• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • AFGHANISTAN PANJSHIR TALIBAN HAVE STOPPED FOOD SITUATION DIRE TWEETED AMRULLAH SALEH SANJ

Afghanistan Panjshir : বিপন্ন জনজীবন! খাবার-জ্বালানি প্রবেশে বাধা তালিবানদের : আমরুল্লাহ সালেহ

সাঁড়াশি চাপে পঞ্জশির

Afghanistan Panjshir : পঞ্জশিরের প্রবেশপথ আনদারাব উপত্যকা (Andarab Valley) দখলে মরিয়া তালিবান গোষ্ঠী৷

  • Share this:

    #কাবুল : খাবার, জ্বালানি ঢুকতে দিচ্ছে না তালিবানরা৷ একটি ট্যুইট বার্তায় জানালেন আফগানিস্তানের বর্তমান স্বঘোষিত কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ (Acting President Amrullah Saleh) ৷ উত্তর বাঘলান প্রদেশের (Northern Baghlan Province) পঞ্জশিরের (Panjshir) প্রবেশপথ আনদারাব উপত্যকা (Andarab Valley) দখলে মরিয়া তালিবান গোষ্ঠী৷ এখানে তালিবানের বিরুদ্ধে আহমদ মাসুদের (Ahmad Massoud) নেতৃত্বে প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে উঠেছে৷ রয়েছেন "অ্যাক্টিং" প্রেসিডন্টে আমরুল্লাহও৷

    আফগানিস্তানের এই প্রদেশটিকে এখনও পর্যন্ত কব্জা করতে পারেনি তালিবান গোষ্ঠী ৷ প্রয়াত তালিবান-বিরোধী মুজাহিদিন নেতা আহমদ শাহ মাসুদের (Ahmad Shah Massoud) ছেলে আহমদ মাসুদ এখন তালিবানদের ঠেকাতে নিজস্ব বাহিনী তৈরি করেছেন ৷ তবে সেখানকার বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ ৷ সেই সঙ্কটজনক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আমরুল্লাহ একটি ট্যুইট করে লেখেন, "আনদারাব উপত্যকায় তালিবানরা খাবার আর জ্বালানি ঢুকতে বাধা দিচ্ছে ৷ এখানকার মানুষ চরম দুরবস্থায় রয়েছেন ৷ হাজার হাজার মহিলা আর শিশু পাহাড়ে পালিয়ে গিয়েছে ৷ গত দু'দিন ধরে তালিবানরা শিশু আর প্রাপ্তবয়স্কদের অপহরণ করে তাদের প্রতিটি বাড়ির দরজায় তল্লাশি চালানোর কাজে নিযুক্ত করেছে৷"

    এর আগে অবশ্য সালেহ তালিবানদের পঞ্জশির প্রবেশে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন৷ রবিবার সালেহ একটি ট্যুইটে লেখেন, "পঞ্জশিরের প্রবেশপথ আনদারাব উপত্যকার জঙ্গলে তালিবানরা বিশাল বাহিনী নিয়ে আটকে রয়েছে ৷ ইতিমধ্যে প্রতিরোধ বাহিনী সালাং হাইওয়ে বন্ধ করে দিয়েছে ৷" তালিবানদের উদ্দেশে বার্তা দেন, "এই উপত্যকা এড়িয়ে যেতে হবে, তোমাদের দেখে নেব৷"

    অন্য দিকে রাষ্ট্রপুঞ্জের (UN) মানবাধিকার সংগঠনগুলি সতর্ক করেছে যে, তারা আফগানিস্তানে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করতে পারছে না ৷ তিনি আর্জি জানিয়েছেন, এখুনি একটা "মানবিকতার উড়ান-সেতু" (Humanitarian airbridge) তৈরি করা দরকার, যাতে কোনও বাধাবিঘ্ন ছাড়া ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী ওই দেশে পাঠানো যায় ৷ হু-র (World Health Organisation) আঞ্চলিক অধিকর্তা (Regional Director) রিচার্ড ব্রেননানও (Richard Brennan) একই কথা জানিয়েছেন যে, ৫০০ টন ওষুধসামগ্রী এই সপ্তাহে দেশে পাঠানোর কথা ছিল ৷ কিন্তু সেটা সম্ভব হয়ে উঠছে না ৷

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: