উপাচার্যের সঙ্গে ফোনে বাদানুবাদ রাজ্যপালের, আগুন নিয়ে খেলবেন না বিস্ফোরক ধনখড়

উপাচার্যের সঙ্গে ফোনে বাদানুবাদ রাজ্যপালের, আগুন নিয়ে খেলবেন না বিস্ফোরক ধনখড়

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পৌঁছেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা আটকে যায় রাজ্যপাল তথা আচার্য জগদীপ ধনখড়ের

  • Share this:

#কলকাতা: প্রথমে ছাত্র বিক্ষোভ , গো ব্যাক স্লোগান, কালো পতকা -যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পৌঁছেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকা আটকে যায় রাজ্যপাল তথা  আচার্য জগদীপ ধনখড়ের ৷ এরপরেই তিনি অনড় হয়ে ক্যাম্পাসেই ঢুকে থাকেন ৷ উপাচার্যকে বিক্ষোভস্থলে আসতে নির্দেশ দেন জগদীপ ধনখড়,  ফোনে উপাচার্যকে নির্দেশ আচার্যের ৷ দশ মিনিটে বেশি কথা হয় দু'জনের ৷ সেখানে উতপ্ত বাদানুবাদও হয় ৷ তিনি জানিয়ে দেন তাঁকে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে, পড়ুয়ারা জানিয়ে দিয়েছেন যদি তিনি আচার্যের সঙ্গে দেখা করতে যান তাহলে তাঁকে পড়ুয়াদের দেহের ওপর দিয়ে যেতে হবে ৷

বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে কথা বলেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস ৷ তারপরে বিভিন্ন শিক্ষাকর্মীদের দলের সঙ্গে কথা বলেন কোর্ট সদস্যরা ৷ এদিকে তাঁদের আবেদন খারিজ ৷ তৃণমূল কর্মী-কর্মচারীরা জানিয়ে দিয়েছেন কীভাবে বার্ষিক সমাবর্তনের আয়োজন হয়েছে ৷ চ্যান্সেলর জগদীপ ধনখড়কে ছাড়াও সমাবর্তনের নিয়ম রয়েছে , কোনওভাবেই ঢুকতে দেওয়া হবে না রাজ্যপালকে জানিয়ে দিল তৃণমূলপন্থী শিক্ষা-কর্মচারীদের মুখপাত্র ৷

রাজ্যপালের হাত থেকে মেডেল না নিতে অনড় পড়ুয়ারা ৷ গাড়িতে বসে ট্যুইটের পর রাজ্য ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে একহাচত নিলেন জগদীপ ধনখড় ৷ তিনি জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনের মদতেই শিক্ষাঙ্গন রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণের আখড়ায় পরিণত হয়েছে ৷ আর তাদের মদতেই শিক্ষা একেবারে নক্কারজনক সময়ের মধ্যে দিয়েই যাচ্ছে ৷ রাজ্যপাল রাজ্যকে একহাত নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য সুরঞ্জন দাশকে সঠিক ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য দাবি করেন ৷ তাঁর সরাসরি অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় কর্কৃপক্ষ নিজের কর্মচারীদের দিয়ে বিক্ষোভ হঠাতে পারতেন কিন্তু তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই তা করেননি ৷

সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ার পর ফের একগুচ্ছ ট্যুইট করেন রাজ্যপাল ৷ তাঁর জোর দাবি আচার্য থাকাকালীন  কনভোকেশনে অন্য কেউ মেডেল তুলে দিতে পারেন না ৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপলক্ষ্য করেও ট্যুইট করেন তিনি ৷

পরিস্থিতি কীভাবে আয়ত্তে আনা যায় তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে কথা চালাচ্ছেন সহ উপাচার্য ও কোর্টকর্মীরা ৷

আরও দেখুন

First published: 11:47:49 AM Dec 24, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर