Home /News /jalpaiguri /
Jalpaiguri: টানা প্রায় ৬ দিনের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

Jalpaiguri: টানা প্রায় ৬ দিনের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

টানা প্রায় ৬ দিনের বৃষ্টিতে জলপাইগুড়িতে বিপর্যস্ত জনজীবন। একাধিক এলাকায় টানা বর্ষণের ফলে জল জমে অচলাবস্থা তৈরী হয়েছে জেলার বিভিন্ন জায়গাতেই।

  • Share this:

    জলপাইগুড়ি: টানা প্রায় ৬ দিনের বৃষ্টিতে জলপাইগুড়িতে বিপর্যস্ত জনজীবন। একাধিক এলাকায় টানা বর্ষণের ফলে জল জমে অচলাবস্থা তৈরী হয়েছে জেলার বিভিন্ন জায়গাতেই। পাশাপাশি আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনু‌যায়ী প্রায় ৪০ কিমি প্রতি ঘন্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়ার দাপটে জেলার একাধিক ব্লকে গাছ ভেঙে বিপর্যস্ত অবস্থা। চালসা, মালবাজার, বানারহাট সহ একাধিক এলাকাতে গাছ ভাঙার খবর মিলেছে। জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়া, মহামায়াপাড়া ইত্যাদি এলাকাতেও জল জমার ছবি সামনে আসছে। টানা বৃষ্টিতে এদিকে জেলা জুড়ে কৃষকরাও সমস্যার মধ্যে পড়েছেন। পাটচাষীদের বক্তব্য, আচমকা এই বৃষ্টিপাত কৃষিজমিতে সমস্যা তৈরি করছে। একাধিক চাষের জমিতে নিকাশির সমস্যা থাকা এই অপ্রত্যাশিত ব্যপক বৃষ্টি বিপদের মধ্যে ফেলছে চাষীদের। অন্যদিকে, এবার বন্ড সমস্যার জেরে জেলার বহু আলু কৃষক হিমঘরে আলু রাখতে পারেন নি। উন্মুক্ত মাঠের মধ্যে তারা আলু ফেলে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন।

    বৃষ্টির জেরে সমস্যার মধ্যে পড়ছেন আলুচাষীরাও। সদর ব্লক থেকে শুরু করে জেলার অনান্য ব্লকে অবস্থা মোটের ওপর একই। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, এই বর্ষণ এখনই কমার নয়। জেলার নদীগুলিতেও জলস্তর কিছুটা বেড়েছে এই বৃষ্টিতে।

    আরও পড়ুনঃ  ডুয়ার্সে ডেঙ্গুর থাবা, আক্রান্ত ৭০ জন

    জলপাইগুড়ি আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিস প্রদেয় হাইড্রোমেট বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তরের নদীগুলির মধ্যে তিস্তা,তোর্ষা, রায়ডাক, জলঢাকা নদীগুলিতে প্রায় সব খন্ডেই বৃষ্টিপাত হয়েছে। শুক্রবার সকালে আবহাওয়া দফতর সূত্রে প্রদেয় তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টাতেই জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি হয়েছে ১৮.০ মিলিমিটার। অন্যদিকে নাগরাকাটা, দোমহনী, নেওড়া, ডায়না, গজলডোবা ও মূর্তিতে বৃষ্টি হয়েছে যথাক্রমে ১০.৮ মিলিমিটার, ১৮.৪ মি মি, ১২.০ মিমি, ৭.০ মি মি, ৩.২ মি মি ও ২.৬ মিলিমিটার।

    আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের নিয়ে আলোচনা সভা আন্তর্জাতিক সংগ্রহশালা দিবসে

    এরমধ্যে, হাওয়া দফতর হলুদ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে জেলার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে। বজ্রপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে ২১ তারিখ সকাল অবধি। যার ফলে বলা যেতেই পারে, বর্ষণের ভ্রুকুটি ও ভোগান্তির মেঘ এখনই সরছেনা জেলাবাসীর কপাল থেকে।

    Geetashri Mukherjee
    First published:

    Tags: Jalpaiguri

    পরবর্তী খবর