এশিয়ান পেইন্টসের ছোঁয়ায় শহর জুড়ে গানে গানে পুজোর রং

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো ১৯ থেকে ৩১ অক্টোবর অবধি পুজোর ছুটি পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ৷ তবে সরকারিভাবে পুজোর ছুটি ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হলেও ছুটির শুরু ১৭ অক্টোবর ৷ কারণ ১৭ তারিখ শনিবার ও ১৮ রবিবার ৷ এই দু’দিন জুড়লে মোট লম্বা টানা ছুটির সংখ্যা দাঁড়াবে ১৫ দিন ৷ কারণ, সরকারি দফতরে সপ্তমী থেকে লক্ষ্মীপুজোর পরেরদিন অবধি এমনিই ছুটি থাকে ৷

শহর জুড়ে পুজোর গন্ধ ম ম করছে। সকাল থেকে নীল আকাশে তুলোর মত মেঘ আর সারা শহর জুড়ে পোশাকের বাহারে, আলোর ঝলমলানিতে রঙের ছোঁয়া লেগেছে জনজীবনে।

  • Share this:

    #কলকাতা:  যা দেবী সর্বভূতেষু,

                               বুদ্ধিরূপেণ সংস্থিতা...

    শহর জুড়ে পুজোর গন্ধ ম ম করছে। সকাল থেকে নীল আকাশে তুলোর মত মেঘ আর সারা শহর জুড়ে পোশাকের বাহারে, আলোর ঝলমলানিতে রঙের ছোঁয়া লেগেছে জনজীবনে।  শহরকে আরও একটু বেশি রঙিন করে তুলতে, প্রতি বছরের মতো এই বছরেও পুজোর আনন্দ ভাগ করে নিতে সামিল হয়েছে এশিয়ান পেইন্টস শারদ সম্মান। এশিয়ান পেইন্টসের জেনারেল ম্যানেজার জয়দীপ কানসের কথায়, সৃষ্টি ও শিল্পকে সম্মান জানাতেই তাদের এশিয়ান শারদ সম্মানের সূচনা যা আজ ৩৫ বছরের উপর চলে আসছে। এবছর তারা এক অভিনব চিন্তায় পুজোর আমেজ ধরার চেষ্টা করেছে বিভিন্ন রঙের গানে। ক্যাকটাস, লক্ষ্মীছাড়া ও গোঁসাই গ্যাংয়ের গানে তারা তুলে ধরেছেন পুজোর নানা  রংয়ের কথা। তারা তুলে ধরেছেন, বাঙালির বৃহত্তম উৎসব কিভাবে বিভিন্ন রংয়ের ছোঁয়ায় সেজে ওঠে, জীবন্ত হয়ে ওঠে-  "নানা রংয়ের ছবি শরৎ জুড়ে/ তোমার জন্য আঁকছি সুরে সুরে"

    দুর্গাপুজোয় লালের ছোঁয়া থাকবে না তাই কখনও হয়! লালের ছোঁয়ায় প্রাণ পায় মায়ের পুজো। অষ্টমীতে লাল শাড়ি পরে লাল আলতায় পা ভিজিয়ে রক্ত জবায় মায়ের পায়ের অঞ্জলি, অথবা বিদায় বেলায় সিঁদুর খেলার রং সব জায়গাতেই উৎসবের রং হয়ে ওঠে লাল। যে রং কখনো হিংসার চিহ্ন , সেই রংই প্রেম নিবেদন করে আর সে রংয়ের ছোঁয়ায় শহরের পুজোকে এক অন্য মাত্রা পায়। সেই লাল রংকেই কেন্দ্র করে এশিয়ান পেইন্টসের সঙ্গে পুজোর গান বেঁধেছে লক্ষীছাড়া।

    পুজো তো চিরকালীনই সাদা ক্যানভাসের মতো, উৎসবে রং ভরে মানুষ, মানুষ যেভাবে উদযাপন করে তেমন ভাবেই প্রাণ পায় ক্যানভাস শহর-কলকাতা । আকাশের নীলের ছোঁয়ার পরে মহালয়ার ভোরের হলুদ আহ্লাদ। অতসীপুষ্প রঙের সাদা-মাটা হলদে দেবীমূর্তিতে চক্ষুদান। শিল্পীর তুলির এক আঁচড়ে যেন জেগে ওঠেন মা। পিতৃপক্ষের অবসানে শুরু হয় মাতৃবন্দনার সকাল। আকাশ-বাতাস একসঙ্গে বলে ওঠে — এই তো পুজোর শুরু। আর পুজোর এই হলুদ আহ্লাদকে এশিয়ান পেইন্টসের সঙ্গে গানের সুরে বেঁধেছে গোঁসাই গ্যাং। শরতের আকাশে নীল রং মানেই পুজো। ডানা মেলে উড়ে যাওয়া নীলকণ্ঠ পাখি শিবকে খবর দিতে যায় দুর্গার ফিরে আসার।নীল আলোর রোশনাইয়ের নিচে ঢাকের তালে যেন আকাশ হয়ে ওঠে আরও স্নিগ্ধ। স্নিগধ নীলাভ অপরাজিতা শোভা বাড়ায় দেবীর পায়ে। সমস্ত রঙের মত নীল রঙের উদযাপনে ক্যাকটাস আর এশিয়ান পেইন্টস নীল রংকে গানের সুরে বেঁধেছে- " শহর তোমায় দিলাম নীলের গান " এশিয়ান পেইন্টসের ম্যানেজিং পার্টনার সুজয় রায় জানান - এশিয়ান পেইন্টস শারদ সম্মান দুর্গাপুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়েছে। প্রতি বছরই আমরা একটি ঐতিহ্যপূর্ণ বিষয় বেছে নিয়ে সেটিকে জীবন্ত ক'রে তুলি।এবার বিষয় হিসেবে আমরা পুজোর বিভিন্ন রংকে বেছে নিয়েছি। রং মানুষের মনের কথা বলে, উৎসবের আমেজকে ক'রে তোলে আরো গাঢ়। বিন্দুতে সিন্ধু দর্শনের মতোই এই গানগুলি যেন একটি রং দিয়ে গোটা পুজোর ছবি এঁকেছে।
    First published: