Home /News /explained /
Russia Ukraine War: কেন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যুক্তি দিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলছেন পুতিন?

Russia Ukraine War: কেন ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের যুক্তি দিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলছেন পুতিন?

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

Russia Ukraine War: হলোকাস্ট, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং নাৎজিবাদ, ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের কারণ হিসেবে এই বিষয়গুলিই বারবার তুলে ধরছেন পুতিন।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin) ইউক্রেনের নেতৃত্বকে 'নিও-নাৎজি' (Neo-Nazis) হিসাবে তুলে ধরেছিলেন। যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) একজন ইহুদি (Jew), যিনি হলোকাস্টে (Holocaust) আত্মীয়স্বজনকে হারিয়েছেন। হলোকাস্ট, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং নাৎজিবাদ, ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের কারণ হিসেবে এই বিষয়গুলিই বারবার তুলে ধরছেন পুতিন। কিন্তু ইতিহাসবিদরা রাশিয়ান নেতার এই দাবিকে বিভ্রান্তিকর এবং একটি কার্পণ্য হিসাবে ব্য়াখ্যা করেছেন। হলোকাস্ট হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের উপর চালানো গণহত্যা। অ্যাডলফ হিটলারের (Adolf Hitler) নেতৃত্বে জার্মান নাৎজি সামরিক বাহিনী ইউরোপের তদানীন্তন ইহুদি জনগোষ্ঠীর ৬ লাখ মানুষকে হত্যা করে। সেই স্মৃতিকে দূরে সরিয়ে রেখেই ইউক্রেন ইস্যুতে মধ্যস্থতা করতে এগিয়েছিল ইজরায়েল (Israel)। কারণ এখানে ইজরায়েলের নিজস্ব নিরাপত্তার বিষয়টিও রয়েছে।

রাশিয়া সংজ্ঞায়িত যুদ্ধ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের (Soviet Union) আনুমানিক ২৭ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এটি রাশিয়ার জাতীয় পরিচয়ের একটি অপরিহার্য অঙ্গ। আজকের রাশিয়ার কর্তারা ইউএসএসআর (USSR) এর ভূমিকা সম্পর্কে যে কোনও প্রশ্নে গর্ব বোধ করেন। যদিও কয়েকজন ঐতিহাসিক বলছেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কয়েকটি ঐতিহাসিক সত্যগুলি পুনর্বিবেচনার জন্য রাশিয়ার একটি প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। তাঁরা বলেছেন যে নাৎজিদের পরাজিত করার জন্য সোভিয়েতের ভূমিকা আরও বেশি করে দেখানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়া। সোভিয়েতের ভূমিকাটিকে মহিমান্বিত করার চেষ্টা করছে।

তাই ইউক্রেন সামরিক অভিযানের সঙ্গে রাশিয়া নাৎজিবাদকে মিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, বিশেষ করে ২০১৪ সালের পর থেকে, যখন ইউক্রেনের রাশিয়াপন্থীদের ক্ষমতা চলে যায়।

১৯৪১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে থাকার সময়ে নাৎজি জার্মানি (Nazi Germany) ইউক্রেন দখল করে নেয়। সেই সময় কিছু ইউক্রেনীয় জাতীয়তাবাদীরা নাৎজি দখলদারদের স্বাগত জানিয়েছিলেন। এখানে সোভিয়েতের বিরোধিতা কারণ ছিল। ২০১৪ সাল থেকে ইউক্রেনের রাজনীতিবিদদের একটা অংশ সোভিয়েত শাসনের সময়কার জাতীয়তাবাদী যোদ্ধাদের গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করেছে। ইউক্রেনে বসবাসকারী ইহুদি ও পোলিশদের উপরে অত্যাচারের বিষয়টির পরিবর্তে তারা সোভিয়েত শাসনের বিরোধিতার দিকে মনোনিবেশ করেছে।

কিন্তু ইউক্রেনের বর্তমান সরকারকে নাৎজি স্টেট বলে দাগিয়ে দেওয়া রাশিয়ার রাজনীতির বাস্তবতা প্রতিফলিত করে না। কারণ ইহুদি জেলেনস্কি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছিলেন। দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য অনেক ইউক্রেনীয়দের লক্ষ্য হল দুর্নীতি হ্রাস এবং পশ্চিমের কাছাকাছি যাওয়া।

জেরুজালেমের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jerusalem’s Hebrew University) ইতিহাস অধ্যাপক জনাথন দেকেল চেন বলেন, "নাৎজিবাদের কোনও কিছুর বৈশিষ্ট্যই ইউক্রেনে নেই। আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, রাষ্ট্র-স্পনসর সন্ত্রাসবাদ, কুসংস্কার, একনায়কতন্ত্র, কোনও কিছুই নে। সুতরাং এই দাবির পুরোটাই কেবল গল্প।" তাছাড়া ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জেলেন্সস্কি নিজেই ইহুদি। তিনি বলেছেন যে তাঁর দাদুর তিনজন ভাই যুদ্ধে প্রাণ হারান। তাঁর দাদু প্রাণে বেঁচে যান। তবুও জেলেনস্কিকে নাৎজিদের সঙ্গে তুলনা করা হয়।

আরও পড়ুন : জানুয়ারিতে যে কিশোর কিশোরীরা ওমিক্রন আক্রান্ত হয়, তারা এখন কোভিড টিকা নিতে পারবে? জানুন চিকিৎসকের মত

হলোকাস্ট বিকৃতি: রাজনৈতিক উদ্দেশ্যগুলির জন্য ইতিহাস প্রসারিত করার জন্য পুতিনের প্রচেষ্টা অন্যান্য দেশেও দেখা যায়। যা সর্বাধিক দেখা যাচ্ছে পোলান্ডে, যেখানে কর্তৃপক্ষ মূলধারার বৃত্তি নিয়ে জাতীয়তাবাদী বর্ণনামূলক ভাবে অগ্রসর হচ্ছে, ২০১৮ সালে আইনের মাধ্যমে হলোকাস্ট বক্তৃতা নিয়ন্ত্রণ করে। আইন কার্যকর হওয়ার পর এনিয়ে ক্ষোভের সঞ্চার হয় দেশ জুড়ে। আইনটি ইজরায়েলকে রাগান্বিত করেছিল, যেখানে অনেকেই মনে করেছিলেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদিদের হত্যার ইতিহাস মুছে দেওয়ার চেষ্টা ছিল। ইয়াদ ভাশেমও (Yad Vashem) আইনের বিরুদ্ধে ছিল।

তেল আভিভ এবং ইয়াদ ভাশেম ইউনিভার্সিটির ইতিহাসবিদ হাভি ড্রেইফুস বলেছেন, বিশ্ব এখন হলোকাস্ট অস্বীকার এবং হলোকাস্ট বিকৃতি উভয় নিয়েই উদ্বিগ্ন, যেখানে দেশ বা প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের নিজস্ব ইতিহাসের ব্যাখ্যা নিয়ে আসে। তিনি বলেন, "যিনি হলোকাস্ট যুগের সঙ্গে মোকাবিলা করছেন তাঁকে অবশ্যই প্রথমে এবং সর্বাগ্রে সেই সময় ঘটে যাওয়া জটিল বাস্তবতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে; আজকের যুদ্ধের জন্য নয়।"

ইজরায়েলের স্বার্থ: হলোকাস্ট ইজরায়েলের জাতীয় পরিচয় কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। হলোকাস্ট স্মরণ দিবসে ইজরায়েলে সবকিছু দুই মিনিটের জন্য থেমে যায়। স্কুলের পড়ুয়া, সেনা ও অন্যরা ইয়াদ ভাশেমের জাদুঘরে ওইদিন যায়। হলোকাস্টের স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষরা তাঁদের কথা শোনান।

হলোকাস্ট স্মরণকে কেন্দ্র করে পোল্যান্ড-সহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে মত পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু কিছু পর্যবেক্ষকদের মতে, ইজরায়েল তার বর্তমান নিরাপত্তা স্বার্থের জন্য পুতিন এবং তাঁর গল্পকে চ্যালেঞ্জ করতে আরও বেশি অনিচ্ছুক। সিরিয়ায় (Syria) নির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা চালাতে রাশিয়ার সঙ্গে সমন্বয়ের উপর নির্ভর করে ইজরায়েল।

আরও পড়ুন : এই খাবারগুলি রোজ খেলেই চুলের যত্ন নিয়ে আর কোনও চিন্তা নেই

২০২০ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি ভাষণের পর ও আউশভিৎস কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রেজেন্টেশনের পর ইজরায়েল সরকারের জোর সমালোচনা শুরু করেন ঐতিহাসিকরা। তথ্য় বিকৃত করার অভিযোগ তোলা হয়।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর জন্য রাশিয়ার সরাসরি নিন্দা করেনি ইজরায়েল। ভাষ্যকার রাবিভ ড্রুকার ডেইলি হ্যারিটজে লিখেছেন যে ইজরায়েল তার প্রতিক্রিয়া নিয়ে ইতিহাসের ভুল পথে চালিত। কারণ প্রাথমিকভাবে তারা ইউক্রেনকে সমর্থন করার চেষ্টা করেছিল। ইজরায়েলি বিদেশমন্ত্রী ইয়ায়ার ল্যাপিড (Yair Lapid) বারবার রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট (Naftali Bennett) প্রকাশ্যে রাশিয়ার নিন্দা জানানোর প্রয়াসে বাধা দিয়েছেন। সেই নিরপেক্ষ অবস্থানের মাধ্যমে তিনি কিভ এবং মস্কোর মধ্যে একটি অসম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন। ইজরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একজন প্রাক্তন কর্তা ভের মাইকেল্লিন-শাপির বলেন, "আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগগুলি ইজরায়েলের কাছে অগ্রাধিকার পেয়েছে। তিনি বলেন, রাশিয়া আমাদের সবচেয়ে খারাপ শত্রুদের অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে এবং তাই ইজরায়েল খুব সতর্কতার সঙ্গে এগিয়ে চলছে।"

কেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে চাইছিল ইজরায়েল?

রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) থামাতে উদ্যোগী হয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। কয়েকদিন আগে তিনি মস্কোতে (Moscow) গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সঙ্গে দীর্ঘ তিনঘণ্টা ধরে কথা বলেন। তারপর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির (Volodymyr Zelenskyy) সঙ্গেও তাঁর ফোনে কথা হয়। মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর বার্লিনে (Berlin) আসেন বেনেট। জার্মানির চ্যান্সেলার ওলাফ শোলজের (Olaf Scholz) সঙ্গে তিনি দেড়ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেন।

কিন্তু, যুদ্ধের মাঝে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় ঢোকা ইজরায়েলের (Israel) জন্য মাইনফিল্ড (Minefield) হতে পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন দুই দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক আছে ইজরায়েলের। তাছাড়া রাশিয়া সিরিয়া (Syria) যুদ্ধের সঙ্গেও জড়িত। সিরিয়া আবার ইজরায়েলের প্রতিবেশী দেশ। তাই সিরিয়ায় নিরাপত্তা উদ্বেগের ইস্যুটি ক্রেমলিনের সঙ্গে ইজরায়েলের সম্পর্কের উপর নির্ভর করে। এছাড়াও ইজরায়েল প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে রাগানোর সামর্থ্য রাখেন না। দুই পক্ষকে যুদ্ধ থামাতে রাজি করাতে পারলে বেনেট একজন আন্তর্জাতিক রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে উঠে আসবেন। প্যালেস্তাইন (Palestine) ইস্যুতেও ইজরায়েলের অবস্থানকে স্পষ্ট করে তুলবেন।

আরও পড়ুন : এই খাবারগুলি ডায়েটে রাখলে সুস্থতা আপনার চিরসঙ্গী

রাশিয়ার উপরে পশ্চিমা দেশগুলির নিষেধাজ্ঞা চাপানো শুরু হতেই বেনেট পুতিন এবং জেলেনস্কি, উভয়ের সঙ্গেই যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। জেলেনস্কিই যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার সঙ্গে মধ্যস্থতা শুরু করতে বলেছিলেন বেনেটকে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনিই একমাত্র পশ্চিমা নেতা যিনি রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। বিশ্ব রাজনীতিতে অপরীক্ষিত বেনেট রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে নাক গলিয়ে ইজরায়েলকে এক কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছেন। যুদ্ধরত দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে টেনে আনা তার জন্য অগ্নিপরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে। এক কথায় তিনি বাজি ধরেছেন, জিতে গেলে বেনেট তাঁর রাজনৈতিক ভাগ্যকে আরও প্রাণবন্ত করতে পারেন।

কূটনৈতিক সম্পর্ক: রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়ের সঙ্গেই ভাল সম্পর্ক রয়েছে এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে ইজরায়েল অন্যতম। ইউক্রেনে ১০০ টন মানবিক সহায়তা (Humanitarian Aid) প্রদান করেছে এবং ঘোষণা করেছে যে তারা সেখানে একটি ফিল্ড হাসপাতাল (Field Hospital) স্থাপন করবে। ইউক্রেনও প্রায় ২ লাখ ইহুদির আবাসস্থল, যাদের মধ্যে বহু মানুষ ইতিমধ্যেই ইজরায়েলে পালিয়ে গেছে, আরও অনেকই পালিয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেনেট তাঁর মন্ত্রীদের বলেছেন যে রাশিয়ার আক্রমণ থেকে প্রাণ হাতে করে পালিয়ে আসা ইউক্রেনীয় ইহুদি উদ্বাস্তুদের জন্য ইজরায়েলকে অবশ্যই তার দরজা ও হৃদয় উন্মুক্ত করতে হবে। কারণ, যুদ্ধ এখনই শেষ হচ্ছে না।

রাশিয়ার সঙ্গে ইজরায়েলের সম্পর্ক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সিরিয়ায় কারণে ইজরায়েল রাশিয়ার উপর নির্ভর করে। সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি রয়েছে এবং যেখানে ইজরায়েলি জেটগুলি প্রায়শই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। ভিয়েনায় ইরানের (Iran) পারমাণবিক কর্মসূচি (Nuclear Program) নিয়ে আলোচনায় অন্য দেশগুলির মধ্যে রাশিয়াও রয়েছে। এই চুক্তি দ্রুতই স্বাক্ষর হবে বলে মনে করা হয়েছে। ইজরায়েল এই চুক্তির বিরোধিতা করে বলেছে যে এটি ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমকে পর্যাপ্তভাবে রোধ করবে না। অতীতে তাদের এই বিরোধিতার বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে প্রায়শই আলোচনা করেছে তেল আভিভ।

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Russia Ukraine War

পরবর্তী খবর