advertisement

'একদিকে  আদর্শ, একদিকে বাধ্যবাধ্যতা... এই লড়াইতেই চলে গেলেন মুকুলদা...' শোকস্তব্ধ ফিরহাদ, ভেঙে পড়লেন শোভনদেব

Last Updated:

২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর। আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপি-তে যোগ দেন মুকুল রায়। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে মুকুল বড় ভূমিকা নিলেও তাঁকে কোনও পদ দেয়নি বিজেপি। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার প্রায় ৩ বছর পরে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়। ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কিছুটা পিছনের সারিতে চলে যান মুকুল।

শোকস্তব্ধ ফিরহাদ, ভেঙে পড়লেন শোভনদেব
শোকস্তব্ধ ফিরহাদ, ভেঙে পড়লেন শোভনদেব
কলকাতা:  ৭২ বছর বয়সে প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়! একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রবীন নেতা। রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী-বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়।
advertisement
ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘অত্যন্ত আপন, অত্যন্ত প্রিয়, মিষ্টভাষী, সুন্দর ব্যবহার ছিল মুকুলদার। বিপদে আপদে জানতাম মুকুলদা সুরাহা করবেন। পার্টি সৃষ্টির সময় থেকেই ছিলেন তিনি। মমতাদির ডান হাত বলতে যা বোঝায় সেটাই ছিলেন। বিজেপির অত্যাচারে, ভয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। সেদিন থেকে লড়াই। একদিকে আদর্শ, একদিকে বাধ্যবাধ্যতা। আজ মারা গেলেন।’ শোকপ্রকাশ করেছেন শোভনদেবও।
advertisement
পার্থ বলেন, ‘সহকর্মী, সহযোদ্ধা মুকুল রায়ের প্রয়াণে আমি অত্যন্ত শোকাহত। একটা সময় যখন চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, মুকুল সুব্রত বক্সীর সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়েছিলেন মুকুল রায়ই। বহু পথ হেঁটেছি একসঙ্গে, বহু সময় একমত হতে পারিনি। কিন্তু মুকুলকে, তাঁর অবদানকে ভুলব না। আমি হাসপাতাল থেকে তাঁর ছেলের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। দেখতে যাব ভেবেছিলাম, সেই সুযোগটা হল না। আমার জীবনের কয়েকটা কালো দিনের মধ্যে আজ একটা। মুকুল ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। অসম্ভব পরিশ্রমী ছিলেন। তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ছিল মুকুলের। তাঁর চলে যাওয়া রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে অন্যতম চরিত্রের পতন।’
advertisement
১৯৫৪ সালের ১৭ এপ্রিল জন্ম মুকুল রায়ের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসির ডিগ্রি, তারপর ২০০৬ সালে পাব্লিক অ্যাডমিনিসট্রেশন নিয়ে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন। তবে ততদিনে তিনি বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ হয়ে গিয়েছেন। কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। ১৯৯৮ সালে যখন জাতীয় কংগ্রেস ভেঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন, তখন ছায়াসঙ্গীর মতো মমতার পাশে ছিলেন মুকুল রায়। একসময়ে তৃণমূলের তিলজলার পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন। জেলা থেকে শহর, প্রতিটি ব্লক বা বুথ স্তরে পরিচিতি ছিল তাঁর। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূল স্তরে গিয়ে সংগঠন করেছিলেন মুকুল। ২০০৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয় তাঁকে। দলের ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন । তবে হেরে যান ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী হরিপদ বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু থেমে থাকতে জানতেন না মুকুল। ২০০৬ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন। দিল্লিতে তৃণমূলের মুখ ছিলেন রাজনীতিবিদ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন তিনি।
advertisement
view comments
বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
'একদিকে  আদর্শ, একদিকে বাধ্যবাধ্যতা... এই লড়াইতেই চলে গেলেন মুকুলদা...' শোকস্তব্ধ ফিরহাদ, ভেঙে পড়লেন শোভনদেব
Next Article
advertisement
West Bengal Opinion Poll: বাংলায় এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই? কত আসন পেতে পারে তৃণমূল-বিজেপি, News 18-এর তৃতীয় জনমত সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত
বাংলায় এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই? কত আসন পেতে পারে তৃণমূল-বিজেপি, News 18-এর তৃতীয় জনমত সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত
  • বাংলায় বিধানসভা ভোটে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

  • কার দখলে কত আসন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে পছন্দ?

  • News 18 জনমত সমীক্ষায় চমকে দেওয়া ইঙ্গিত৷

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement