• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • Equador Quito: বন্ধুত্ব জিন্দাবাদ! বন্ধুকে কবর থেকে তুলে বাইকে চাপাল বন্ধুরা, শহর ঘুরিয়ে শেষবিদায়

Equador Quito: বন্ধুত্ব জিন্দাবাদ! বন্ধুকে কবর থেকে তুলে বাইকে চাপাল বন্ধুরা, শহর ঘুরিয়ে শেষবিদায়

Equador: এক সপ্তাহ আগে গুলিতে নিহত বন্ধু। তাঁর মৃতদেহ কবর থেকে তুলল বন্ধুরা। বাইকে নিথর দেহ ঘুরল গোটা শহর।

Equador: এক সপ্তাহ আগে গুলিতে নিহত বন্ধু। তাঁর মৃতদেহ কবর থেকে তুলল বন্ধুরা। বাইকে নিথর দেহ ঘুরল গোটা শহর।

Equador: এক সপ্তাহ আগে গুলিতে নিহত বন্ধু। তাঁর মৃতদেহ কবর থেকে তুলল বন্ধুরা। বাইকে নিথর দেহ ঘুরল গোটা শহর।

  • Share this:

    #কুইটো: বন্ধুত্ব। যা কি না রক্তের সম্পর্ক নয়। তবে এই সম্পর্ক বহু মানুষের কাছে রক্তের সম্পর্কের থেকে দামি। প্রায়শই অনেক ভিডিও এবং ফটো দেখা যায় যা বন্ধুত্বের জীবন্ত উদাহরণ স্থাপন করে। সম্প্রতি কয়েকজন বন্ধুর একটি গ্রুপের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, যুবকদের একটি দল তাদের এক বন্ধুর মৃতদেহ কবর থেকে তুলে শহরের চারপাশে শেষবারের মতো বাইকে ঘোরাচ্ছে।

    কফিন থেকে মৃতদেহ বের করা হয়েছিল-

    এরিক সেডেনো নামে সেই যুবকের দেহ কবর থেকে তোলা হয়েছিল। এরিকে এক বন্ধু দাবি করেছেন, তাঁরা প্রিয় বন্ধুর মৃতদেহ কবর থেকে তোলার জন্য তাঁর বাবা-মায়ের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন। ইকুয়েডরের এক জায়গায় বন্ধুর শেষকৃত্য এভাবেই হয়।

    আরও পড়ুন- বিমানে শার্ট তুলে পোষ্য বিড়ালকে স্তন্যদান মহিলার, কাণ্ড দেখে শোরগোল!

    বাইকে চাপিয়ে ঘোরালেন প্রিয় বন্ধুকে-

    এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন জন যুবককে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে শহরে ঘুরে বেড়াতে দেখা গিয়েছে। অবাক করার মতো ব্যাপার, সেই বাইকে দুই বন্ধুর মাঝে ছিল একটি প্রাণহীন দেহ। বন্ধুদের সেই দল এমনভাবে বাইক চালাচ্ছে যেন মাঝের বন্ধু এখনও বেঁচে আছে। এভাবেই তো তাঁরা প্রায় ঘুরে বেড়াতেন শহরের অলিগলিতে। মাঝেমধ্যে তাঁরা দুহাত মেলে দিচ্ছেন।

    এভাবেই বন্ধুকে শেষ বিদায় জানানো হল-

    ডেইলি স্টার-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুবকদের দলটি প্রিয় বন্ধুকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছিল। আর বন্ধুর শেষ ইচ্ছা ছিল, মৃত্যুর পর তাঁকে যেন বন্ধুরা একবার অন্তত বাইকে করে শহর ঘোরায়। তাই প্রিয় বন্ধুকে শেষ বিদায় জানাতে চেয়েছিল তাঁরা। গত সপ্তাহে মারা যান এরিক। প্রিয়জনের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যাওয়ার সময় কেউ তাঁকে গুলি করে। তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর।

    আরও পড়ুন- ভিসা আবেদনকারীর সঙ্গে অমানবিক ব্যবহার! ভারতীয় কনস্যুলেট অফিসারের ভিডিও ভাইরাল

    ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোতে এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল বলে পুলিশ জানিয়েছে। অস্বাভাবিক এবং ভুল পদ্ধতি বলে ব্যাখ্যা করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ বন্ধুদের গ্রুপের কাউকে আটক করেনি বা ঘটনার কোনো তদন্তও শুরু করেনি। কারণ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হয় এবং কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়েরও যায়নি।

    কফিন থেকে মৃতদেহ সরানোর রীতি-

    উল্লেখ্য বিশ্বের কিছু দেশে মৃত আত্মীয় এবং বন্ধুদের যত্ন নেওয়ার জন্য মৃতদের কফিন থেকে বের করার প্রথা রয়েছে। দক্ষিণ সুলাওয়েসির উচ্চভূমিতে অবস্থিত তোরাজার নিয়ম, বছরে একবার মৃত আত্মীয় এবং বন্ধুদের মৃতদেহ কবর থেকে তুলে বার্ষিক উৎসবে শামিল করা। এমনকি শিশুদের মৃতদেহও তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান উদযাপনের মাধ্যমে কবর থেকে তোলা হয়।

    Published by:Suman Majumder
    First published: