• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Indian Railway| Satyajit Roy| স্টেশনের সঙ্গে জুড়ে পথের পাঁচালীর সোনার ইতিহাসের ছোঁয়াচ, তুলে ধরছে রেল

Indian Railway| Satyajit Roy| স্টেশনের সঙ্গে জুড়ে পথের পাঁচালীর সোনার ইতিহাসের ছোঁয়াচ, তুলে ধরছে রেল

পথের পাঁচালী-খ্যাত পালসিট স্টেশন সাজছে নতুন রূপে।

পথের পাঁচালী-খ্যাত পালসিট স্টেশন সাজছে নতুন রূপে।

Indian Railway| Satyajit Roy| বিভূতিভূষণ ও সত্যজিৎ রায়ের কাজের সাথে সম্পর্কিত পালসিট এর পাঁচালী প্রকাশ করছে পূর্ব রেল।

  • Share this:

#কলকাতা: সাদাকালো পটভূমিকায় দিগন্ত বিস্তৃত কাশফুলের মাঝে ধাতব রেলপথ সুদূরে মিলিয়ে গেছে। দূরে ধূসর সাদা আকাশের নীচে যাত্রীবাহী বগি নিয়ে একটি রেল ইঞ্জিন কালো ধোঁয়া উড়িয়ে ছুটে আসছে। এই যান্ত্রিক সৌন্দর্যের বিস্ময়ে মোহাবিষ্ট অপু ও দূর্গা কাশফুলের মাঝখানে ছুটে এসে দাঁড়ায়। তাদের সামনে দিয়ে ঝম্‌ ঝম্‌ করে রেলগাড়ি নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে চলে যায়। ১৯৫২ সালের ২৭ অক্টোবর। দিনটা ছিল সোমবার। পালসিট স্টেশনের কাছেই পথের পাঁচালী-র প্রথম ক্যামেরাবন্দির মুহূর্ত।

বিভূতিভূষণ এবং সত্যজিৎ রায়ের মত দুই দিকপালের সৃষ্টি এবং মাঝে পড়ে থাকা পালসিট স্টেশনকে আজও স্মরণ করেন সেখানকার মানুষ। প্রত্যেক বছর এলাকায় মানুষরা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিনে স্টেশনের কাছে গিয়ে তাঁকে স্মরণ করেন। স্মরণ করেন সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনেও। ফিরে যেতে চান অবিস্মরণীয় সেই দৃশ্যটির কাছে।

আরও পড়ুন-স্কুল খুলছে, রোজ বাড়ছে যাত্রী, এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা মেট্রো

হাওড়া থেকে ৯১.৭ কিলোমিটার দূরে, পূর্ব রেলের আওতাধীন এই পালসিট স্টেশন প্রথম থেকেই ছবির মত সুন্দর ছিল। ২০২০ সালের পরে স্টেশনের সংস্কার হয়।  ধীরে ধীরে বসার জায়গা, প্ল্যাটফর্ম শেড, ওয়েটিং রুম, ফুট ওভারব্রিজ, পানীয় জল ও নতুন প্ল্যাটফর্মসহ নানা পরিষেবা যুক্ত হয়ে পালসিট এখন পূর্ণাঙ্গ স্টেশনের রূপ পেতে চলেছে। পালসিটের সৌন্দর্য স্টেশনের মাধুর্যতায়।  সারাদিনে এখন ট্রেনের সংখ্যাও অনেক।

আপ ও ডাউন ট্রেন মিলিয়ে মোট ৫০টি লোকাল ট্রেনে যাত্রী নামা ওঠা চলছেই। পড়ন্ত বিকেলে মনকে প্রফুল্ল করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন পালসিট স্টেশনের অদূরে এক নিষ্পাপ প্রকৃতির মাঝে। প্রকৃতি আপনাকে সব সময়ই দেবে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। এমন ভালোবাসায় কাটাতে পারেন একটি স্নিগ্ধ বিকেল। ক’দিন বাদেই বেজে উঠবে হেমন্তের বিদায়ের সুর। আশ্বিনের শেষেই বিলীন হয়ে যায় এই কাশবন।

শুরু হয় হেমন্তের নবান্ন উৎসব। প্রকৃতিতে মিশবে নতুন ফসলের ঘ্রাণ। শরতের এ কাশফুল শুধু প্রকৃতিপ্রেমীর সৌন্দর্যের ক্ষুধা মেটায় না। এ ফুলের শুকনো গাছ হয়ে ওঠে ঝাড়ু, জ্বালানি, ঘরের বেড়া বা কোথাও কুটিরের ছাদ তৈরির উপকরণ।পূর্ব রেল সূত্রে জানানো হয়েছে আসলে ভারতীয় রেলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতেই এমন প্রচার শুরু হচ্ছে।

Published by:Arka Deb
First published: