Change in School Timing: দার্জিলিংয়ের মতো ঠান্ডা, পড়ুয়াদের কথা ভেবে সময় বদল মর্নিং স্কুলের
- Reported by:Sudipta Garain
- hyperlocal
- Published by:Salmali Das
Last Updated:
Change in School Timing: ভোরবেলায় বাড়ি থেকে বের হওয়াই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মর্নিং সেশনে স্কুলে যাওয়া প্রাথমিক পড়ুয়াদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: গত এক সপ্তাহ ধরে বীরভূম জেলায় কনকনে ঠান্ডার প্রভাব স্পষ্ট। ভোরবেলায় বাড়ি থেকে বের হওয়াই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মর্নিং সেশনে স্কুলে যাওয়া প্রাথমিক পড়ুয়াদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। প্রবল ঠান্ডার কারণে অনেক পড়ুয়া স্কুলে আসতে পারছে না, কেউ কেউ অসুস্থও হয়ে পড়ছে। ফলে স্কুলগুলিতে উপস্থিতির হার কমে যাচ্ছিল।
advertisement
আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী এক সপ্তাহও তাপমাত্রা ৯ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে। এই পরিস্থিতিতে সাত সকালে স্কুলে যাওয়া শিশুদের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের তরফে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, জেলার সমস্ত মর্নিং সেশনের প্রাথমিক স্কুলের সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে সকাল সাড়ে ৭টায় স্কুল শুরু করতে হবে। সোমবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে মোট ২৪০১টি প্রাথমিক স্কুল রয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ স্কুল সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হলেও কিছু স্কুল হাই স্কুলের সঙ্গে একই চত্বরে থাকায় বাধ্য হয়ে সকালে চালু হয়। এই সমস্ত মর্নিং স্কুল আগে সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত চলত। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, হাই স্কুল সংলগ্ন নয় এমন স্কুলগুলি সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। তবে হাই স্কুল লাগোয়া প্রাথমিক স্কুলগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই সকাল সাড়ে দশটায় ছুটি দেওয়া হবে।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই
advertisement
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি প্রলয় নায়েক জানান, গত চার-পাঁচ বছরে এমন একটানা তীব্র ঠান্ডা পড়েনি জেলায়। এই শীতে শিশুদের সকাল সাড়ে ছ’টায় স্কুলে আসতে বলা অমানবিক বলেই মনে করছে প্রশাসন। তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদের এই সিদ্ধান্তে খুশি অভিভাবকরাও। তাঁদের মতে, এতে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য যেমন সুরক্ষিত থাকবে, তেমনই স্কুলে উপস্থিতির হারও বাড়বে।ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই









