Coronavirus in India| করোনা আতঙ্ক! স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা গেল রাজ্যের সব হাসপাতালে

Coronavirus in India| করোনা আতঙ্ক! স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকা গেল রাজ্যের সব হাসপাতালে
করোনা ভাইরাস রুখতে নির্দেশিকা

করোনা মোকাবিলার রাজ্যের জেলা ও মহকুমা হাসপাতালগুলিকেও প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। তৈরি রাখতে বলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷ করোনা সন্দেহ হলেই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্যের প্রতিটি হাসপাতালগুলিতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। করোনা মোকাবিলার রাজ্যের জেলা ও মহকুমা হাসপাতালগুলিকেও প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। তৈরি রাখতে বলা হয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড। ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থাও থাকতে হবে৷ শুধু হাসপাতালগুলিকেই নয়, করোনা সচেতনতায় কর্মসূচির জন্য রাজ্যের সব স্কুলেও নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে৷

করোনা যাতে কোনও ভাবেই রাজ্যে না ছড়ায়, তার জন্য তত্‍পর রাজ্য সরকার৷ কলকাতা-সহ সব জেলার হাসপাতালে নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর৷ স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, শুধু বেলেঘাটা আইডি বা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ নয়, জেলার সব মেডিক্যাল কলেজ, মহকুমা হাসপাতাল ও জেলা হাসপাতালগুলিতে আইলোসেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থা রাখতে হবে৷ তৈরি রাখতে হবে ভেন্টিলেশন সাপোর্টের ব্যবস্থাও৷

চিকিত্‍সক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা যাতে সংক্রামিত না হন, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে হাসপাতালগুলিকে৷ করোনা আক্রান্ত যদি কেউ হাসপাতালে ভর্তি হন, তা হলে সংশ্লিষ্ট রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলতে হবে এবং চটজলদি আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিত্‍সার বন্দোবস্ত করতে হবে রোগীর৷ কলকাতার হাসপাতালে রেফার না করে জেলা হাসপাতালকেই চিকিত্‍সার বন্দোবস্ত করতে হবে৷

শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে ভারতে এলে উপসর্গ না থাকলেও, ২৮ দিন হোম আইসোলেশন বাধ্যতামূলক। সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্টের লক্ষণ দেখা দিলে, রাজ্য সরকারের ২৪ ঘণ্টার কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। হেল্পলাইন নম্বরটি হল, +৯১১১২৩৯৭৮০৪৬৷

করোনা ভাইরাসের এখনও কোনও নির্দিষ্ট চিকিত্‍সা নেই৷ এ ক্ষেত্রে করোনা মোকাবিলায় বিশিষ্ট চিকিত্‍সক শ্যামাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, 'প্রথম হাত ধুতে হবে বারবার৷ বিশেষ করে হাত না ধুয়ে নাকে বা মুখে হাত দেওয়া যাবে না৷ এই ভাইরাসগুলি অ্যালকোহলে খুব তাড়াতাড়ি মরে যায়৷ খুব দরকার না পড়লে হ্যান্ডশেক না করাই ভালো এই সময়৷ যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেও দায়িত্ব নিতে হবে, যাতে তাঁর থেকে ভাইরাসটি আর না ছড়ায়৷'

First published: March 4, 2020, 5:42 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर