• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • প্রবেশিকা বিতর্কে পদত্যাগ করতে চান যাদবপুরের উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য

প্রবেশিকা বিতর্কে পদত্যাগ করতে চান যাদবপুরের উপাচার্য ও সহ-উপাচার্য

File Photo

File Photo

প্রবেশিকা বিতর্কে এবার পদত্যাগ করতে চান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্য ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রবেশিকা বিতর্কে এবার পদত্যাগ করতে চান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্য ৷ ইসি-র সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁরা সহমত নন ৷ অব্যাহতি চেয়ে রাজ্যপালকে আগামিকাল, বুধবার তাঁরা চিঠি দেবেন বলে জানা গিয়েছে ৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ ৷ এই পরিবেশে কাজ করা আর সম্ভব হচ্ছে না বলেই সাংবাদিক বৈঠকে মঙ্গলবার আক্ষেপ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস ৷

    ছাত্রদের লাগাতার অনশনে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৷ চাপের মুখে প্রবেশিকা ফিরল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৷ ২৭ জুনের সিদ্ধান্তই বহাল রইল যাদবপুরে ৷ কলা বিভাগের ৬টি বিষয়েই প্রবেশিকা পরীক্ষা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ এদিন সন্ধ্যায় ইসি’র দ্বিতীয়বার বৈঠকের পরই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৷ প্রবেশিকা এবং ক্লাস টুয়েলভের মিলিত নম্বরে ভিত্তিতেই ভর্তি নেওয়া হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে অ্যাডমিশন কমিটি। জানা গিয়েছে, এই সিদ্ধান্তে সায় নেই উপাচার্য এবং সহ-উপাচার্যের ৷

    প্রবেশিকা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন রেজিস্ট্রার ৷ এছাড়া সিদ্ধান্ত নেবেন কলা বিভাগের ডিনও ৷ অনশন প্রত্যাহার করার জন্য পড়ুয়াদের আর্জি জানানো হয়েছে ৷

    jadavpur-univ-protest-1

    শুক্রবার রাত থেকে টানা অনশন চলছে। প্রবেশিকা বিতর্কে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। প্রবেশিকা প্রত্যাহার না কি বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরই চূড়ান্ত, তা নিয়ে মঙ্গলবার কর্মসমিতির বৈঠকের প্রথমার্ধে কোনও রফাসূত্র বেরোয়নি। পরে অবশ্য প্রবেশিকা ফেরানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করতে হয়। কিন্তু বাংলা ও ইতিহাসের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এই দুটি বিষয়ে পড়ুয়াদের কোনও প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হয় না ৷ এ বছর কলা বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল ৩ থেকে ৬ জুলাই-এর মধ্যে ৷ কিন্তু, সোমবার আইনি জটিলতার কারণ দেখিয়ে পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ জারি করা হয় নোটিসও ৷ আর এতেই ক্ষুব্ধ হন পড়ুয়ারা ৷ প্রবেশিকা ফেরানোর দাবিতে টানা ৭ দিন ধরে অনশন আন্দোলন করেন তাঁরা। এরই মধ্যে রাজ্যপাল, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।

    মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া ল্যাপটপও কর্তৃপক্ষকে ফিরিয়ে দেন উপাচার্য। এই ঘটনা কি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্যের বিদায়ের ইঙ্গিত ? এনিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। এরপরই কর্মসমিতির বৈঠকে প্রবেশিকা ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    First published: