নৈহাটির বিস্ফোরণে রাজনৈতিক মদত? প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল

নৈহাটির বিস্ফোরণে রাজনৈতিক মদত? প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল

নৈহাটির বিস্ফোরণে তদন্ত অভিজ্ঞ সংস্থাকে দিয়ে করানো উচিত। মত রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। আর্থিক লাভ কাদের হচ্ছিল তাদেরও প্রকাশ্যে আনা উচিত এমনটাই দাবি ?

  • Share this:

#কলকাতা: নৈহাটির বিস্ফোরণ নিয়ে আবারো রাজ্যের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন রাজ্যপাল। শুক্রবার নৈহাটির বিস্ফোরণের পিছনে রাজনৈতিক মদত রয়েছে নাকি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যপাল। শুধু তাই নয়, বিস্ফোরণের তদন্ত অভিজ্ঞ সংস্থাকে দিয়ে করানোর পক্ষেই জোরালো দাবি রাখলেন রাজ্যপাল।

বৃহস্পতিবারই টুইট করে নৈহাটির বিস্ফোরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যপাল।

শুক্রবার আরো একধাপ এগিয়ে এই বিস্ফোরণের পেছনে রাজনৈতিক মদত আছে নাকি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যপাল। শুক্রবার বাবুঘাটের এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি বলেন "নৈহাটিতে যে বিস্ফোরণ হয়েছে, শুনেছি তার কোন লাইসেন্স ছিল না। লাইসেন্সস ছাড়া কিভাবে কাজ করছিল ? কাদের মতে এটা চলছিল? কারা এর থেকে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছিলেন? যারা এর থেকে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছিলেন তাদের প্রকাশ্যে আনা দরকার। এর পেছনে রাজনৈতিক মদত থাকলেও সেটা তদন্ত করা দরকার। এর গভীর তদন্তের জন্য কোন সংস্থাকে দিয়ে তদন্তত করানো উচিত। রাজ্যের শান্তি রক্ষার পক্ষে এই ধরনের বিস্ফোরণ খুবই বিপদজনক।"তবে কোন সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানোর পক্ষে রাজ্যপাল তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান "দু-তিন দিনের মধ্যে যা বলার বলব"। রাজ্যপাল আরও বলেন " যারা হিংসা করেন তারা সব ধর্মের বিপক্ষে"

আরও পড়ুন - #IranvsUS: ইরান থেকেই যাত্রীবাহী বিমানে ছোঁড়া হয়েছিল মিসাইল! দেখুন চাঞ্চল্যকর ভাইরাল ভিডিও

বৃহস্পতিবার বাজি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল নৈহাটি থেকে চুঁচুড়া। শব্দের অভিঘাতে ভেঙে পড়ে বাড়ির জানালার কাচ, টিনের এডবেস্টাস। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকটি গাড়ি। নৈহাটি রামঘাটে আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ। গঙ্গার এপারে বিস্ফোরণের জেরে কেঁপে ওঠে গঙ্গার ওপার। শুধুুু তাই নয়, বাজি র তীব্রতায় নৈহাটিতে বেশকিছু বাড়িতে ফাটল ও দেখা যায়। নৈহাটিতে বাজি নিষ্ক্রিয় করার সময় ঘটে এই বিপত্তি। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল, মাশরুম ক্লাউড ও দেখতে পাওয়া যায়। নদীর দু'ধারে একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও দেখুন

First published: 11:38:03 AM Jan 10, 2020
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर