হোম /খবর /বিদেশ /
নিয়ম ভেঙে ওয়াকি টকি আমদানি, সু চির ১৪ দিনের রিমান্ড নির্দেশ আদালতের

নিয়ম ভেঙে ওয়াকি টকি আমদানি, সু চির ১৪ দিনের রিমান্ড নির্দেশ আদালতের

আদালত রায় দিল তাঁকে চোদ্দো দিন রিমান্ডে নেওয়ার। অর্থাৎ আগামী পনেরো ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে পুলিশ photo/the mint

আদালত রায় দিল তাঁকে চোদ্দো দিন রিমান্ডে নেওয়ার। অর্থাৎ আগামী পনেরো ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে পুলিশ photo/the mint

দেশের সর্বোচ্চ নেত্রী সান সু চিকে বাড়িতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল আগেই। এবার আদালত রায় দিল তাঁকে চোদ্দো দিন রিমান্ডে নেওয়ার। অর্থাৎ আগামী পনেরো ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে পুলিশ।

  • Last Updated :
  • Share this:

#ইয়াঙ্গুন: ক্রমশ জটিল হচ্ছে মায়ানমারের পরিস্থিতি। দেশের সর্বোচ্চ নেত্রী সান সু চিকে বাড়িতেই গ্রেফতার করা হয়েছিল আগেই। এবার আদালত রায় দিল তাঁকে চোদ্দো দিন রিমান্ডে নেওয়ার। অর্থাৎ আগামী পনেরো ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে পুলিশ। দীর্ঘদিন মায়ানমারে সেনা শাসন ছিল। ২০১১ সালে গণতন্ত্র ফেরে দেশে। সু চি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান। কিন্তু তারপর রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশের সেনাবাহিনীর কার্যকলাপের কোনও প্রতিবাদ জানাননি তিনি। উল্টে সেনার পক্ষে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে। এদিকে সেনা অভ্যুত্থানের তৃতীয় দিনে গতকাল বুধবার থেকে মিয়ানমারের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। সেনা শাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগের ডাক দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জান্তা সরকারের জন্য কাজ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নাকি দেশের আইন ভেঙে আমদানি, রফতানি করেছেন। পুলিশ প্রচুর পরিমাণে ওয়াকি টকি উদ্ধার করেছে নেপি ডোর বাসভবন থেকে। প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনে তাঁকেও দুই সপ্তাহের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। পুলিশ বলছে, করোনা মহামারির সময় নিষেধাজ্ঞা ভেঙে জনসমাগম করেছেন তিনি। তবে দেশের অধিকাংশ সাধারণ মানুষ এই যুক্তি মানতে রাজি নন।

বিশাল সংখ্যায় সরকারি কর্মী, চিকিৎসক এবং নার্স পথে নেমেছেন। প্রতিবাদ হিসেবে হাতে লাল রিবন পরে কাজ করছেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়াতেও মায়ানমার সেনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা সদস্যের একটি জরুরি সভা হয়েছিল দুদিন আগেই মায়ানমার পরিস্থিতি নিয়ে। তবে তারপর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আমেরিকার পাশাপাশি কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিটেন, ইতালির মত বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলো সু চি -র মুক্তি দাবি করেছে। সেনাবাহিনীর প্রতি তাঁদের উপদেশ দেশে গণতন্ত্র এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনুন।

Published by:Rohan Chowdhury
First published:

Tags: Myanmar Army