Home /News /kolkata /
Amaranth shrine cloudburst:অমরনাথে আটকে জলপাইগুড়ির ১২ পুণ্যার্থী, নবান্নে চালু করা হল হেল্পলাইন

Amaranth shrine cloudburst:অমরনাথে আটকে জলপাইগুড়ির ১২ পুণ্যার্থী, নবান্নে চালু করা হল হেল্পলাইন

অমরনাথে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে-পড়া পর্যটকদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ১১ থেকে ১২ জন পর্যটক আছেন। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, ''জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। তাঁরা সকলেই নিরাপদে আছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বিধ্বস্ত জম্মু ও কাশ্মীরের অমরনাথ তীর্থক্ষেত্র। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ অমরনাথ গুহা এবং কালীমাতার মধ্যবর্তী অঞ্চলে খুব কম সময়ের মধ্যে বাঁধভাঙা বৃষ্টি হয়। এই ক্লাউডবার্স্ট-এর ফলে যে প্লাবন তৈরি হয়, তাতে ভেসে গিয়েছে ২৫টি পুণ্যার্থীর শিবির। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৬।

অমরনাথে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে-পড়া পর্যটকদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ১১ থেকে ১২ জন পর্যটক আছেন। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, ''জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। তাঁরা সকলেই নিরাপদে আছেন।'' অমরনাথে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে-পড়া পর্যটকদের বিষয়ে যে-কোনও রকম খবর নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কন্ট্রোল রুম নম্বর 033-22143526-এ।

মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে আটকে পড়া প্রায় ১৫,০০০ তীর্থযাত্রীকে অমরনাথের গুহা মন্দির এলাকা থেকে নিরাপদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। মেঘ ফেটে সৃষ্ট হড়পা বানের কারণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে এখনও অবধি। ৪০ জনেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ। শুক্রবার সন্ধ্যায় অমরনাথ গুহা এলাকার কাছে আটকে পড়া বেশিরভাগ তীর্থযাত্রীদেরই পঞ্চতরণীতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এটি অমরনাথ যাত্রার বেস ক্যাম্প হিসাবে কাজ করে। শনিবার সকালে ২১ জন আহত তীর্থযাত্রীকে চিকিৎসার জন্য বিমানে করে বালতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: আটকে পড়া ১৫০০০ তীর্থযাত্রী উদ্ধার, অমরনাথে মেঘ ভাঙা বন্যায় মৃত ১৬, নিখোঁজ বহু!

“ষোল জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা গিয়েছে। প্রায় ৪০ জন এখনও নিখোঁজ বলে মনে করা হচ্ছে। কোনও ভূমিধ্বসের খবর পাওয়া যায়নি, তবে অবিরাম বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে, যদিও এর ফলে উদ্ধারকাজে ব্যাঘাত ঘটছে না। NDRF-এর চারটি দল ১০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকারী নিয়ে উদ্ধারকার্যে নেমেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী, এসডিআরএফ, সিআরপিএফ এবং অন্যান্যরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে,” সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন এনডিআরএফের মহাপরিচালক অতুল কারওয়াল।

চিনার কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এডিএস আউজলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হড়পা বান কবলিত এলাকায় পৌঁছেছেন। কাশ্মীর পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার এবং কাশ্মীরের বিভাগীয় কমিশনারও উদ্ধার অভিযানের তদারকি করছেন।

আরও পড়ুন: নবান্নের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, একটি বিশেষ কর্মসূচিতে একইসঙ্গে কাজ করবে স্বাস্থ্য দফতর ও নারী-শিশু কল্যাণ দফতর

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া তীর্থযাত্রীরা এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এক তীর্থযাত্রীর কথায়, “মেঘ ভাঙার ১০ মিনিটের মধ্যে, আটজন মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। জলের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে পাথর বয়ে এসেছিল। প্রায় ১৫,০০০ তীর্থযাত্রী ওই অঞ্চলে ছিলেন। প্রবল বৃষ্টি সত্ত্বেও তীর্থযাত্রীরা এখানে এসেই চলেছেন।” “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, বৃষ্টি এখনও চলছে। বিপদের মাত্রা দেখে, এলাকা প্লাবিত হওয়ার কারণে অমরনাথ যাত্রা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে,” বলেন ITBP-র মুখপাত্র বিবেক কুমার পান্ডে।

Somraj Bandopadhyay
Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Amaranth shrine cloudburst

পরবর্তী খবর