Bail Granted in Narada Case: মুখ পুড়ল CBI-এর, নারদ কাণ্ডে অন্তর্বতী জামিন ফিরহাদ-সুব্রত-মদনদের!

নারদে জামিন

Narada Scam Case-এ অনেক টালবাহানার পর জামিন পেলেন ফিরহাদ হাকিম ও সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়।

  • Share this:

    কলকাতা: নারদ মামলায় (Narada Scam Case) অভিযুক্ত বাংলায় দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) ও সুব্রত মুখোপাধ্যায় ( Subrata Mukherjee) এবং তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra) ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় (Sovan Chatterjee) জামিন পেয়ে গেলেন। এদিন জামিনের শুনানির অন্তিম পর্যায় চলছিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। পাঁচ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ তাঁদের জামিনের আবেদনের শুনানি চলছিল। এর আগে গত সোমবার এবং বৃহস্পতিবারও মামলাটির শুনানি হয়েছিল। যদিও প্রতি ক্ষেত্রেই সিবিআইয়ের পক্ষের আইনজীবী, সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা মামলাটি ভিনরাজ্যে সরানো এবং জামিনের বিপক্ষে একাধিক যুক্তি দিয়েছেন। কিন্তু এদিন প্রধান বিচারপতি তুষার মেহেতাকে জানিয়ে দেন, অভিযুক্তদের শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া যেতে পারে। এরপরই, ফিরহাদ হাকিমদের জামিন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছিল আইনজীবী মহল। বাস্তবে সেটাই সত্যিই হল।

    এদিন ফিরহাদ জামিন দিলেও কিছু শর্ত চাপিয়েছে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। অভিযুক্তদের জামিন দিলেও তা দেওয়া হয়েছে ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে। এমনকী এই মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে অভিযুক্তরা সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলতে পারবেন না বলেই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

    এদিনের শুনানিতে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের কাছে জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, 'আমি নিবেদন করছি চার অভিযুক্তকে জামিন দেবেন না। ওই ৪ নেতা-মন্ত্রী প্রভাবশালী ব্যক্তি। জামিন হলে মানুষের ভাবাবেগকে ব্যবহার করার সুযোগ পেয়ে যাবেন। আর জামিন হলে মূল বিষয়টিও ঠান্ডা ঘরে চলে যাবে।'

    এরপরই বেঞ্চের অন্যতম বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় তুষার মেহেতার উদ্দেশে বলেন, '২০১৭ সাল থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা চলছে। এতদিন যখন গ্রেফতার করা হয়নি। এখন গৃহবন্দি করে রাখার মানে হয় না। বিপর্যয়ের সময় মানুষ জন্য তাঁদের কাজ করা দরকার। '

    এরপরই জামিন নিয়ে একাধিক শর্ত আরোপ করার আর্জি জানিয়েছিলেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তাঁর দাবি ছিল, অভিযুক্তরা এই মামলা নিয়ে মিডিয়ায় কোনও বাইট দিতে পারবেন না। তদন্তের জন্য বা কোর্টে প্রয়োজন অনুযায়ী হাজির হতে হবে। তাঁরা কোনও জমায়েতও করতে পারবেন না। সেই আর্জিতে মান্যতা দিয়েছে হাইকোর্ট।

    Published by:Suman Biswas
    First published: