Home /News /hooghly /
Hooghly: এক লক্ষ টাকা ক্রাউডফান্ডিং করে পিয়ালীর অ্যাকাউন্টে পৌছে দিলেন বাম ছাত্র যুবরা

Hooghly: এক লক্ষ টাকা ক্রাউডফান্ডিং করে পিয়ালীর অ্যাকাউন্টে পৌছে দিলেন বাম ছাত্র যুবরা

পর্বত জয়ী বঙ্গ কন্যার পর্বত আরোহণের ঋণের বোঝা কমাতে এগিয়ে এল বাম ছাত্র যুবরা। জেলায় ঘুরে ঘুরে ক্রাউড ফান্ডিং এর মাধ্যমে অল্প অল্প করে মোট এক লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে তারা পৌঁছে দিলো পিয়ালির অ্যাকাউন্টে।

  • Share this:

    হুগলীঃ পর্বত জয়ী বঙ্গ কন্যার পর্বত আরোহণের ঋণের বোঝা কমাতে এগিয়ে এল বাম ছাত্র যুবরা। জেলায় ঘুরে ঘুরে ক্রাউড ফান্ডিং এর মাধ্যমে অল্প অল্প করে মোট এক লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে তারা পৌঁছে দিলো পিয়ালির অ্যাকাউন্টে। এভারেস্ট ও লোৎসের শীর্ষে দেশের পতাকা গেরে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছে চন্দননগরের মেয়ে পিয়ালী বসাক। ধৌলাগিড়ি, মানাসুলু সহ মোট চারটে আট হাজার মিটারের শৃঙ্গে পা রাখা পিয়ালীর এভারেস্ট জয়ের শংসাপত্র পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তার মেঘ। তাই পিয়ালীর জন্য পথে নামার সিদ্ধান্ত নেয় বাম ছাত্র যুব মহিলরা। পিয়ালী এভারেস্ট জয় করে ২২ মে তার দুদিন পর লোৎসে জয়। কাটমান্ডুতে ফিরে নেপাল এজেন্সির থেকে দুই শৃঙ্গ জয়ের শংসাপত্র হাতে নেবার কথা তার। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী এখনো তার প্রায় বারো লক্ষ টাকা বাকি এজেন্সির কাছে। সেই টাকা পূরণ না করলে মিলবে না শংসাপত্র। এমন কঠিন সময়ে এগিয়ে এলো বাম ছাত্র যুবরা।

    পিয়ালীর জন্য ক্রাউড ফান্ডিং করে অর্থ সংগ্রহ করে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই, মহিলা সমিতি ও রেড ভলেন্টিয়াররা। শ্রীরামপুর সিপিআইএম জেলা অফিসে সিপিএম সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ জানান, ছাত্র যুবরা যে অর্থ সংগ্রহ করে তার সঙ্গে সিপিএম রিলিফ ফান্ড থেকে দিয়ে মোট এক লক্ষ টাকা পিয়ালীর অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যের মধ্যে সেরা পোস্টমাস্টার হলেন আরামবাগের শৈলেন ঘোষাল

    চন্দননগর রেড ভলেন্টিয়াররা আলাদা করে পঁচিশ হাজার টাকা পিয়ালীর মায়ের হাতে দিয়ে আসে। এখনো বাকি প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। পিয়ালির মা আগেই জানিয়েছিলেন বাড়ি বন্দক দেওয়ার কথা। কিন্তু যে মেয়ে বাংলার গর্ব তার পর্বত আরোহণের জন্য যদি তার বাড়ি বন্দক দিতে হয় তাহলে সেটি হবে বাঙলার মানুষের কাছে লজ্জা। এমনই মনে করছেন বাম ছাত্র যুবরা।

    আরও পড়ুনঃ সারা বাংলা বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা আয়োজিত বৈদ্যবাটির তরুণ ব্যয়াম সঙ্ঘে

    সিপিএম সম্পাদক বলেন, পিয়ালী শুধু চন্দননগর বা হুগলীর গর্ব নয় গোটা রাজ্যের গর্ব। তার এই সাফল্য অর্থের কারনে যাতে বাধা না পায় তার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। পিয়ালীর পাশে দাঁড়াতে চন্দননগর কর্পোরেশন, বিধায়ক ও জন প্রতিনিধিদের কাছেও আবেদন করেন দেবব্রত ঘোষ।

    Rahi Haldar
    First published:

    Tags: Chandannagar, Hooghly

    পরবর্তী খবর