corona virus btn
corona virus btn
Loading

'তিস্তার পানিই চাই', দেশের ফিরে প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার

'তিস্তার পানিই চাই', দেশের ফিরে প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার

তোর্সা বা অন্য নদী নয়। তিস্তার পানিই চায় বাংলাদেশ। দেশে ফিরে তিস্তা ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • Share this:

#ঢাকা: তোর্সা বা অন্য নদী নয়। তিস্তার পানিই চায় বাংলাদেশ। দেশে ফিরে তিস্তা ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিকে তিস্তা নিয়ে অনড় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমেই তিস্তা-জট ছাড়াতে দায় দিল্লি ও ঢাকা।

রুখাসুখা তিস্তার বদলে তোর্সাসহ কয়েকটি নদীর জল ভাগাভাগির প্রস্তাব দেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার হায়দরাবাদ হাউজে মধ্যাহ্নভোজ এবং রাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে দু'দেশের সরকারকে এই প্রস্তাব দেন মমতা। জল ভাগাভাগি নিয়ে সমীক্ষা করতে, কমিটি গড়ারও প্রস্তাব দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

শেখ হাসিনার সফরেই দু'দেশের প্রধানমন্ত্রীর সামনে বিকল্প প্রস্তাব রেখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছিল রাজনৈতিক মহল। কিন্তু ঘরোয়া রাজনীতির বাধ্যবাধকতায় সেই প্রস্তাব মেনে নেওয়া সম্ভব নয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তাই মঙ্গলবার ঢাকায় হাসিনা কার্যত স্পষ্ট করে দিলেন, তোর্সা বা অন্য নদী নয়। তিস্তার পানিই চায় বাংলাদেশ। এমনকি তিনি বলেন, তিস্তার জল আসবেই, সেই জল কেউ আটকে রাখতে পারবে না ।

 জলবণ্টন ইস্যুতে মমতার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে, তিনিও পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি বলেন, তোর্ষা বা অন্যান্য নদীর জল ভাগ না করে, বরং সেই নদীগুলির জল তিস্তায় নিয়ে যাওয়া হোক ৷ তারপর সেখান থেকে বাংলাদেশকে জল দিক বাংলা ৷

 ঘরোয়া রাজনীতি ও কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের প্রশ্নে অনড় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিতে যে আপত্তি নেই, তা বহুবার বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাজ্যের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে কোনও ধরনের চুক্তি করতে, কোনওদিনই রাজি ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী। মূলত তাঁর আপত্তিতেই আটকে রয়েছে বহু আলোচিত তিস্তা-চুক্তি।

ছয় বছর ধরে ঝুলে রয়েছে তিস্তা জলবন্টন চুক্তি। চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় বাংলাদেশে ক্রমেই তীব্র হচ্ছে হাসিনা বিরোধিতা। তিস্তা সমাধান না হলে ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে হাসিনা প্রশাসনের। এবারের ভারত সফরেও তিস্তা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিস্তার বদলে তোর্সা-সহ একাধিক বিকল্প নদীর প্রস্তাব দিয়েছেন মমতা। কিন্তু, সেই বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে তেমন উৎসাহী যে বাংলাদেশ নয়, সে কথা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

 দুই নেত্রীর অনড় অবস্থান সত্ত্বেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি চায় না দিল্লি ও ঢাকা। তাই হাসিনা যেমন মমতার বিদ্যুৎ বিক্রির প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন, তেমনি মুখ্যমন্ত্রীও বাংলাদেশকে জল দেওয়ার প্রশ্নে নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যেই তিস্তার জট ছাড়াতে চায় দুই প্রতিবেশী।

First published: April 12, 2017, 8:19 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर