যাঁর জন্য তৃণমূল ছেড়েছিলেন, সেই দীনেশকেই ফোন করে স্বাগত জানালেন অর্জুন

যাঁর জন্য তৃণমূল ছেড়েছিলেন, সেই দীনেশকেই ফোন করে স্বাগত জানালেন অর্জুন
সংঘাত ভুলে সন্ধি অর্জুনের৷

এ দিনই আচমকা রাজ্য়সভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন দীনেশ ত্রিবেদী৷

  • Share this:

    #কলকাতা: কথায় বলে, 'এভরিথিং ইজ ফেযার ইন লাভ অ্যান্ড ওয়ার৷' রাজনীতিতেও বোধ হয় তাই৷ কারণ যে দীনেশ ত্রিবেদীর জন্য একদিন তৃণমূল ছেড়েছিলেন, সেই দীনেশ ত্রিবেদী বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর তাঁকেই ফোন করে স্বাগত জানালেন অর্জুন সিং৷

    ২০১৯ সালে ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিট পাওয়ার আশায় ছিলেন অর্জুন সিং৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত দীনেশ ত্রিবেদী টিকিট পাওয়ায় দল ছাড়েন অর্জুন সিং৷ এর পর বিজেপি-তে যোগদান করে সেই ব্যারাকপুর আসন থেকেই লোকসভা নির্বাচনে দীনেশকে হারান তিনি৷ সেই সময় দীনেশ- অর্জুন বাকযুদ্ধ তুঙ্গে উঠেছিল৷

    স্বভাবতই আশা করা হয়েছিল, দীনেশ ত্রিবেদী বিজেপি-তে এলে আপত্তি থাকবে অর্জুনের৷ কিন্তু রাজনৈতিক মহলকে অবাক করে দিয়ে অর্জুন জানিয়েছেন, দীনেশ ত্রিবেদীকে বিজেপি-তে স্বাগত জানাচ্ছেন তিনি৷ দীনেশ ত্রিবেদীকে ভাল মানুষ, অভিজ্ঞ রাজনীতিক বলেও প্রশংসা শোনা গিয়েছে অর্জুনের গলায়৷ এখানেই শেষ নয়, দীনেশ ত্রিবেদীকে নিজে ফোন করে তৃণমূল ছাড়ায় অভিনন্দনও জানিয়েছেন ব্যারাকপুরের সাংসদ৷ অর্জুনের দাবি, তিনি দীনেশকে জানিয়েছেন বিজেপি-তে একসঙ্গে তাঁরা আরও ভাল ভাবে কাজ করবেন৷


    সূত্রের খবর, দীনেশ দলে এলে অর্জুন যে ভাল ভাবে তা নেবেন না, সেই আশঙ্কা বিজেপি নেতৃত্বেরও ছিল৷ তাই দীনেশকে দলে নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করার পর্বে অর্জুনের সঙ্গেও কথা বলেন দলের রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরের নেতারা৷ জানা গিয়েছে, অর্জুনের সঙ্গে সংঘাত এড়াতে দীনেশকে সাংগঠনিক কোনও দায়িত্ব দেওয়া হবে না৷ বরং তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করে পাঠিয়ে সংসদে সুবক্তা দীনেশকে সংসদে আরও বেশি করে ব্যবহার করা হবে৷ আসলে দীনেশকে দলে টেনে তৃণমূলকে মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করাই বিজেপি-র মূল লক্ষ্য৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: