corona virus btn
corona virus btn
Loading

শহরে গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রিতে সেই চিনা পণ্যের রমরমা, চিনা মালের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্ত্বেও

শহরে গাড়ির যন্ত্রাংশ বিক্রিতে সেই চিনা পণ্যের রমরমা, চিনা মালের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সত্ত্বেও

ভারত-চিনের সীমান্ত উত্তেজনায় চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মহল। রেল, টেলিকম সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোথাও চিনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি বাতিল হচ্ছে তো কোথাও চিনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার বাতিল করতে বলা হয়েছে। যদিও চাইলেই বাতিল করা যাবে এই অবস্থা এখনও বজায় নেই কলকাতার গাড়ি যন্ত্রাংশের বাজারে।

  • Share this:

#কলকাতা: ওয়েলিংটন থেকে মল্লিকবাজার, কলকাতার গাড়ি যন্ত্রাংশ মুলত বিক্রি হয় এখান থেকেই। বিভিন্ন ছোট বড় দোকান ঢুঁ মেরে দেখা গেল সব দোকানেই গাড়ি শিল্পের যন্ত্রাংশ ভারতীয় সংস্থার প্রায় নেই বললেই চলে। বেশিরভাগই চিনা যন্ত্রাংশ বিক্রি হচ্ছে কলকাতার বাজার জুড়ে।

ভারত-চিনের সীমান্ত উত্তেজনায় চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মহল। রেল, টেলিকম সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কোথাও চিনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি বাতিল হচ্ছে তো কোথাও চিনা যন্ত্রাংশ ব্যবহার বাতিল করতে বলা হয়েছে। যদিও চাইলেই বাতিল করা যাবে এই অবস্থা এখনও বজায় নেই কলকাতার গাড়ি যন্ত্রাংশের বাজারে। ফলে যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা যাবে না শুনে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের৷ গাড়ির চাকা, গিয়ার বক্স, পিস্টন, হেড লাইটের বাল্ব সবটাই চিনা সংস্থার যন্ত্রের রমরমা। এছাড়া গাড়ির অন্দরে সিট কভার, সুগন্ধি এমনকি শো-পিস সবটাই সেই চিনা সংস্থার তৈরি। ইতিউতি কথাবার্তা বলে মেড ইন ইন্ডিয়া লেখা প্যাকেট খুঁজে পাওয়া গেলেও, দোকানিরা যাচ্ছেন এর সবটাই আসলে চিন থেকে তৈরি হয়। ভারতে নিয়ে আসার পর কিছু সংস্থা প্যাকেজিং করে মেড ইন ইন্ডিয়া লিখে।

ওয়েলিংটনে দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসা করেন বিকাশ তাঁতি। তিনি জানাচ্ছেন, "আমাদের কাছে সব যন্ত্রাংশ দিল্লি আর চেন্নাই থেকে আসে। সবটাই চিন থেকে প্যাকেটজাত হয়ে এখানে আসে। আমরা বা আমাদের ক্রেতারা এই বিষয়ে কিছুই জানিনা।" ওয়েলিংটনে অন্যতম বড় দোকান বোম্বে মোটরস। তার মালিক ভিনেশ সোমিয়া। তিনি জানাচ্ছেন, "চিনা যন্ত্রাংশের যা বাজার বিশ্ব জুড়ে তাতে অন্যদের পক্ষে লড়াই করা সম্ভব নয়। কারণ সস্তা জিনিষ, প্রচুর রকমের জিনিষ৷ ফলে বাছাইয়ের কোনও জায়গাই নেই।"

আজকাল রাস্তায় অ্যাপ ক্যাবের সংখ্যা অনেক বেশি। দরকার নেভিগেশন ব্যবস্থা। সেই নেভিগেশনের সবটাই বাজার ছিনিয়ে নিয়েছে চিন। তবে টিউব হোক বা পিস্টন কিছু ভারতীয়  সংস্থা লড়াই করছে বাজার ধরতে। তবে তা নিতান্তই কম।

Published by: Pooja Basu
First published: June 21, 2020, 2:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर