• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BABUL SUPRIYO TROLLED AFTER HIS TWEET ON BHABANIPUR BJP CANDIDATE PRIYANKA TIBREWAL SANJ

Babul Supriyo : প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ‘রাজনীতি-ত্যাগী’ বাবুল সুপ্রিয়! ট্রোলড হলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়...

ভবানীপুরে প্রিয়াঙ্কা, 'খুশি' সাংসদ বাবুল Photo : File

Babul Supriyo : প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের নাম ঘোষণার পর নিজের খুশির কথা ট্যুইট করে ব্যক্ত করেন বাবুল সুপ্রিয়।

  • Share this:

    #কলকাতা : রাজ্যে উপনির্বাচন ৩০ সেপ্টেম্বর। আর এই উপনির্বাচনের ভরকেন্দ্র ভবানীপুর (Bhabanipur By-poll)। এই আসনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল (Priyanka Tibrewal)। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অত্যন্ত খুশি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। মন্ত্রিত্ব যাওয়ার পর পরই রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়া বাবুল সুপ্রিয় সাংসদ পদ ছাড়েননি। এখনও আসানসোলের বিজেপি সাংসদ। প্রিয়াঙ্কার (Priyanka Tibrewal) নাম ঘোষণার পর নিজের খুশির কথা ট্যুইট করে ব্যক্ত করেন বাবুল। কিন্তু সাংসদ থাকলেও রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন বলে সম্প্রতি ঘোষণা করা বাবুল কেন ভোট নিয়ে কথা বলছেন সেই প্রশ্ন তুলে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। প্রিয়াঙ্কার (Priyanka Tibrewal) প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতেই নেটমাধ্যমে চূড়ান্ত ট্রোলড হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়।

    আরও পড়ুন : রাজনীতি 'ছেড়ে' BJP-র প্রচারে বাবুল, প্রার্থী না করে দায়িত্ব দেওয়া হল রুদ্রনীলকে

    উল্লেখ্য, একটা লম্বা সময় পর্যন্ত গেরুয়া শিবিরে প্রিয়াঙ্কার (Priyanka Tibrewal) পরিচয় ছিল বাবুলের আইনজীবী হিসেবে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরে অর্থাৎ বাবুল মন্ত্রী হওয়ার পরে বিজেপি-তে যোগ দেন প্রিয়ঙ্কা। পরে ২০২০ সালে বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সহ-সভাপতি হন তিনি। শুক্রবার সেই প্রিয়ঙ্কাকে বিজেপি ভবানীপুরে প্রার্থী করায় বাবুল লেখেন, তিনি এক সময়ে টিবয়েওয়ালকে দলে যোগ দিতে বলেছিলেন। ট্যুইটে প্রিয়াঙ্কার প্রশংসায় ‘সাহসী’, ‘যুক্তিবাদী’, ‘আত্মবিশ্বাসী’ ইত্যাদি প্রশংসাসূচক শব্দও ব্যবহার করেছেন সাংসদ। একই সঙ্গে অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা এবং বিজেপি-কে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ধন্যবাদও জানান আসানসোলের সাংসদ।

    শুধু তাই নয়, প্রিয়াঙ্কাকে উদ্দেশ্য করে আরও একটি ট্যুইটে বাবুল লেখেন, ‘জীবনে হার-জিৎটাই সব নয়। জীবন হল কঠিন যুদ্ধে লড়াই করার সাহস।’ বাবুলের এই মন্তব্যের পরেই এক দল নেটিজেন কটাক্ষ করতে শুরু করেন  ট্যুইটারে।

    বাবুলের ট্যুইটের সমালোচনায় মুখর হয় নেট দুনিয়া। এক জন লেখেন, ‘কতই রঙ্গ দেখি দুনিযায়। সাংসদ পদ ছেড়ে দেব, তার পর সাংসদ পদ থাকবে রাজনীতি ছেড়ে দেব কিন্তু ভবানীপুরে প্রচারে যাব।বাবুলদা সেরা গায়কের সাথে সেরা নাট্যকারের পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তি তা বোঝা যাচ্ছে।’ আরও একজন লিখেছেন, ‘আমি রাজনীতি করছি না। শুধু বিজেপি প্রার্থীর হয়ে একটু দালালি করলাম।আমি রাজনীতি তে আর নেই। শুধু কিছু কথা বলছি।’ আর এক জনে মন্তব্য, ‘এইসব কী বাবুল দাদা! তুমি নাকি রাজনৈতিক মঞ্চে যাবে না, রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছিলে! এই সব দু’টাকার কথা বলে দয়া আদায় করতে চাও নাকি!’ অবশ্য এদের বেশ কয়েকজনকে উত্তরও দিয়েছেন বাবুল। সকলের কাছেই প্রশ্ন রেখেছেন, ‘লম্বা দৌড়ে নিজেকে বোকা প্রমাণিত করার এত তাড়া কেন?’

    এই উত্তরের মধ্যে দিয়ে তিনি কী ইঙ্গিত দিয়েছেন তা অবশ্য সময়ই বলবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। এরপরই দলের তারকা প্রচারকদের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে নাম রয়েছে বাবুলের। যা দেখে অনেকেই চমকে উঠেছেন। তাহলে কি আবার রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরলেন বাবুল?

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: