MI vs KKR: কেকেআর হারলেও হিরো নীতিশ রানা, Social Media-য় ভিলেন পান্ডিয়া

MI vs KKR: কেকেআর হারলেও হিরো নীতিশ রানা, Social Media-য় ভিলেন পান্ডিয়া

পান্ডিয়াকে নিয়ে মুম্বাইয়ের সমর্থকরাই প্রশ্ন তুলে দিলেন।

পান্ডিয়াকে নিয়ে মুম্বাইয়ের সমর্থকরাই প্রশ্ন তুলে দিলেন।

  • Share this:

    #চেন্নাই:

    একেই বোধহয় বলে দুরন্ত ফর্মে থাকা! পরপর দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি। প্রথম ম্যাচে দল জিতল। পরের ম্যাচে তিনি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিলেও শেষমেশ হার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আইপিএলের প্রথম ম্যাচে ৫৬ বলে ৮০ রান করেছিলেন কেকেআর ওপেনার নীতিশ রানা। নটি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো ছিল সেই ইনিংস। তবে এরপরও ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মঞ্জরেকার কেকেআরের নীতিশ রানার ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ভারতীয় ক্রিকেটের দুই তারকা সূর্য কুমার যাদব ও ঈশান কিশানের মতো ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে হবে নীতিশকে।

    সঞ্জয় মঞ্জরেকরের কথাগুলো হয়তো নীতিশ রানা কানে পৌঁছেছিল। তাই পরপর দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তাঁকে বার্তা দিলেন কলকাতার ওপেনার। কেকেআর হারল বটে। তবে নীতিশ রানা সোশ্যাল মিডিয়ায় হিরো হয়ে থাকলেন। গত ম্যাচের মতো এবার মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও তিনি ও শুভমান গিল ভাল শুরু করেছিলেন। শুভমান ৩৩ রানে আউট হওয়ার পর নীতিশ কেকেআরের ইনিংস টানছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৫৭ রান করে আউট হন নীতিশ রানা। মাঠের এমন কোনও প্রান্ত ছিল না যেখান দিয়ে এদিন তিনি শট খেলেননি। এমনকী বেশ কিছু ঝুঁকিপূর্ণ শট অবলীলায় খেলেছিলেন এই বাঁহাতি ওপেনার। কিন্তু মুম্বই স্পিনার চাহারের ভেলকি ধরতে পারেননি। ৫৭ রান করে তিনি আউট হওয়ার পরই ম্যাচের আবহাওয়া বদলাতে শুরু করে।

    মুম্বই ইন্ডিয়ান্স জিতল বটে। তবে মুম্বইয়ের সমর্থকদের যাবতীয় রাগ গিয়ে পড়ল হার্দিক পান্ডিয়ার উপর। বেশিরভাগ সমর্থকই দাবি করলেন, পান্ডিয়া কোয়ালিটি বোলারদের বিরুদ্ধে খেলতে পারেন না। এদিন ডেথ ওভারে মুম্বইয়ের রানের গতি তোলার দায়িত্ব ছিল কায়রন পোলার্ড ও পান্ডিয়ার উপর। পোলার্ডকে ফেরান রাসেল। ১৫ রানের বেশি করতে পারলেন না পান্ডিয়া। যার জেরে মুম্বইয়ের ইনিংস শেষ হয়ে গিয়েছিল মাত্র ১৫২ রানে। যদিও কম রানের পুঁজি নিয়ে কেকেআরকে হারাল মুম্বই। কিন্তু পান্ডিয়াকে নিয়ে মুম্বাইয়ের সমর্থকরাই প্রশ্ন তুলে দিলেন।

    Published by:Suman Majumder
    First published:
    0

    লেটেস্ট খবর