Bangladesh News: দিনে একটা ভালো কাজ করলেই বিনামূল্যে ভরপেট খাবার ! নতুন পথ দেখাচ্ছে ঢাকার হোটেল

photo source Facebook

Bangladesh News:অভাবের কারণে বিপথে চলে যাওয়া প্রান্তিক মানুষের পেটে একবেলার ভাত যোগাতে রাস্তার ধারে তৈরি হয়েছে হোটেল। 'ভালো কাজের হোটেল'-এ নেই কোনও ক্যাশ কাউন্টার। দুপুর হলেই সেখানে মানুষ এসে ভিড় করেন।

  • Share this:

    #ঢাকা: করোনা, লকডাউন, সংসারে অভাব। এসব নানা কারণে সমাজে প্রতিদিন বেড়ে চলছে অসামাজিক কাজকর্ম। মানুষ অভাবের তারনায় ভুলতে বসেছে সব কিছুই। পেটে ভাত না থাকলে কি আর খারাপ ভালো বোধ থাকে? থাকে না। তখন জীবন চালানোর জন্য বেড়ে চুরি, ছিনতাই, খুন ডাকাতি আরও অনেক কিছু। মানুষ যাতে এই পরিস্থিতি অসামাজিক কাজ না করে তার জন্য এগিয়ে এল, বাংলাদেশের এক সংস্থা। বাংলাদেশের 'ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ' নামের এই গোষ্ঠী অসামাজিক কাজ আটাকাতে দারুণ এক পদক্ষেপ নিয়েছে।

    অভাবের কারণে বিপথে চলে যাওয়া প্রান্তিক মানুষের পেটে একবেলার ভাত যোগাতে রাস্তার ধারে তৈরি হয়েছে হোটেল। এই হোটেলে নেই কোনও ক্যাশ কাউন্টার। দুপুর হলেই সেখানে মানুষ এসে ভিড় করেন। সেখানে এক স্বেচ্ছাসেবক কাগজ-কলম হাতে এগিয়ে যান ফুটপাতে বসে থাকা মানুষদের দিকে। তারপর সবাইকে জিজ্ঞেস করেন দুটি প্রশ্ন। “আপনার নাম কী?” এবং “আপনি কি আজ কোনো ভালো কাজ করেছেন?” আর তারপরেই প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হবে খাবারের প্যাকেট। আজব এই হোটেলের নাম "ভালো কাজের হোটেল" ।

    সারাদিনে একটি ভালো কাজ করলেই এখানে বিনামূল্যে খাবার পাওয়া যায়। যেমন কেউ এক অন্ধ মানুষকে রাস্তা পারাপারে সাহায্য করেছেন অথবা কোনো রিক্সাচালক অসুস্থ অসহায় যাত্রীকে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন বিনামূল্যে। কেউ আবার দুর্ঘটনার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন রাস্তার কোনো কুকুর শাবককে। কোনও কাজ ভালো বা কোন কাজ ভালো নয়,তার বিচার করার জন্য নেই কেউ। মানুষ নিজে তাঁর কোনো একটি কাজকে ভালো কাজ মনে করলেই হল। আর যদি কেউ সারাদিনে একটিও ভালো কাজ না করতে পারেন,তাহলেও অবশ্য তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। বিনামূল্যের এই হোটেলেও আছে ধার-বাকির ব্যবস্থা,পরের দিন একসঙ্গে দুটি ভালো কাজ করলেই হবে।

    এই হোটেলটি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের কমলাপুর রেল স্টেশনের কাছে। প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে আসছেন। এবং সকলে সারাদিনে কম করে একটি ভালো কাজ করছেন। এবং সেই কাজের বিবরণ দিলেই মিলছে ভরপেট খাবার। এই করোনা আকালে এই পদক্ষেপ সত্যিই প্রশংসার। বহু মানুষ প্রংশংসা করেছেন এই উদ্যোগের।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: