনা হয়েছে। পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য জানিয়েছেন, "টালা ব্রিজ সন্নিহিত এলাকায় যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের  অসুবিধা না হয় সেদিকে আমরা বেশি নজর দিচ্ছি। ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি পরিবহন দফতরের মোটর ভেহিক্যালস ইন্সপেক্টরদের সকাল থেকে রাত অবধি ওখানে ডিউটি আছে। তারা যাতে বিভিন্ন পয়েন্ট সহজে যাতায়াত করতে পারে তাই এই বাইকগুলো দেওয়া হয়েছে।"

উত্তর কলকাতা ও উত্তর শহরতলির জন্য জলপথে আরও পরিষেবা বৃদ্ধি করতে চলেছে রাজ্য পরিবহন দফতর। ব্যরাকপুর থেকে বাগবাজার পর্যন্ত লঞ্চ চালানো যায় কিনা, সেটা দেখা হচ্ছে। এছাড়া বরাহনগর কুটিঘাট থেকে বাগবাজার, হাওড়া, ফেয়ারলি ও বাবুঘাট পর্যন্ত আরও লঞ্চ বাড়তে চলেছে আগামী দিনে। এদিকে চিৎপুর সেতুর নিচে যে লেভেল ক্রসিং তৈরির কাজ চলছিল, তা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। আগামী সপ্তাহেই এখান দিয়ে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল করতে পারবে বলে মনে করছে ট্রাফিক পুলিশ। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে তাদের অংশের কাজ প্রায় শেষ। এবার শুধু রাস্তার কাজ শেষ করা বাকি।

Abir Ghoshal

First published: February 29, 2020, 10:52 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर