advertisement

বিধানসভায় মুকুল রায়ের মরদেহ... শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত অভিষেক, ফুল পাঠালেন শুভেন্দু! শোকে পাথর কাঁচরাপাড়া

Last Updated:

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফুল পাঠান। এদিন বিধানসভায় শ্রদ্ধা জানান শিখা চ্যাটার্জি, মালতী রাভা রায়, অশোক দিন্দা, পবন সিং, নরহরি মাহাতো, অরুপ দাসের মতো বিজেপি বিধায়কেরা।

বিধানসভায় মুকুল রায়ের মরদেহ... শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত অভিষেক, কাঁচরাপাড়ায় শোক মিছিল
বিধানসভায় মুকুল রায়ের মরদেহ... শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত অভিষেক, কাঁচরাপাড়ায় শোক মিছিল
advertisement
কলকাতা:  নির্ধারিত সময়ে বিধানসভায় পৌঁছল মুকুল রায়ের দেহ। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তৃমমূল  কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। শ্রদ্ধা জানান বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। ৭২ বছর বয়সে প্রয়াত হন রাজনীতিবিদ মুকুল রায়! একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রবীন নেতা। রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’।
advertisement
এদিন সোশ্যাল মিডিয়া ‘X’-এ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘মুকুল রায়ের প্রয়াণে শেষ হল বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসের একটা অধ্যায়৷ একজন অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতা৷ এই রাজ্যের সাধারণ জনগণের তথা রাজনৈতিক পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সৃষ্টির অন্যতম সেনানি৷’ কাঁচরাপাড়ায় শোক মিছিলেও যোগ দিতে যান অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।
advertisement
তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘‘সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য৷ শুরু দিন থেকেই যিনি দলের সাংগঠনিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন৷  জনজীবনের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হবে।’ সবশেষে, মুকুল রায়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়৷
advertisement
১৯৫৪ সালের ১৭ এপ্রিল জন্ম মুকুল রায়ের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসির ডিগ্রি, তারপর ২০০৬ সালে পাব্লিক অ্যাডমিনিসট্রেশন নিয়ে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন। তবে ততদিনে তিনি বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ হয়ে গিয়েছেন। কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। ১৯৯৮ সালে যখন জাতীয় কংগ্রেস ভেঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন, তখন ছায়াসঙ্গীর মতো মমতার পাশে ছিলেন মুকুল রায়। একসময়ে তৃণমূলের তিলজলার পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন। জেলা থেকে শহর, প্রতিটি ব্লক বা বুথ স্তরে পরিচিতি ছিল তাঁর। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূল স্তরে গিয়ে সংগঠন করেছিলেন মুকুল। ২০০৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয় তাঁকে। দলের ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন । তবে হেরে যান ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী হরিপদ বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু থেমে থাকতে জানতেন না মুকুল। ২০০৬ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন। দিল্লিতে তৃণমূলের মুখ ছিলেন রাজনীতিবিদ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন তিনি।
advertisement
view comments
বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
বিধানসভায় মুকুল রায়ের মরদেহ... শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত অভিষেক, ফুল পাঠালেন শুভেন্দু! শোকে পাথর কাঁচরাপাড়া
Next Article
advertisement
West Bengal Opinion Poll: বাংলায় এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই? কত আসন পেতে পারে তৃণমূল-বিজেপি, News 18-এর তৃতীয় জনমত সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত
বাংলায় এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই? কত আসন পেতে পারে তৃণমূল-বিজেপি, News 18-এর তৃতীয় জনমত সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত
  • বাংলায় বিধানসভা ভোটে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

  • কার দখলে কত আসন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে পছন্দ?

  • News 18 জনমত সমীক্ষায় চমকে দেওয়া ইঙ্গিত৷

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement