• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • Rare Corpse Flower: দুর্গন্ধে অবিকল পচা দেহ, ইতিহাসে তৃতীয় বারের জন্য ইউরোপে ফুটল ‘শবফুল’

Rare Corpse Flower: দুর্গন্ধে অবিকল পচা দেহ, ইতিহাসে তৃতীয় বারের জন্য ইউরোপে ফুটল ‘শবফুল’

পোশাকি নাম ‘কর্পস ফ্লাওয়ার’

পোশাকি নাম ‘কর্পস ফ্লাওয়ার’

পোশাকি নাম ‘কর্পস ফ্লাওয়ার’ (Corpse Flower) বা ‘শবফুল’৷ এই ফুলের গন্ধ পচা মানবদেহের মতো৷ কিন্তু তার পরও হাজার হাজার মানুষ এক বার তার কাছে যেতে চায়৷

  • Share this:

    সুবাস নয়, এ ফুলের পরিচিতি তার দুর্গন্ধের জন্য ৷ এর পোশাকি নাম ‘কর্পস ফ্লাওয়ার’ (Corpse Flower) বা ‘শবফুল’৷ এই ফুলের গন্ধ পচা মানবদেহের মতো৷ কিন্তু তার পরও হাজার হাজার মানুষ এক বার তার কাছে যেতে চায়৷

    আকার ও আকৃতির জন্য এই ফুলের আর এক নাম ‘পেনিস প্ল্যান্ট’ (Penis Plant)৷ প্রস্ফুটিত এই ফুলের দিকে তাকালে এক ঝলকে মনে হয় পুরুষাঙ্গের কথা৷ এই ফুল খুবই বিরল৷ সম্প্রতি এটি ইউরোপে (Europe)  ফুটেছে৷ ইতিহাসে তৃতীয় বারের জন্য ৷

    আরও পড়ুন : কোটিপতির ২৪ বছরের স্ত্রী আজ ২১ সন্তানের মা! রাশিয়ায় জোর চাঞ্চল্য

    বটানিস্টদের কাছে এই ফুলের পরিচয় ‘অ্যামোরফোফ্যালাস ডেকাস সিলভা’৷ এর গন্ধ অত্যন্ত উগ্র ও তীব্র৷ মনে হয় যেন অসংখ্য পচাগলা মৃতদেহ থেকে দুর্গন্ধ বার হচ্ছে৷

    এই পচা গন্ধে আকৃষ্ট হয় অসংখ্য মাছি ও অন্যান্য কীটপতঙ্গ৷ এই ফুলের আকৃতি বিশাল৷ ফুলের ‘ফ্যালিক’ অংশ উচ্চতায় ৬ ফিট অবধি পৌঁছতে পারে৷ বড় হওয়ার জন্য ফুলের দরকার হয় তীব্র গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়া৷

    আরও পড়ুন : এ যেন ‘পায়ে পড়ি বাঘ মামা’-র আধুনিক ভার্সন! ১১ Tiger-র দলের সামনে দাঁড়িয়ে প্রৌঢ়

    ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ এই ফুলের আদি বাসভূমি৷ প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রাকৃতিক উপায়ে এই ফুল ফুটতে সময় নেয় সাত বছর ৷ তাই ইউরোপের মাটিতে এই ফুল ফুটলে তাকে বিরল ঘটনা হিসেবেই ধরা হয়৷

    আরও পড়ুন : ১৯টি গাড়ি বোঝাই ফেরি ডুবে গেল পদ্মায়! প্রবল উৎকণ্ঠা বাংলাদেশে

    নেদারল্যান্ডসের লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বটানিক্যাল গার্ডেন ইনস্টাগ্রামে পেনিস প্ল্যান্টের ছবি পোস্ট করেছে৷ সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘‘ফুলটি সম্পূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়েছে৷ সঙ্গে হাজির এর গন্ধও!’’ এ বারও প্রচুর দর্শনার্থী এই ফুল দেখতে জড়ো হবেন বলে মনে করা হচ্ছে৷ এর আগে শেষ বার ইউরোপে এই ফুল ফুটেছিল ১৯৯৭ সালে৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: