IPL 2021: 4,4,4,4,4,4! মাঠের বাইরে পৃথ্বীকে পেয়ে গলা টিপে 'বদলা' কেকেআর বোলারের

IPL 2021: 4,4,4,4,4,4! মাঠের বাইরে পৃথ্বীকে পেয়ে গলা টিপে 'বদলা' কেকেআর বোলারের

মাঠের কথা মাঠেই ফেলে আসেন পেশাদার ক্রিকেটাররা। ম্যাচের শেষে বন্ধুত্বই শেষ কথা বলে।

মাঠের কথা মাঠেই ফেলে আসেন পেশাদার ক্রিকেটাররা। ম্যাচের শেষে বন্ধুত্বই শেষ কথা বলে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: কেকেআরের বোলার শিভম মাভিকে সেই সময় দেখে অনেকেরই হয়তো করুণা হচ্ছিল। প্রথম ওভার সবে বোলিং করতে এসেছিলেন তিনি। আর প্রথম ওভারেই পর পর ছখানা বাউন্ডারি! মুখ কাচুমাচু করে একের পর এক ডেলিভারি করছিলেন শিভম। আর সেই সময় দিল্লি ক্যাপিটালস-এর ব্যাটসম্যান পৃথ্বী শ যেন অনেকদিনের পুরনো প্রতিশোধ নিচ্ছিলেন! একের পর এক বাউন্ডারি মারছিলেন তিনি। এদিন কেকেআরকে হারানোর ইঙ্গিত প্রথম ওভারেই দিয়ে রেখেছিলেন পৃথ্বী। প্রথম ওভারে ২৫ রান করেন তিনি। পর পর ছটি বাউন্ডারি মেরে আইপিএলের নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেন মুম্বইকর ব্যাটসম্যান। এই জন্যই আইপিএল স্পেশাল। এখানে প্রতি ম্যাচেই যেন নতুন কিছু হয়। অনেক নতুন কিছু অপেক্ষা করে দর্শকদের জন্য। ক্রিকেটভক্ত হলে তাই আইপিএল থেকে চোখ সরিয়ে রাখা অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়।

    মাঠের কথা মাঠেই ফেলে আসেন পেশাদার ক্রিকেটাররা। ম্যাচের শেষে বন্ধুত্বই শেষ কথা বলে। সেটাই বুঝিয়ে দিলেন পৃথ্বী ও শিভম। ২০১৮ সালে আন্ডার নাইন্টিন ওয়ার্ল্ড কাপ জিতেছিল ভারতীয় দল। নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন পৃথ্বী শ। ওই দলে ছিলেন শিভম মাভি। তখন থেকেই দুজনের বন্ধুত্ব। তার ওপর একই দলের হয়ে খেলা সতীর্থ। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাই বন্ধুর উপর মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছাড়লেন না শিভম। এক ওভারে তাঁকে ছটি বাউন্ডারি মেরেছিলেন পৃথ্বী। তারপর কেকেআর বনাম দিল্লি ম্যাচ শেষে পৃথ্বীর উপর বদলা নিলেন মাভি। তবে সেটা ভালবাসারই বহিঃপ্রকাশ। জড়িয়ে ধরে পৃথ্বীর গলা টিপে ধরলেন মাভবি। তবে মজার ছলে। বহুদিনের বন্ধু পৃথ্বী সেই ঠাট্টা হাসতে হাসতেই সহ্য করে নিলেন।

    কেকেআরের বিরুদ্ধে ১৫৫ রান তাড়া করতে নেমে পৃথ্বী একাই ম্যাচ শেষ করে দিয়েছিলেন। ৪১ বলে ৮২ রান করেন তিনি। ১১ টি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকান। এরপর হোটেলের রুমে ফেরেন একগাদা পুরস্কার হাতে নিয়ে। ম্যাচ সেরা হন তিনি। ম্যাচ শেষে ২১ বছর বয়সী দিল্লির ওপেনার বলেন, ''আমি জানতাম শিভম কোথায় বল ফেলবে! আমরা চার-পাঁচ বছর ধরে একসঙ্গে খেলেছি। জানতাম, প্রথম কয়েকটা ডেলিভারি হাফ ভলি হবে। তবে ভেবেছিলাম ও শর্ট বল করবে। আমি প্রস্তুত ছিলাম। প্রথম কয়েকটা ডেলিভারি ও করল হাফ ভলি। তবে শর্ট বল করেনি।'' উল্লেখ্য, সাত ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় পেল দিল্লি ক্যাপিটালস।

    Published by:Suman Majumder
    First published: