• Home
  • »
  • News
  • »
  • explained
  • »
  • Explained: শিশুদের জন্যও করোনার টিকা; সুবিধা এবং অসুবিধা নিয়ে জানুন বিশদে!

Explained: শিশুদের জন্যও করোনার টিকা; সুবিধা এবং অসুবিধা নিয়ে জানুন বিশদে!

বেশিরভাগ উন্নত দেশ, হয় তারা ১৮ বছরের কম বয়সিদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে, না হয় ইতিমধ্যেই টিকাকরণ শুরু করে দিয়েছে

বেশিরভাগ উন্নত দেশ, হয় তারা ১৮ বছরের কম বয়সিদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে, না হয় ইতিমধ্যেই টিকাকরণ শুরু করে দিয়েছে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) বলেছে যে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশু এবং কিশোর-কিশোরীরা কোভিডে আক্রান্ত হয় কম।

  • Share this:

ভারত তার মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ৭০ শতাংশেরও বেশি মানুষকে কোভিড টিকার (Covid-19 Vaccine) অন্তত একটি ডোজ দিয়ে দিয়েছে। এই বছরের শুরুর দিকে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরে টিকাকরণ কর্মসূচিতে জোর দেওয়া হয়। টিকাকরণ গতি পেতেই দেশে ক্রমেই কমছে সংক্রমণের হার। এবার খুব শীঘ্রই ১৮ বছরের কম বয়সিদের টিকাকরণ শুরু হবে দেশে। তবে কোন টিকা দেওয়া হবে, তা এখনও ঠিক করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষজ্ঞরা ডেটা এবং সরবরাহকেই এই দেরির পিছনে মূল কারণ হিসাবে বলছেন, যা টিকাকরণ শুরুর আগে বিবেচনা করতে হবে। আর সেগুলিই জানা দরকার আমাদের।

শিশুদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গি কী?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) বলেছে যে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশু এবং কিশোর-কিশোরীরা কোভিডে আক্রান্ত হয় কম। তাই যদি তারা গুরুতর সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা একটি গোষ্ঠীর অংশ না হয়, তবে তাদের টিকাকরণ খুব জরুরি নয়। যাই হোক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অফ এক্সপার্টস (SAGE) ফাইজার-বায়োনটেকের (Pfizer/BionTech) টিকা ১২ বছর বা তার বেশি বয়সিদের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে। গ্লোবাল হেল্থ এজেন্সি বলছে যে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সি, যারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে তাদের টিকা অন্যদের সঙ্গেই দেওয়া যেতে পারে।

আরও পড়ুন : অতি দ্রুত ওজন কমছে মানেই শরীরের মেদ ঝরছে, এই ধারণা কতটা সঠিক?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমানে শিশুদের জন্য টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। তাই পরিস্থিতি যেরকম দাঁড়াবে সেই অনুযায়ী সুপারিশে পরিবর্তন আনা হবে। টিকাকরণে পিছিয়ে থাকা দেশগুলি আগে প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যাকে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিক। তার পর অন্যদের দেওয়ার বিষয়ে ভাববে। অনেক দেশ রয়েছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ উন্নত দেশ, হয় তারা ১৮ বছরের কম বয়সিদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে, না হয় ইতিমধ্যেই টিকাকরণ শুরু করে দিয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য দফতর ১২-১৫ বছর বয়সি সকলের জন্য ফাইজারের একটি ডোজ দেওয়াতে অনুমোদন দিয়েছে। শিশুদের কোভিড টিকা দেওয়ার পিছনে অন্যতম কারণ হল স্কুল বন্ধ থাকা। এতে করে শিশুদের পড়াশোনায় ক্ষতি হচ্ছে। অনলাইনে পড়াশোনা এখনও অধিকাংশ শিশু ও কিশোরী-কিশোরী রপ্ত করতে পারেনি। তাই ১৮ বছরের কম বয়সিদের টিকা দেওয়া হয়ে গেলে স্কুল খোলা যেতে পারে। বিবিসি (BBC) যোগ করেছে যে শিশুদের জন্য টিকা দেওয়ার কারণ হচ্ছে সংক্রমণের হার কমানো, এটা স্কুলে কোভিডের বিস্তার বন্ধ করবে বলে বিবেচনা করা হয় না। তাই প্রাপ্তবয়স্কদের মতো শিশুদের টিকাকরণকেও গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে।

ভারতের বিশেষজ্ঞরা কী বলেছেন?

সম্প্রতি দেশ প্রাপ্তবয়স্কদের ১০০ কোটি টিকাকরণের মাইলফলক পার করেছে। একাধিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে শিশুদের টিকা দেওয়ার কোনও তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। ২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের জন্য ভারত বায়োটেকের (Bharat Biotech) করোনা ভ্যাকসিন কোভ্যাক্সিনের (Covaxin) আপৎকালীন ব্যবহারে সুপারিশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকারের সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি (Subject Expert Committee)। এই প্রথম ভারতে শিশু ও কিশোরদের জন্য কোনও কোভিড টিকার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। ইতিমধ্যেই এই টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের সম্পূর্ণ হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেই ট্রায়াল সংক্রান্ত তথ্য ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার (Drugs Controller General of India) কাছে জমা দেয় ভারত বায়োটেক। ডিসিজিআই-র অনুমোদন পেলেই এই টিকার জরুরি ব্যবহার শুরু হবে। তবে ১২ বছর বা তার বেশি বয়সিদের জন্য জাইডাস ক্যাডিলার জাইকোভ-ডি (ZyCoV-D vaccine) টিকা অগাস্ট মাসে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। কিন্তু এটি এখনও বাজারে উপলব্ধ করা হয়নি।

আরও পড়ুন : শরীরচর্চা বন্ধ করে দিলে কী কী সমস্যা হতে পারে? জেনে নিয়ে সতর্ক হন এখনই!

কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে এই টিকা দেওয়া হবে। যে সমস্ত শিশুদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাদের আগে টিকার ডোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত মতামত গ্রহণের কাজ শেষ হলেই খুব শীঘ্রই শিশুদের জন্য কোভ্যাক্সিনের ছাড়পত্র দিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার।

টিকা বিশেষজ্ঞ গগনদীপ কাং (Gagandeep Kang) বলেছেন, "ভারতে শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু করার আগে এমন অনেক প্রশ্ন রয়েছে যার উত্তর দেওয়া দরকার। আমরা শিশুদের কেন ও কোন টিকা দিতে চাই সে বিষয়ে স্পষ্টতা থাকা উচিত। আমাদের কি নিষ্ক্রিয় ভাইরাস টিকা ব্যবহার করা উচিত না কি এমআরএনএ টিকার জন্য অপেক্ষা করা উচিত? এমন অনেক প্রশ্ন রয়েছে যা আমাদের বিবেচনা করে সঠিকভাবে উত্তর দিতে হবে। আমরা এখনও এই টিকাগুলির কার্যকারিতা সম্পর্কে যথেষ্ট জানি না। এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ডেটা নেই।"

শিশুদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিপরীতে আরেকটি কারণ হল পর্যাপ্ত সংখ্যক টিকার ডোজ সরবরাহ করা। ৯৫ কোটির কাছাকাছি প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার জন্য ভারতের মোট ১৯০ কোটি ডোজ প্রয়োজন। এর মধ্যে ১০০ কোটিরও বেশি ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও কোটি কোটি ডোজ সরবরাহ করতে হবে। নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল (V K Pal) জানিয়েছেন, শিশুদের কবে থেকে সেই টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে তা এখনও স্থির করেনি সরকার। যোগানের উপরে নির্ভর করবে শিশুদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া।

আরও পড়ুন : কোভিড সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠার পরও নানা উপসর্গ? কী ভাবে কাটিয়ে উঠবেন জটিলতা?

কোন কোন দেশ শিশুদের টিকা দিচ্ছে?

মার্কিন সরকার (USA) ৫-১১ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতিমধ্যেই ফাইজার-বায়োএনটেকের (Pfizer-BioNTech) ১২-১৫ বছর বয়সিদের টিকার জরুরি অনুমোদন পেয়ে গিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। উপসর্গযুক্ত সংক্রমণ রোধ করতে এই টিকার ডোজ ৯১ শতাংশ কার্যকরী বলে দাবি করেছে ফাইজার-বায়োএনটেক। এই টিকার ১০ মাইক্রোগ্রামের দু'টি ডোজ শিশুদের উপর পরীক্ষা করা হয়েছে। ১২ বছর বা তার বেশি বয়সের ক্ষেত্রে ৩০ মাইক্রোগ্রাম ডোজ ব্যবহার করা হয়।

ইউরোপের অনেক দেশ শিশুদের জন্য টিকা দেওয়া শুরু করেছে বা পরিকল্পনা তৈরি করছে। ফ্রান্স (France) ১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের টিকা দিচ্ছে, যদি তাদের বাবা-মায়ের সম্মতি থাকে। জার্মানি অগাস্ট মাসে ১২-১৭ বছর বয়সিদের টিকা দেওয়ার জন্য সম্মত হয়েছিল।

কিউবা (Cuba) ২ বছরের বেশি বয়সি শিশুদের জন্য টিকা চালু করেছে। চিনও ৩-১৭ বছর বয়সিদের সিনোভাক টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে ডেল্টা ভ্যারিয়ান্টের (Delta Variant) কারণেই ভারতে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। তাই টিকা শুধুমাত্র তাদের রক্ষা করবে না, প্রাপ্তবয়স্কদেরও রক্ষা করবে। টিকা নেওয়ার পর আক্রান্ত হলেও গুরুতর অসুস্থতা ও মৃত্যু এড়ানো যায় টিকা নেওয়া থাকলে। ভারতের কোভিড নিয়ে কাজ করা একটি বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠীর গত মাসে পাওয়া তথ্যে বলা হয়েছে যে শিশুদের সংক্রমণ মার্চ মাসের থেকে অগাস্ট মাসে বেড়েছে প্রায় ৭ শতাশ। মার্চে এই হার ছিল ২.৮। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন যে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের মধ্যে কোভিড সংক্রমণ হালকা বা মাঝারি হয়। তবে কখনও কখনও কিছু শিশুর গুরুতর ফুসফুস সংক্রমণ হতে পারে। যার জন্য হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। তাঁরা বলেছেন যে বাচ্চাদের মাল্টিসিস্টেম ইনফ্ল্যামেটরি সিন্ড্রোমের (Multisystem Inflammatory Syndrome) মতো জটিলতা থাকতে পারে। যার জন্য নিবিড় যত্নের প্রয়োজন হতে পারে। উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে তাদের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে।

ভারতের বিশেষজ্ঞরাও শিশুদের উপর মৃদু কোভিডের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সম্পর্কে বলেছেন। সেই কারণেই তারা বলেছেন যে শিশুদের টিকা দেওয়া দরকার। আইসিএমআর-র প্রাক্তন বিজ্ঞানী রমন গঙ্গাখেদকর বলেছেন, "শিশুদের মধ্যেও দীর্ঘ কোভিডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ঘটে কিনা তা আমরা জানি না। আমরা জানি না শিশুদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে কোভিড-পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার প্রভাব কী হবে। তাই, ভারতকে যৌক্তিকভাবে দেখতে হবে এবং একটি সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।"

কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বাচ্চাদের একটিই ডোজ অথবা পরিমাণে কম ডোজের প্রয়োজন হতে পারে, তবে ভারতে শিশুদের এই মুহূর্তে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তা সত্ত্বেও, কোভ্যাক্সিন টিকা শিশুদের ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ব্যবহারের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো বাচ্চাদেরও কোভিডের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করতে দুই ডোজ টিকার প্রয়োজন হবে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে এগুলি প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই। এর মধ্যে রয়েছে ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা, মাথাব্যথা, পেশি বা জয়েন্টে ব্যথা, জ্বর এবং ঠান্ডা লাগা।

কোভ্যাক্সিন অন্যান্য টিকার তুলনায় কম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বাচ্চাদের উপর ক্লিনিকাল ট্রায়ালে রেকর্ড করা সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে ফ্লু-র মতো উপসর্গ। যেহেতু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়, তাই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা প্রত্যাশিত। তার মধ্যে রয়েছে জ্বর, ইনজেকশন দেওয়ার জায়গায় ব্যথা ও লাল হয়ে যাওয়া, ঘুমঘুম ভাব, শরীরে ব্যথা এবং ক্লান্তি। এখনও পর্যন্ত কোভ্যাক্সিনের বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিছু রেকর্ড করা হয়নি। তবে একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা হবে। যে বাচ্চাদের শারীরিক অসুস্থতা আছে তাদের ক্ষেত্রে আরও যত্নের প্রয়োজন হতে পারে।

ভারতে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের উপর তাদের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের জন্য অনুমতি চেয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন (Johnson & Johnson)। গত ১৭ অগাস্ট সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের কাছে ওই অনুমতি চাওয়া হয়। ইতিমধ্যেই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গল ডোজ টিকায় ছাড়পত্র দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। এছাড়াও সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (SII) ২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের জন্য টিকা তৈরি করেছে। এর নাম নাম কোভোভ্যাক্স (Covovax)। ইতিমধ্যেই এই টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে আগামী বছরই এই টিকা ছাড়পত্র পাবে। গুজরাতের সস্থা জাইডাস ক্যাডিলা (Zydus Cadila) তাদের জাইকোভ ডি (ZyCoV-D) টিকার ১২-১৭ বছর বয়সিদের উপর প্রয়োগের ছাড়পত্র পেয়েছে। তারা এখন শিশুদের টিকা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে। বায়োলজিক্যাল ই (Biological E ) তাদের কোর্বেভ্যাক্স (Corbevax) টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালাচ্ছে। ৫-১৮ বছর বয়সিদের এই টিকা দেওয়া হবে।

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: