Home /News /international /
Mask Rule: স্রেফ একজনের মাস্কে অনীহা, ১২৯ যাত্রীকে ফেরত নিয়ে এল বিমান

Mask Rule: স্রেফ একজনের মাস্কে অনীহা, ১২৯ যাত্রীকে ফেরত নিয়ে এল বিমান

১৫০-র বেশি এমন কেস সামনে এসেছে, যেখানে বিমানের যাত্রীরা করোনার নিয়ম পালন করতে চাইছে না।

  • Share this:

#মিয়ামি: মিয়ামি (Miami) থেকে লন্ডন (London) যাওয়া আমেরিকান এয়ারলাইনের একটি বিমানে মাস্ক নিয়ে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে (Mask Rule)। সেই বিমানে এক যাত্রী মাস্ক না পরতে চাওয়ায়, সেই বিমান আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মিয়ামিতে। সেই মহিলার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বিমানযাত্রার ওপরে। পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়া অবধি সেই মহিলা কোনও বিমানে যাত্রা করতে পারবে না। ২০২২ সালের প্রথম দুই সপ্তাহেই প্রায় ১৫০-র বেশি এমন কেস সামনে এসেছে, যেখানে বিমানের যাত্রীরা করোনার নিয়ম পালন করতে চাইছে না (Mask Rule)। তারা সকলেই অমান্য করেছে করোনার বিধি-নিষেধ।

আরও পড়ুন: বাড়িতে ডেকে এনে ৮ লক্ষ টাকা ছিনতাই করল মহিলা, পরের আচরণ আরও অদ্ভুত!

বিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী আমেরিকান এয়ারলাইনস জানিয়েছে যে, ফ্লাইট এএএল৩৮-এ (AAL38) মোট ১২৯ যাত্রী ছিল। সেই ফ্লাইটকে পুনরায় মিয়ামিতে ফেরত আসতে হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী মিয়ামিতে আমেরিকান এয়ারলাইনসের সেই ফ্লাইট ল্যান্ড করার পরে, পুলিশ সেই মহিলাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। বলা হচ্ছে সেই মহিলার বয়স প্রায় ৪০ বছরের কাছাকাছি। আমেরিকান এয়ারলাইনস অন্যান্য যাত্রীদের অসুবিধার জন্য সকলের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার। এর পর বৃহস্পতিবার সেই ফ্লাইটের যাত্রীদের ফ্লাইট বুকিং করা হয়েছে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য।

আরও পড়ুন: জলের দরে বিকিয়ে যাচ্ছে কোটি টাকার স্বপ্নের বাড়ি! রহস্য জেনে হতবাক সকলে...

সিএনবিসি এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই ঘটনার পরে আমেরিকান এয়ারলাইন্স একটি বয়ান জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে তাদের ফ্লাইট ফেরত আনা হয়েছে এক যাত্রী বিমানের মধ্যে মাস্ক পরতে না চাওয়ায়। এর পর সেই ফ্লাইট সুরক্ষিত ভাবে মিয়ামিতে ল্যান্ড করানো হয়। এরপরেই সেখানকার পুলিশ বিমানে চলে আসে। এমন একটি অপ্রীতিকর ঘটনা সুন্দরভাবে সামলানোর জন্য বিমানের ক্রু মেম্বারদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে এবং যাত্রীদের অসুবিধার জন্য তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে।

ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী আগের বছর অনিয়ন্ত্রিত যাত্রীদের সঙ্গে জড়িত প্রায় ৬ হাজার কেস সামনে এসেছিল। ২০২২ সালের প্রথম দুই সপ্তাহেই এই সংখ্যা ১৫১ হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ কেসই হল বিমানের যাত্রীরা মাস্ক পরতে চাইছে না। এর মধ্যে আবার কয়েকটি ক্ষেত্রে বিমানের যাত্রীরা বিমানের ক্রু মেম্বারদের সঙ্গে মারামারি পর্যন্ত করেছে। অক্টোবর মাসে এক বিমান যাত্রী এমন হামলা চালায় যে, সেই বিমানের ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এমন অনেক বিমানযাত্রী রয়েছে যারা প্রতি নিয়ত অমান্য করে চলেছে করোনার গাইডলাইন। এর ফলে প্রতি মুহূর্তে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে এয়ারলাইনস কোম্পানিগুলোকে। কয়েকজন যাত্রীর জন্য সমস্যায় পড়ছে বিমানের অন্যান্য যাত্রীরাও।

First published:

Tags: Face mask, Flight

পরবর্তী খবর