• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • China: চিনের অত্যাচার! করোনা আক্রান্ত সন্দেহ হলেই বন্দি ছোট্ট খাঁচায়, দেখুন ভয়ানক ভিডিও

China: চিনের অত্যাচার! করোনা আক্রান্ত সন্দেহ হলেই বন্দি ছোট্ট খাঁচায়, দেখুন ভয়ানক ভিডিও

ছবি: ট্যুইটার

ছবি: ট্যুইটার

China: চিন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে জিরো কোভিড পলিসি। অর্থাৎ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে বধ্যপরিকর বেজিং। সামনেই রয়েছে শীতকালীন ওলিম্পিক্স। তার আগে সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত রুখতেই এই ব্যবস্থা।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: যেন তৈরি করা হয়েছে শরণার্থী শিবির। সেখানে খাঁচায় বন্দি থাকার মতোই বন্দি হয়ে রয়েছেন সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্তরা (Suspected Covid 19 Patients)। বড় বড় বাসে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেই চিনের (China) কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। সেকানে সার দিতে তৈরি হয়েছে বাক্সের মতো দেখতে একের পর এক কোয়ারেন্টিন সেন্টার। সেই সেন্টারে ছোট্ট জানলা। সন্দেহভাজন আক্রান্তকে ভিতরে পুরে দেওয়া হচ্ছে। দেখলে মনে হবে কোনও হলিউডের সিনেমা চলছে, যা অবাক করবে সকলকে। করোনা সংক্রমণ রুখতে যে কড়া আইন চালু করেছে চিন, এ তার মধ্যেই একটি আইন।

    আরও পড়ুন: একদিনেই ৫০ হাজার করোনা পরীক্ষা, নজির গড়ল ডায়মন্ড হারবার! নতুন লক্ষ্য ঘোষণা অভিষেকের

    চিন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে জিরো কোভিড পলিসি। অর্থাৎ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে বধ্যপরিকর বেজিং। সামনেই রয়েছে শীতকালীন ওলিম্পিক্স। তার আগে সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত রুখতেই এই ব্যবস্থা। সূত্রের খবর, মূলত গর্ভবতী মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই বাস্কের ভিতর। এই বাক্স একটি ছোট ঘরের মতো। এখানে রয়েছে একটি কাঠের বিছানা, একটি শৌচাগার।

    করোনা সন্দেহভাজনদের এখানে থাকতে হচ্ছে কম করে দু'সপ্তাহ। একটি এলাকায় যদি একজনও করোনা আক্রান্ত হন, তাহলে বাকি সকলকেই পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই বাক্সের বন্দি জীবনে। অনেকেই বলেছেন, মাঝরাতে, একটি সরকারি গাড়ি আসছে, এসে তুলে নিয়ে যাচ্ছে তাঁদের। বাড়ি ছেড়ে তখন চলে যেতে হচ্ছে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে।

    আরও পড়ুন:  'এ বছর বেশি হইহুল্লোড় করবেন না', গঙ্গাসাগরের পুণ্যার্থীদের আবেদন মমতার

    চিনে সরকারি অ্যাপ তৈরি হয়েছে, যার মাধ্যমে দ্রুত করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে, পাশাপাশি তাদের এলাকায় কে-কোথায় আছে, তাও দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ২ কোটির বেশি মানুষ তাঁদের ঘরে বন্দি হয়ে আছেন বলে খবর। বাড়ির বাইরে বেরিয়ে খাবার কেনাও তাঁদের জন্য বারণ। কয়েকদিন আগেই খবর এসেছিল, এক গর্ভবতী মহিলার গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে লকডাউনে চিকিৎসা পরিষেবা ঠিক মতো না পাওয়ার জন্য। তার পরেই চীনেপর এই অতিরিক্ত কড়া মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে আন্তর্জাতিক মহলে। চিনে আপাতত সমস্ত হাই-রিস্ক কন্টাক্টদের বাড়ি বা হোটেলে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে, তাঁদের জিনিসপত্র কিনতে যেতেও বাইরে যেতে দেওযা হচ্ছে না।

    Published by:Uddalak B
    First published: