পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত, ট্যুইটে ক্ষোভ আচার্যের

পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান নিয়ে রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত, ট্যুইটে ক্ষোভ আচার্যের
রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আচার্য তথা রাজ্যপালের সংঘাত। এবার কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়

  • Share this:

#কলকাতা: ফের রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত। আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবকে কেন্দ্র করে। কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি তাঁকে। এই অভিযোগে সরব হয়েছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এরই পাশাপাশি অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ নিয়ে উপাচার্যকে জানতে চেয়ে চিঠিও দিচ্ছেন রাজ্যপাল। সমাবর্তনে সিদ্ধান্ত কী ভাবে নেওয়া হল, কেনই বা তাঁকে আমন্ত্রণ পত্র দেওয়া হল না, আচার্যের অনুমোদন ছাড়াই কী ভাবে সমাবর্তনে সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ববিদ্যালয় চিঠি দিয়ে জানতে চাইছেন রাজ্যপাল। যদি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য জানিয়েছেন, বিধি মেনেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কলকাতা, যাদবপুরের পর এবার  কোচবিহারের পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়়় সমাবর্তন কে ঘিরে  বিতর্ক। বুধবার সকালেই সমাবর্তনের আমন্ত্রণ পত্র না পাওয়ায় টুইটে নিজের ক্ষোভ জানান রাজ্যপাল। টুইটে রাজ্যপাল লিখেছেন "১৪ ই ফেব্রুয়ারি কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, গৌতম দেব,  রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং বিনয়কৃষ্ণ বর্মনকে  আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আচার্য, যাঁর সভাপতি হওয়ার কথা  তাঁকেই জানানো হয়নি! এ আমরা কোথায় যাচ্ছি "।

যদিও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর কে আমন্ত্রণ না জানানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপাচার্য দেবকুমার মুখোপাধ্যায়। তিনি অবশ্য দাবি করেছেন, "সমাবর্তনে আসার জন্য  চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজভবনে। কোন উত্তর না আসায় আমন্ত্রণপত্র ছাপা হয়েছে ওঁর নাম ছাড়াই। বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া বিধি মেনেই আমরা যা করার করেছি"। যদিও রাজভবনের তরফে দাবি করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে কিছুই পাঠানো হয়নি। রাজভবন সূত্রে খবর, কেন  আমন্ত্রণ জানানো হল না, কী ভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল তা বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে জানতে চেয়ে চিঠি দিচ্ছেন  রাজ্যপাল।

প্রসঙ্গত এর আগে যাদবপুর ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসবে ও রাজ্যপালের উপস্থিতি নিয়ে  বিক্ষোভ ও বিতর্ক হয়। সমাবর্তনে যোগ দিতে গিয়ে সিএএ ও এনআরসি ইস্যুতে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন রাজ্যপাল। অনড় ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভের মুখে সমাবর্তন উৎসবে যোগ না দিয়েই শেষ পর্যন্ত ফিরতে হয়েছিল রাজ্যপাল কে। তাকে ছাড়াই এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের  সমাবর্তন হয়েছিল।

SOMRAJ BANDOPADHYAY

First published: February 12, 2020, 4:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर