• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • Kali Puja 2021 Connecticut: 'দক্ষিণেশ্বর মন্দির' কানেটিকাটের মাটিতে? ১২ বছরে পা দিল প্রবাসীদের এই NASKA কালীপুজো...

Kali Puja 2021 Connecticut: 'দক্ষিণেশ্বর মন্দির' কানেটিকাটের মাটিতে? ১২ বছরে পা দিল প্রবাসীদের এই NASKA কালীপুজো...

প্রবাসী বাঙালি মেতে ওঠেন প্রাণের পুজোয়

প্রবাসী বাঙালি মেতে ওঠেন প্রাণের পুজোয়

Kali Puja 2021 Connecticut: প্রতিবারের মতো এই বছরও কোভিড বিধি মেনে কালীপুজোর আয়োজন করেছিল NASKA। সেখানেই এসে জড়ো হয়েছিলেন আশেপাশের দুই বাংলার মানুষ।

  • Share this:

#কানেটিকাট: দীপাবলি উদযাপনে মেতেছিল নর্থ আমেরিকা সার্বজনীন  NASKA কালীপূজা (Kali Puja 2021 Connecticut)। কানেটিকাটের এই পুজোর নয় নয় করে আজ বেশ পুরোনো। ২০১০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই পুজো আজ বারো বছরে পা দিয়েছে। একটু একটু করে বেড়েছে চাকচিক্য। বেড়েছে জড়িয়ে থাকা মানুষের সংখ্যা। ক্রমশ ডাল-পালা মেলে নর্থ আমেরিকার এই পুজো এখন এখানকার বাঙালির প্রাণের পুজো।

প্রতিবারের মতো এই বছরও কোভিড বিধি মেনে কালীপুজোর  (Kali Puja 2021 Connecticut) আগের সপ্তাহশেষে কালীপুজোর আয়োজন করেছিল NASKA। ৩০ অক্টবর অনুষ্ঠিত হয় কালীপুজো (Kali Puja 2021 Connecticut)। আর সেখানেই এসে জড়ো হয়েছিলেন আশেপাশের দুই বাংলার মানুষ।

আরও পড়ুন: গোটা দেশের একমাত্র কালীপুজো, কামাল করছেন জাকার্তার বাঙালিরা 

প্যান্ডেমিক আবহে এবছর দর্শনার্থী সংখ্যা ছিল সীমিত। করোনা পরিস্থিতিতে যাবতীয় কোভিড প্রটোকল মেনেই কালীপুজোর  (Kali Puja 2021 Connecticut) আয়োজন করা হয় এবারেও। পুজোর অনুষ্ঠানে আসতে চাওয়া দর্শনার্থীদের সকলের কাছেই আবেদন রাখা হয়েছিল যাতে ভ্যাক্সিনেশন নিয়েই তাঁরা পুজোর (Kali Puja 2021 Connecticut) অনুষ্ঠানে আসেন। সেভাবেই সকলেই এসেছিলেন এই উৎসব প্রাঙ্গনে।

নিষ্ঠাভরে কালী মায়ের আরাধনা, পুজোর  (Kali Puja 2021 Connecticut) আয়োজন ইত্যাদির পাশাপাশি প্রতি বছর এদের অন্যতম আকর্ষণ থাকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আসেন কলকাতা-মুম্বই এর খ্যাতনামা শিল্পীরাও। এখানকার স্থানীয় বাঙালিরাও হই হই করে রিহার্সাল করেন, নাচ-গান-নাটকের। কিন্তু এই বছরটা অন্যরকম। মারণ ভাইরাসের আতঙ্ক এখনও ছেয়ে রয়েছে মানুষের মনে। তাই এবছর অতিমারী আবহে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রেখেছে NASKA কালীপূজার আয়োজকরা।

তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না হলে নিষ্ঠার সঙ্গে মাতৃ আরাধনায় কোনও ফাঁক ছিল না এবারেও। দক্ষিনেশ্বর মন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপই ছিল এই বছরের প্রধান আকর্ষণ। পুজো শেষে ভোগ বিতরণ করা হয় আগত মানুষ-জনের মধ্যে। এর পাশাপাশি হাজির দর্শনার্থীদের সকলের জন্য প্যাকেটে খাওয়ার দেওয়ার বন্দোবস্ত করাও হয়েছিল প্রতিবারের মতো।

এভাবেই গঙ্গা-পদ্মার মিলনস্থল হয়ে ওঠে এই পুজো এভাবেই গঙ্গা-পদ্মার মিলনস্থল হয়ে ওঠে এই পুজো

এই বছর করোনা পরিস্থিতিতে কলকাতা ও মুম্বই থেকে কোনও শিল্পীকে আনা না হলেই আশেপাশের দুই বাংলার বাঙালিদের সমাগমে বাংলা ও বাঙালির এক মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছিল এই পুজো প্রাঙ্গন। অন্যতম সদস্য ধ্রুৱজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় জানালেন, "সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান না হলেও গত বছর ভার্চুয়াল মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল NASKA। আগামী দিনে পরিস্থিতি দেখেই সেরকম কিছু করার পরিকল্পনাও রয়েছে।"

প্রতিবছর পুজোর বেশ কিছুদিন আগে থেকেই NASKA কমিটি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করে পুজোর দিন-ক্ষণ, পুজো প্রাঙ্গন ও নিয়মাবলী। এবারেও পর পর প্রতি সপ্তাহে আলোচনা করে পুজো সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পুজোর সমস্ত কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে লক্ষ্য কমিটিতে সদস্যদের।

এতদিন ধরে পুরোনো প্রতিমাতেই পুজো হয়ে আসছে। এই বছর নিয়ে ১২ বছর একই প্রতিমায় মায়ের আরাধনায় নিয়োজিত হয়েছিল NASKA। পুজো শেষে বিসর্জন নয় মায়ের। মূর্তি রাখা হয় ওয়েদার কন্ট্রোলড স্টোরেজ-এ। অপেক্ষা থাকে আরও একবছরের। প্রবাসী বাঙালিদের মনেও বাজে সেই এক সুর 'আসছে বছর আবার হবে।'

প্রতিবেদন সূত্র : ধ্রুৱজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: